পুলিশের হামলায় আহত ১০ : আটক ৬ : রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
স্টাফ রিপোর্টার
জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ ৫ নেতাসহ বিরোধী দলের সব নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল রাজধানীসহ সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দলটি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বিকালে রাজধানীতে ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। দৈনিক বাংলা মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে হামিদ আযাদ এমপিসহ মহানগরী নেতারা বক্তব্য রাখেন। এদিকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় পুলিশ মিছিলকারী জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত লাঠিচার্জ করে এবং মহানগরী সেক্রেটারি হামিদ আযাদ এমপিকে টানা-হেঁচড়া করে গ্রেফতারের চেষ্টা চালায়। তবে কর্মীদের বাধার মুখে পুলিশ তাকে আটক করতে ব্যর্থ হয়। পুলিশের লাঠিচার্জে এসময় অন্তত ১০ জামায়াত কর্মী আহত হন। এছাড়া পুলিশ পথচারী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ ৬ জনকে আটক করে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন দমনের জন্যই জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধের মামলা দিয়ে সরকার বিচারের নামে প্রহসন চালাচ্ছে। ’৭১ সালে যারা যু্দ্ধই করেনি, তারা যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জামায়াত নেতাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে জুলুম-নির্যাতন করছে। তিনি জুলুম-নির্যাতনের পথ পরিহার করে সব নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। অন্যথায় দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে সব দলন-পীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, সরকার ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে। মূলত ’৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন হলে সংবিধানের মূলনীতি হতে আল্লাহর প্রতি ইমান মুছে ফেলা হবে। দেশের জনগণ সরকারের এই নীল নকশা বাস্তবায়ন হতে দেবে না। জীবন দিয়ে হলেও এদেশের মানুষ সরকারের সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে। তিনি সর্বস্তরের জনতার প্রতি ইমান ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল ও মাওলানা আবদুল হালিম, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, পল্টন থানা আমির ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মতিঝিল থানা সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামাল হোসাইনসহ মহানগরী নেতারা।
জানা গেছে, জামায়াতের সমাবেশ শেষে পুলিশ মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকা থেকে হিন্দুসহ কয়েকজন পথচারীকে জামায়াত ও শিবির সন্দেহে ধরে নিয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছেন দীপক (চাকরিজীবী), মাইনুদ্দিন (ব্যবসায়ী), খলিল (দিনমজুর), আমিনুল ইসলাম (পথচারী)। দীপক জানান, তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, সেখান থেকে তাকে ধরে আনা হয়েছে। এসময় বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা খলিল জানান, আমি রাজমিস্ত্রির কাজ করি। ১৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ করছি। আমাকে কেন ধরা হলো? এসময় পুলিশ তাকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে। আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি ব্যাংকে এসেছিলেন। সেখান থেকে বাসাবো যাচ্ছিলেন। পথে পুলিশ তাকে ধরল। তিনি বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের ভাগ্নে বলে জানান।
মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন দমনের জন্যই জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধের মামলা দিয়ে সরকার বিচারের নামে প্রহসন চালাচ্ছে। ’৭১ সালে যারা যু্দ্ধই করেনি, তারা যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জামায়াত নেতাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে জুলুম-নির্যাতন করছে। তিনি জুলুম-নির্যাতনের পথ পরিহার করে সব নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। অন্যথায় দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে সব দলন-পীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, সরকার ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে। মূলত ’৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন হলে সংবিধানের মূলনীতি হতে আল্লাহর প্রতি ইমান মুছে ফেলা হবে। দেশের জনগণ সরকারের এই নীল নকশা বাস্তবায়ন হতে দেবে না। জীবন দিয়ে হলেও এদেশের মানুষ সরকারের সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে। তিনি সর্বস্তরের জনতার প্রতি ইমান ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল ও মাওলানা আবদুল হালিম, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, পল্টন থানা আমির ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মতিঝিল থানা সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামাল হোসাইনসহ মহানগরী নেতারা।
জানা গেছে, জামায়াতের সমাবেশ শেষে পুলিশ মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকা থেকে হিন্দুসহ কয়েকজন পথচারীকে জামায়াত ও শিবির সন্দেহে ধরে নিয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছেন দীপক (চাকরিজীবী), মাইনুদ্দিন (ব্যবসায়ী), খলিল (দিনমজুর), আমিনুল ইসলাম (পথচারী)। দীপক জানান, তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, সেখান থেকে তাকে ধরে আনা হয়েছে। এসময় বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা খলিল জানান, আমি রাজমিস্ত্রির কাজ করি। ১৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ করছি। আমাকে কেন ধরা হলো? এসময় পুলিশ তাকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে। আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি ব্যাংকে এসেছিলেন। সেখান থেকে বাসাবো যাচ্ছিলেন। পথে পুলিশ তাকে ধরল। তিনি বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের ভাগ্নে বলে জানান।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


