সাগরের উষ্ণতায় বিপন্ন শেওলা
ডেস্ক রিপোর্ট
উষ্ণায়নের বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে শুরু করেছে সাগরেও। অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণের কারণে বায়ুমণ্ডল যেমন গরম হয়ে উঠতে শুরু করেছে, তেমনি বাদ যাচ্ছে না জলমণ্ডলও। সাগরের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা ধারণ করার কারণে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদও উষ্ণায়নের শিকার হচ্ছে। সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন এমন তথ্য। তাদের মতে, সাগরের ওপরে ভাসমান শেওলা উষ্ণ পানির কারণে আস্তে আস্তে নিশ্চিহ্ন হতে শুরু করেছে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, নিশ্চিহ্ন হওয়ার প্রবণতা শুরু হয়েছে গত শতাব্দী থেকে। বিবিসি
প্রকৃতিবিষয়ক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ তারা লিখেছেন, মহাসাগরের ওপরের স্তরের শেওলার বিনাশের কারণ হতে পারে জলমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি। তারা জলমণ্ডলের ওপরের স্তরের স্বচ্ছতা রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে শেওলার পরিমাণ কমে যাওয়ার ব্যাপারটা নিশ্চিন্ত হয়েছেন।
জলের শেওলার মূল কাজ হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলজ প্রাণীর খাদ্যের জোগান দেয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি বছর প্রায় এক শতাংশ হারে শেওলা কমে গেলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা প্রাণীবৈচিত্র্য রক্ষার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
সাগরের পানিতে প্লাঙ্কটন বা শেওলা কমে যাওয়ার ব্যাপারে এটাই বিজ্ঞানীদের প্রথম পর্যবেক্ষণ বা জরিপ। জরিপকারী দলের নেতা কানাডার নোভা স্কটিয়ার হ্যালিফ্যাক্সের ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যানিয়েল বয়সে বলেন, ‘আমরা উষ্ণায়নের যতটা প্রভাব সাগরের পানিতে পড়তে পারে বলে ধারণা করতে পেরেছি, আস্তবে তার চেয়ে বেশি ঘটেছে। সাগরের পানি ক্রমেই উষ্ণ হয়ে উঠছে। শেওলাগুলোর বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধির জন্য দরকার সূর্যালোক ও নিচের দিক থেকে পুষ্টিকর খাবার। শেওলা নিচের দিকে স্তরে স্তরে যত বেশি বিন্যস্ত, এর পুষ্টি আহরণেও তত বেশি সুবিধা।’
পাইটোপ্লাঙ্কটন নামের শেওলা খেয়ে বেঁচে থাকে জুপ্লাঙ্কটন নামের এক ধরনের জলজ প্রাণী। আর জুপ্লাঙ্কটন হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাছ ও একই আকারের অন্যান্য প্রাণী।
প্রফেসর বয়সে বলেন, ‘শেওলা কমে যাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য তিন বছর ধরে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা বারবার সবকিছু পরখ করে দেখেছি। উত্তর মহাসাগরে এর অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও দক্ষিণ মহাসাগরে ব্যাপারটা সুস্পষ্ট লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরেও দেখা গেছে একই অবস্থা।’
প্রকৃতিবিষয়ক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ তারা লিখেছেন, মহাসাগরের ওপরের স্তরের শেওলার বিনাশের কারণ হতে পারে জলমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি। তারা জলমণ্ডলের ওপরের স্তরের স্বচ্ছতা রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে শেওলার পরিমাণ কমে যাওয়ার ব্যাপারটা নিশ্চিন্ত হয়েছেন।
জলের শেওলার মূল কাজ হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলজ প্রাণীর খাদ্যের জোগান দেয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি বছর প্রায় এক শতাংশ হারে শেওলা কমে গেলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা প্রাণীবৈচিত্র্য রক্ষার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
সাগরের পানিতে প্লাঙ্কটন বা শেওলা কমে যাওয়ার ব্যাপারে এটাই বিজ্ঞানীদের প্রথম পর্যবেক্ষণ বা জরিপ। জরিপকারী দলের নেতা কানাডার নোভা স্কটিয়ার হ্যালিফ্যাক্সের ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যানিয়েল বয়সে বলেন, ‘আমরা উষ্ণায়নের যতটা প্রভাব সাগরের পানিতে পড়তে পারে বলে ধারণা করতে পেরেছি, আস্তবে তার চেয়ে বেশি ঘটেছে। সাগরের পানি ক্রমেই উষ্ণ হয়ে উঠছে। শেওলাগুলোর বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধির জন্য দরকার সূর্যালোক ও নিচের দিক থেকে পুষ্টিকর খাবার। শেওলা নিচের দিকে স্তরে স্তরে যত বেশি বিন্যস্ত, এর পুষ্টি আহরণেও তত বেশি সুবিধা।’
পাইটোপ্লাঙ্কটন নামের শেওলা খেয়ে বেঁচে থাকে জুপ্লাঙ্কটন নামের এক ধরনের জলজ প্রাণী। আর জুপ্লাঙ্কটন হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাছ ও একই আকারের অন্যান্য প্রাণী।
প্রফেসর বয়সে বলেন, ‘শেওলা কমে যাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য তিন বছর ধরে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা বারবার সবকিছু পরখ করে দেখেছি। উত্তর মহাসাগরে এর অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও দক্ষিণ মহাসাগরে ব্যাপারটা সুস্পষ্ট লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরেও দেখা গেছে একই অবস্থা।’
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


