Amardesh
আজঃ ঢাকা, শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০১০, ১৫ শ্রাবণ ১৪১৭, ১৭ শাবান ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বগুড়ার শেরপুরে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা : আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার দাবি বিবাদীপক্ষের

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনে বগুড়ার শেরপুরে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে মুসলিম লীগ ও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এমন চারজনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে সংঘটিত হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে ওই মামলাটি করা হয়। বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন শেরপুর উপজেলার বেলঘরিয়া গ্রামের মৃত শহীদ কফিল উদ্দিনের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন। মামলাটি আমলে নেয়া হবে কিনা এ বিষয়ে আদালত ২৯ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেছেন বলে জানা গেছে।
মামলায় উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের আদমজামুর গ্রামের মৃত রফায়েত উল্লাহর ছেলে ডা. মো. ইশারত উল্লাহ (৮৫), তার ছেলে শেরপুর পৌরশহরের বাসস্ট্যান্ড কদমতলা এলাকার মো. শহিদুল্লাহ (৬০), একই ইউনিয়নের নামাজামুর গ্রামের মৃত আনার উল্লাহর ছেলে মো. আবদুল হাকিম (৬২) ও পাকুড়িয়াপাড়ার নিমাই প্রামাণিকের ছেলে মো. আবদুল করিমকে (৭০) যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে চাইলে মামলার বাদী-বিবাদী উভয়ই নিজেদের আওয়ামী পরিবারের লোক বলে দাবি করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ডা. ইশারত উল্লাহর ছেলে শহিদুল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, আমি ও আমার পরিবার এলাকায় গোঁড়া আওয়ামী লীগ হিসেবে পরিচিত। আমার এক ভাই সাইদুজ্জামান বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজে ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচন করে ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আরেক ভাই সুজাউদ্দৌলা বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের সক্রিয় নেতা। এছাড়া ১৯৭১ সালে আমার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তাই আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।
বাদী শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও কুসুম্বী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন, তার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তরা কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বরং তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বাবাকে পাকসেনাদের সহায়তায় নির্মমভাবে হত্যা করে। এ সময় তারা তাদের গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট চালায় বলে তিনি দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ ফজলে ইমাম টুলুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মামলায় অভিযুক্তরা কেউ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তবে মামলার বাদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বলে তিনি জানান।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?