খাবারের অভাবে কেশবপুর ছাড়ছে কালোমুখো হনুমান
জয়দেব চক্রবর্ত্তী
যশোরের কেশবপুরের বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান খাদ্য অন্বেষণে কেশবপুর ছাড়তে শুরু করেছে। সরকারিভাবে খাদ্যের ব্যবস্থা করলেও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যেতে শুরু করেছে। মহাভারতের রামভক্ত হনুমান দলকে ঘিরে যশোরের কেশবপুর উপজেলা প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বদৌলতে আজ সুপরিচিত জনপদ। কিন্তু যাদের নিয়ে আজকের এ পরিচিতি সেই কালোমুখো হনুমান দল আজ ভালো নেই। সরকারিভাবে খাদ্যের ব্যবস্থা করলেও সে ব্যবস্থা অপ্রতুল হওয়ায় খাদ্য অন্বেষণে হনুমান দল দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যেতে শুরু করেছে। হনুমান দলের জন্য কেশবপুরে গড়ে ওঠেনি কোনো বনাঞ্চল। তার ওপর উপসর্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে পল্লী বিদ্যুতের কভারবিহীন তার। খাদ্য অন্বেষণ ও স্বাভাবিক চলাফেরা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত এরা বিদ্যুত্ স্পৃষ্ট হয়ে মারা যাচ্ছে।
কবে কখন কীভাবে হনুমানদের কেশবপুরে আসা তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান কারও কাছে নেই। তবে প্রবীণ ব্যক্তিদের মতে, এক সময় কেশবপুরের নদ-নদী স্রোতস্বিনী ছিল। নদ-নদীর পাড়ে পর্যাপ্ত গাছগাছালি ছিল। বর্তমানে বনাঞ্চল না থাকায় এরা মানুষের মধ্যে চলে এসেছে। পরিবেশবিদদের মতে, পর্যাপ্ত খাদ্য ও বনাঞ্চলের অভাবে হনুমানদের গর্ভকালীন নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে ঘুরেফিরে মানুষের হাত থেকে খাদ্য চেয়ে নেয়া, সুযোগ পেলে দোকান থেকে হাত বাড়িয়ে বিস্কুট, কলা, রুটি নিয়ে চলে যায় এরা। খাদ্য অন্বেষণ করতে গিয়ে গত ৯/১০ বছরে বিদ্যুতের কভারবিহীন তারে স্পৃষ্ট হয়ে অন্তত ৪৫টি হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও কীটনাশক ছিটানো আমের মুকুল খেয়ে আরও ২০টি হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। কেশবপুরের বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমানের সঙ্গে মানুষের রয়েছে বিশেষ সখ্য। কেশবপুরে অন্তত সাড়ে ৫০০ হনুমান রয়েছে। এরা ৯ থেকে ১০টি গ্রুপে ভাগ হয়ে বিচরণ করে। একেকটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় একটি করে পুরুষ হনুমান। কেশবপুরের মানুষের মন্তব্য, দলের প্রধান পুরুষ হনুমান অত্যন্ত বদমেজাজি। দলের ভেতর যদি কোনো মা হনুমান পুরুষ বাচ্চা প্রসব করে তাহলে আর রেহাই নেই। যেভাবেই হোক সে বাচ্চাকে মেরে ফেলবে ওই পুরুষ হনুমানটি। আর এ ধরনের আচরণের কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, দলনেতা ওই পুরুষ হনুমানটির বধ্যমূল ধারণা পুরুষ শাবকটি বড় হয়ে তার কর্তৃত্ব নিয়ে নিতে পারে। আর সে আশঙ্কায় এ ধরনের আচরণ করে থাকে দলনেতা। প্রাণী বিজ্ঞানীদের মতে, এ প্রজাতি সাধারণত ৫ বছর বয়স থেকে ৬ মাস অন্তর বাচ্চা প্রসব করে থাকে। এদের গড় আয়ু ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। একেকটির ওজন ৫ থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। হাত ও পায়ের পাতা মুখের মতোই কালো। শরীরে ধূসর বর্ণের লোম দিয়ে আচ্ছাদিত। তবে পেটের দিকটা কিছুটা সাদা ও লালচে ধরনের। চলাফেরা করার সময় এরা লেজ উঁচু করে চলে। এদের বিচরণ এলাকা কেশবপুর উপজেলা পরিষদ ও বাউন্ডারি ওয়াল, পশুসম্পদ কার্যালয়ের পেছন, কেশবপুর খাদ্য গুদাম এলাকা, রামচন্দ্রপুর, ব্রহ্মকাঠি, বালিয়াডাঙ্গা, মধ্যকূল, সাহাপাড়া, মুজগুন্নি, ভোগতি গ্রাম এলাকা।
কেশবপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে হনুমান রক্ষায় পল্লী বিদু্যুতের কভারযুক্ত তার ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তারপরও পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ কভারযুক্ত তার ব্যবহার করেনি, যা নিয়ে কেশবপুরের মানুষের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ।
বিগত সরকারের আমল থেকে জীববৈচিত্র্য রক্ষা প্রকল্পে কেশবপুরের হনুমান স্থান পায়। সরকারিভাবে প্রতিদিন খাদ্য সরবরাহ করা হলেও বরাদ্দকৃত খাদ্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় খাদ্য অন্বেষণে হনুমান কলা বোঝাই ট্রাক, পিকআপযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পাইকগাছা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, মাগুরাসহ বিভিন্ন স্থানে হনুমান খাদ্য অন্বেষণে গিয়ে কেশবপুরে ফিরে আসেনি।
কবে কখন কীভাবে হনুমানদের কেশবপুরে আসা তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান কারও কাছে নেই। তবে প্রবীণ ব্যক্তিদের মতে, এক সময় কেশবপুরের নদ-নদী স্রোতস্বিনী ছিল। নদ-নদীর পাড়ে পর্যাপ্ত গাছগাছালি ছিল। বর্তমানে বনাঞ্চল না থাকায় এরা মানুষের মধ্যে চলে এসেছে। পরিবেশবিদদের মতে, পর্যাপ্ত খাদ্য ও বনাঞ্চলের অভাবে হনুমানদের গর্ভকালীন নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে ঘুরেফিরে মানুষের হাত থেকে খাদ্য চেয়ে নেয়া, সুযোগ পেলে দোকান থেকে হাত বাড়িয়ে বিস্কুট, কলা, রুটি নিয়ে চলে যায় এরা। খাদ্য অন্বেষণ করতে গিয়ে গত ৯/১০ বছরে বিদ্যুতের কভারবিহীন তারে স্পৃষ্ট হয়ে অন্তত ৪৫টি হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও কীটনাশক ছিটানো আমের মুকুল খেয়ে আরও ২০টি হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। কেশবপুরের বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমানের সঙ্গে মানুষের রয়েছে বিশেষ সখ্য। কেশবপুরে অন্তত সাড়ে ৫০০ হনুমান রয়েছে। এরা ৯ থেকে ১০টি গ্রুপে ভাগ হয়ে বিচরণ করে। একেকটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় একটি করে পুরুষ হনুমান। কেশবপুরের মানুষের মন্তব্য, দলের প্রধান পুরুষ হনুমান অত্যন্ত বদমেজাজি। দলের ভেতর যদি কোনো মা হনুমান পুরুষ বাচ্চা প্রসব করে তাহলে আর রেহাই নেই। যেভাবেই হোক সে বাচ্চাকে মেরে ফেলবে ওই পুরুষ হনুমানটি। আর এ ধরনের আচরণের কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, দলনেতা ওই পুরুষ হনুমানটির বধ্যমূল ধারণা পুরুষ শাবকটি বড় হয়ে তার কর্তৃত্ব নিয়ে নিতে পারে। আর সে আশঙ্কায় এ ধরনের আচরণ করে থাকে দলনেতা। প্রাণী বিজ্ঞানীদের মতে, এ প্রজাতি সাধারণত ৫ বছর বয়স থেকে ৬ মাস অন্তর বাচ্চা প্রসব করে থাকে। এদের গড় আয়ু ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। একেকটির ওজন ৫ থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। হাত ও পায়ের পাতা মুখের মতোই কালো। শরীরে ধূসর বর্ণের লোম দিয়ে আচ্ছাদিত। তবে পেটের দিকটা কিছুটা সাদা ও লালচে ধরনের। চলাফেরা করার সময় এরা লেজ উঁচু করে চলে। এদের বিচরণ এলাকা কেশবপুর উপজেলা পরিষদ ও বাউন্ডারি ওয়াল, পশুসম্পদ কার্যালয়ের পেছন, কেশবপুর খাদ্য গুদাম এলাকা, রামচন্দ্রপুর, ব্রহ্মকাঠি, বালিয়াডাঙ্গা, মধ্যকূল, সাহাপাড়া, মুজগুন্নি, ভোগতি গ্রাম এলাকা।
কেশবপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে হনুমান রক্ষায় পল্লী বিদু্যুতের কভারযুক্ত তার ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তারপরও পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ কভারযুক্ত তার ব্যবহার করেনি, যা নিয়ে কেশবপুরের মানুষের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ।
বিগত সরকারের আমল থেকে জীববৈচিত্র্য রক্ষা প্রকল্পে কেশবপুরের হনুমান স্থান পায়। সরকারিভাবে প্রতিদিন খাদ্য সরবরাহ করা হলেও বরাদ্দকৃত খাদ্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় খাদ্য অন্বেষণে হনুমান কলা বোঝাই ট্রাক, পিকআপযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পাইকগাছা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, মাগুরাসহ বিভিন্ন স্থানে হনুমান খাদ্য অন্বেষণে গিয়ে কেশবপুরে ফিরে আসেনি।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


