গ্রামাঞ্চলে গরিব মানুষকে পর্যাপ্ত চিকিত্সা দিন : প্রধানমন্ত্রী
বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিত্সকদের প্রতি গ্রামাঞ্চলে তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করে সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে গরিব ও অসহায়দের পর্যাপ্ত চিকিত্সাসেবা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আপনাদের গ্রামাঞ্চলে বসবাসরত সাধারণ মানুষকে পর্যাপ্ত চিকিত্সাসেবা দিতে হবে। আপনাদের মনে রাখতে হবে, জনগণের করের পয়সায় আপনারা চিকিত্সক হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকালে গণভবনে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ আয়োজিত চিকিত্সক সম্মেলন ২০১০-এ বক্তৃতা করছিলেন।
ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার গত মেয়াদের মতো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশের স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, চিকিত্সকদের অবশ্যই সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে অবস্থান করে তাদের যথাযথ সেবা দিতে হবে। কেননা, দেশে একজন চিকিত্সক তৈরিতে প্রতিটি নাগরিকের বিরাট অবদান রয়েছে।
একটি স্বাস্থ্যকর জাতি গঠনে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার সরকার কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক পুনঃপ্রবর্তন, চিকিত্সকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দেয়া, তাদের নানা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোসহ ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিদগ্ধ রোগীদের চিকিত্সাসেবা উন্নয়নে তার সরকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিদ্যমান বার্ন ইউনিটের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ দেশের সব সরকারি হাসপাতালে অন্তত একটি বার্ন ইউনিট স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার অসংখ্য ক্লিনিককে ছাগল পালন খামারে পরিণত করেছিল। এখন আমরা বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পগুলো পুনরায় চালু করেছি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণকে উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা দিতে এরই মধ্যে এডহক ভিত্তিতে সাড়ে ৩ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং শিগগিরই আরও ৫ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মুজিবুর রহমান ফকির, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি প্রফেসর মাহমুদ হাসান, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, নাজমুল হাসান এমপি, ট্রাস্টের উপদেষ্টা হাবিব-ই মিল্লাত এমপি ও ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বক্তৃতা করেন।
তিনি বলেন, আপনাদের গ্রামাঞ্চলে বসবাসরত সাধারণ মানুষকে পর্যাপ্ত চিকিত্সাসেবা দিতে হবে। আপনাদের মনে রাখতে হবে, জনগণের করের পয়সায় আপনারা চিকিত্সক হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকালে গণভবনে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ আয়োজিত চিকিত্সক সম্মেলন ২০১০-এ বক্তৃতা করছিলেন।
ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার গত মেয়াদের মতো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশের স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, চিকিত্সকদের অবশ্যই সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে অবস্থান করে তাদের যথাযথ সেবা দিতে হবে। কেননা, দেশে একজন চিকিত্সক তৈরিতে প্রতিটি নাগরিকের বিরাট অবদান রয়েছে।
একটি স্বাস্থ্যকর জাতি গঠনে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার সরকার কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক পুনঃপ্রবর্তন, চিকিত্সকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দেয়া, তাদের নানা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোসহ ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিদগ্ধ রোগীদের চিকিত্সাসেবা উন্নয়নে তার সরকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিদ্যমান বার্ন ইউনিটের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ দেশের সব সরকারি হাসপাতালে অন্তত একটি বার্ন ইউনিট স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার অসংখ্য ক্লিনিককে ছাগল পালন খামারে পরিণত করেছিল। এখন আমরা বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পগুলো পুনরায় চালু করেছি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণকে উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা দিতে এরই মধ্যে এডহক ভিত্তিতে সাড়ে ৩ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং শিগগিরই আরও ৫ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মুজিবুর রহমান ফকির, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি প্রফেসর মাহমুদ হাসান, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, নাজমুল হাসান এমপি, ট্রাস্টের উপদেষ্টা হাবিব-ই মিল্লাত এমপি ও ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বক্তৃতা করেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


