বিজ্ঞান শিক্ষাকে প্রিয় করার উদ্যোগ নেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
সরকার বিজ্ঞান শিক্ষাকে শিক্ষার্থীপ্রিয় করে তোলার উদ্যোগ নেবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় বিজ্ঞান শিক্ষা সপ্তাহ পালন এবং প্রতিটি স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শিক্ষা সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. এসএম গোলাম ফারুক, মো. সিরাজুল ইসলাম, বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দিলীপ কুমার বসাক, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক সাজেদা বানু, অধ্যাপক ইকবাল আজিজ মুত্তাকী, অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সুফিয়া বুলবুল, অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. তপন কুমার সাহা, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর নোমান উর রশিদ, নায়েমের মহাপরিচালক শামসুর রহমান, সিলেট, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার স্কুল-কলেজের বিজ্ঞান শিক্ষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমছে। দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বিষয়টি শুভ নয়। সরকার বিষয়টি অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার লক্ষ্যে দেশের শিক্ষক-শিক্ষাবিদ, অভিভাবক, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-অধিদফতরসহ সুধীমহলের পরামর্শ ও মতামত নেয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষার সিলেবাস যুগোপযোগী করা, পাঠ্যক্রম সহজবোধ্য ও সামঞ্জস্যপূর্ণকরণ, ডিজিটাল কন্টেম্লট তৈরি করা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান যন্ত্রপাতিসহ বিজ্ঞানাগার স্থাপনের পর্যায়ক্রমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এসব বিষয়ে একাধিক প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে।
সভায় বক্তারা বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন এবং বিজ্ঞানকে শিক্ষার্থীপ্রিয়করণে বিভিন্ন সুপারিশ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, নব্বই দশকের শেষদিক থেকে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে এবং বাড়ছে ব্যবসায় ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থী সংখ্যা। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের এক পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞান শাখায় শিক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৬ জন। ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থী ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৬ জন। অর্থাত্ হ্রাস পেয়েছে ৩১.৬৩ শতাংশ।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শিক্ষা সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. এসএম গোলাম ফারুক, মো. সিরাজুল ইসলাম, বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দিলীপ কুমার বসাক, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক সাজেদা বানু, অধ্যাপক ইকবাল আজিজ মুত্তাকী, অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সুফিয়া বুলবুল, অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. তপন কুমার সাহা, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর নোমান উর রশিদ, নায়েমের মহাপরিচালক শামসুর রহমান, সিলেট, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার স্কুল-কলেজের বিজ্ঞান শিক্ষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমছে। দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বিষয়টি শুভ নয়। সরকার বিষয়টি অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার লক্ষ্যে দেশের শিক্ষক-শিক্ষাবিদ, অভিভাবক, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-অধিদফতরসহ সুধীমহলের পরামর্শ ও মতামত নেয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষার সিলেবাস যুগোপযোগী করা, পাঠ্যক্রম সহজবোধ্য ও সামঞ্জস্যপূর্ণকরণ, ডিজিটাল কন্টেম্লট তৈরি করা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান যন্ত্রপাতিসহ বিজ্ঞানাগার স্থাপনের পর্যায়ক্রমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এসব বিষয়ে একাধিক প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে।
সভায় বক্তারা বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন এবং বিজ্ঞানকে শিক্ষার্থীপ্রিয়করণে বিভিন্ন সুপারিশ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, নব্বই দশকের শেষদিক থেকে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে এবং বাড়ছে ব্যবসায় ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থী সংখ্যা। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের এক পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞান শাখায় শিক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৬ জন। ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থী ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৬ জন। অর্থাত্ হ্রাস পেয়েছে ৩১.৬৩ শতাংশ।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


