চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন : ৭৪১ কোটি ৫১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা
চট্টগ্রাম ব্যুরো
অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০১০-১১ অর্থবছরের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ৭৪১ কোটি ৫১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। নতুন মেয়র মনজুর আলম গতকাল দুপুরে সিটি করপোরেশনের ৭১তম সাধারণ সভায় এ বাজেট ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ২০০৯-১০ অর্থবছরের ২৯৪ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেটও পেশ করা হয়। এবারের বাজেটে সর্বোচ্চ ৩৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে অবকাঠামো উন্নয়নে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে। জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সেবা খাতগুলোতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৩৯ কোটি ৭৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। উদ্বৃৃত্ত ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
ঘোষিত বাজেটে সরকারি অনুদান চাওয়া হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। বাকি সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা করপোরেশনের নিজস্ব উত্স (ট্যাক্স) থেকে প্রাপ্তি ধরা হয়েছে। বাজেটে নতুন করে কোনো কর বাড়ানো হয়নি। মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এই বাজেটে কোনো ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। বাজেট ঘোষণার সময় করপোরেশনের কাউন্সিলররা ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাজেট ঘোষণার পর সিটি মেয়র মনজুর আলম করপোরেশনের আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় মেয়র মনজুর আলম জানান, নগরীর উন্নয়নে চলতি অর্থবছরে এডিপিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য ৯টি প্রকল্পে সাড়ে ৭০০ কোটি টাকার অর্থ বরাদ্দ চেয়ে এরই মধ্যে সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ৩৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক সম্প্রসারণ উন্নয়ন ও ফুটপাত নির্মাণ, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন সড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণ, ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নগর ভবন নির্মাণ, ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গারবেজ কালেকশন ডিসপোজল ট্রিটমেন্ট ও ইম্প্রুভমেন্টের জন্য পৃথক দুটিসহ মোট ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
বাজেট অনুষ্ঠান শেষে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫৫ জন কাউন্সিলরের গোপন ভোটের মাধ্যমে ৩ জনের প্যানেল মেয়র নির্বাচন করা হয়। নির্বাচনে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, ২ নম্বর (মোহরা-চান্দগাঁও-পূর্ব ষোলশহর) সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে জোবাইদা নার্গিস খান এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের হাসান মাহামুদ হাসনী প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হন।
ঘোষিত বাজেটে সরকারি অনুদান চাওয়া হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। বাকি সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা করপোরেশনের নিজস্ব উত্স (ট্যাক্স) থেকে প্রাপ্তি ধরা হয়েছে। বাজেটে নতুন করে কোনো কর বাড়ানো হয়নি। মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এই বাজেটে কোনো ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। বাজেট ঘোষণার সময় করপোরেশনের কাউন্সিলররা ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাজেট ঘোষণার পর সিটি মেয়র মনজুর আলম করপোরেশনের আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় মেয়র মনজুর আলম জানান, নগরীর উন্নয়নে চলতি অর্থবছরে এডিপিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য ৯টি প্রকল্পে সাড়ে ৭০০ কোটি টাকার অর্থ বরাদ্দ চেয়ে এরই মধ্যে সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ৩৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক সম্প্রসারণ উন্নয়ন ও ফুটপাত নির্মাণ, ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন সড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণ, ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নগর ভবন নির্মাণ, ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গারবেজ কালেকশন ডিসপোজল ট্রিটমেন্ট ও ইম্প্রুভমেন্টের জন্য পৃথক দুটিসহ মোট ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
বাজেট অনুষ্ঠান শেষে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫৫ জন কাউন্সিলরের গোপন ভোটের মাধ্যমে ৩ জনের প্যানেল মেয়র নির্বাচন করা হয়। নির্বাচনে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, ২ নম্বর (মোহরা-চান্দগাঁও-পূর্ব ষোলশহর) সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে জোবাইদা নার্গিস খান এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের হাসান মাহামুদ হাসনী প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


