পদ্মা সেতুর নকশা চূড়ান্ত : ৯ মাত্রার ভূমিকম্পেও ভাঙবে না দ্বিতল এ সেতু
চূড়ান্ত হয়েছে পদ্মা সেতুর ডিজাইন। ডিজাইন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইকম লিমিটেডের হংকং অফিসে গত ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতুর এক্সপার্ট প্যানেলের সভায় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ কার্যক্রমের সার্বিক বিষয়সহ ভূকম্পন ডিজাইন পর্যালোচনা করা হয় এবং ২৯ জুলাই পদ্মা বহুমুখী সেতুর ভূকম্পন এবং বিশদ নকশা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন গতকাল ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার দফতরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
যোগাযোগমন্ত্রী আরও জানান, সেতুটি হবে দ্বিতল এবং এটি ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল হবে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্যানেল অব এক্সপার্টসের সদস্য প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এএম সফিউল্লা, জাপানের প্রফেসর ইউজু ফুজিনু এবং প্রফেসর কেনজি ইশিরহারা, ডিজাইন কনসালটেম্লট ড. রবিন শ্যাম, কেন হুইলার লন্ডনের চেকিং ইঞ্জিনিয়ার ডেভিড কোপার এবং মেথিও কার্টরাইট উপস্থিত ছিলেন।
পদ্মা সেতুর নকশা চূড়ান্ত হওয়ায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যেই সেতু নির্মাণের জন্য কন্ট্রাক্টর নিয়োগ সম্পন্ন করতে পারবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে মূল সেতু নির্মাণের ঠিকাদার নিয়োগের জন্য প্রাক-যোগ্যতা যাচাই সম্পন্ন করেছে এবং নদীশাসন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের প্রাক-যোগ্যতা যাচাইয়ের দরপত্র আহ্বান করেছে। দাতাসংস্থাগুলোর এপ্রাইজাল মিশন সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে ঢাকায় আসবে এবং ডিসেম্বর ২০১০ অথবা জানুয়ারি ২০১১-এর মধ্যেই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের পরই সেতু নির্মাণ, নদীশাসন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য নির্বাচিত ঠিকাদারদের কার্যাদেশ দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, পদ্মা বহুমুখী সেতুতে আর্থিক সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ১২০০ মিলিয়ন ডলার, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ৬১৫ মিলিয়ন ডলার, জাইকা ৩৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৩০ মিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তথ্য বিবরণী
যোগাযোগমন্ত্রী আরও জানান, সেতুটি হবে দ্বিতল এবং এটি ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল হবে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্যানেল অব এক্সপার্টসের সদস্য প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এএম সফিউল্লা, জাপানের প্রফেসর ইউজু ফুজিনু এবং প্রফেসর কেনজি ইশিরহারা, ডিজাইন কনসালটেম্লট ড. রবিন শ্যাম, কেন হুইলার লন্ডনের চেকিং ইঞ্জিনিয়ার ডেভিড কোপার এবং মেথিও কার্টরাইট উপস্থিত ছিলেন।
পদ্মা সেতুর নকশা চূড়ান্ত হওয়ায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যেই সেতু নির্মাণের জন্য কন্ট্রাক্টর নিয়োগ সম্পন্ন করতে পারবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে মূল সেতু নির্মাণের ঠিকাদার নিয়োগের জন্য প্রাক-যোগ্যতা যাচাই সম্পন্ন করেছে এবং নদীশাসন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের প্রাক-যোগ্যতা যাচাইয়ের দরপত্র আহ্বান করেছে। দাতাসংস্থাগুলোর এপ্রাইজাল মিশন সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে ঢাকায় আসবে এবং ডিসেম্বর ২০১০ অথবা জানুয়ারি ২০১১-এর মধ্যেই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের পরই সেতু নির্মাণ, নদীশাসন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য নির্বাচিত ঠিকাদারদের কার্যাদেশ দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, পদ্মা বহুমুখী সেতুতে আর্থিক সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ১২০০ মিলিয়ন ডলার, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ৬১৫ মিলিয়ন ডলার, জাইকা ৩৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৩০ মিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তথ্য বিবরণী
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


