সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক : রায়ের সঙ্গে অসঙ্গতি চিহ্নিত করতে সাজেদা ও সুরঞ্জিতকে দায়িত্ব প্রদান
সংসদ রিপোর্টার
উচ্চ আদালতের রায়ের সঙ্গে বর্তমান সংবিধানের অসঙ্গতিগুলো চিহ্নিত করতে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কমিটির এই দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্বকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), আইন কমিশন এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে সংশোধনীর বিষয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে আগামী ৮ আগস্টের মুলতবি বৈঠকে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া ওই বৈঠকের আগে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গতকাল জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধনীর বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সিদ্ধান্তসমূহ জানান। এছাড়া বৈঠকে সংবিধান সংশোধনী বিষয়ে সুপারিশগুলো চূড়ান্ত না হওয়ার আগে কমিটির সদস্যদের বিচ্ছিন্নভাবে মিডিয়ার সঙ্গে কথা না বলার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সুরঞ্জিত সেনকে মুখপাত্র নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে সুরঞ্জিত সেন বলেন, পঞ্চম সংশোধনীর ব্যাপারে উচ্চ আদালতের রায়ের কপি গতকাল কমিটির হাতে পৌঁছেছে। আমরা রায়কে যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করে এই রায়কে সর্বসম্মতভাবে অভিনন্দিত করেছি। তিনি বলেন, ৫ম সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের দেয়া রায় গণতন্ত্রের চর্চাকে সুসংহত করবে এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। তিনি বলেন, তাদের বিশেষ কমিটি শুধু পঞ্চম নয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সংবিধানের সব ধারাগুলো পর্যালোচনা করবে।
তিনি জানান, সংবিধান সংশোধনে মতামত নেয়ার জন্য কমিটির পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও একাডেমিশিয়ানদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্তের উদ্ধৃতি দিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, কমিটি সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও আমাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জাতীয় সংসদ এবং আইন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের দেয়া রায়ের সঙ্গতি ও অসঙ্গতিগুলো সংবিধানের আলোকে নির্ধারণের দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট কমিটির পরবর্তী বৈঠকে তারা এ বিষয়ে সুপারিশমালা পেশ করবেন।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারিত টার্মস অব রেফারেন্স অনুযায়ী এই কমিটি কাজ করবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
গত ২১ জুলাই সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের সময় সংসদ নেতা শেখ হাসিনা প্রস্তাব করেন যে, সুপ্রিমকোর্টের রায়ের আলোকে কমিটি সংবিধানের বর্তমান ধারাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর সুপারিশমালা পেশ করবে।
সূত্র জানায়, বৈঠকে মেক্সিকো এবং আর্জেন্টিনার সংবিধানের কিছু ধারা তুলে ধরে বাংলাদেশে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ বন্ধে সংবিধান সংশোধনীর জন্য সেগুলো অনুসরণ করার কথা হয়। মেক্সিকোর সংবিধানে অবৈধভাকে যে-ই রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করুক গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার বিচার এবং মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, সুপ্রিমকোর্টের রায়ের আলোকে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী এ কমিটি কাজ করবে। কমিটির আগামী সভার আগে সদস্যরা শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সার্বিক বিষয়ে তার মতামত নেবেন বলে সূত্র আরও জানায়।
কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকালের বৈঠকে কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছাড়াও সদস্য আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট রহমত আলী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, রাশেদ খান মেনন, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, হাসানুল হক ইনু, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ড. হাছান মাহমুদ ও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অংশ নেন। অসুস্থতার কারণে আবদুর রাজ্জাক ও দেশের বাইরে থাকায় শেখ ফজলুল করিম সেলিম সভায় যোগ দেননি।
উল্লেখ্য, কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবে গত ২১ জুলাই জাতীয় সংসদে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে বিরোধী দল বিএনপির কোনো সদস্য নেই। এমনকি মহাজোটের বাইরে একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ডক্টর অলি আহমদকেও রাখা হয়নি এ কমিটিতে।
গতকাল জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধনীর বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সিদ্ধান্তসমূহ জানান। এছাড়া বৈঠকে সংবিধান সংশোধনী বিষয়ে সুপারিশগুলো চূড়ান্ত না হওয়ার আগে কমিটির সদস্যদের বিচ্ছিন্নভাবে মিডিয়ার সঙ্গে কথা না বলার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সুরঞ্জিত সেনকে মুখপাত্র নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে সুরঞ্জিত সেন বলেন, পঞ্চম সংশোধনীর ব্যাপারে উচ্চ আদালতের রায়ের কপি গতকাল কমিটির হাতে পৌঁছেছে। আমরা রায়কে যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করে এই রায়কে সর্বসম্মতভাবে অভিনন্দিত করেছি। তিনি বলেন, ৫ম সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের দেয়া রায় গণতন্ত্রের চর্চাকে সুসংহত করবে এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। তিনি বলেন, তাদের বিশেষ কমিটি শুধু পঞ্চম নয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সংবিধানের সব ধারাগুলো পর্যালোচনা করবে।
তিনি জানান, সংবিধান সংশোধনে মতামত নেয়ার জন্য কমিটির পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও একাডেমিশিয়ানদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্তের উদ্ধৃতি দিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, কমিটি সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও আমাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জাতীয় সংসদ এবং আইন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের দেয়া রায়ের সঙ্গতি ও অসঙ্গতিগুলো সংবিধানের আলোকে নির্ধারণের দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট কমিটির পরবর্তী বৈঠকে তারা এ বিষয়ে সুপারিশমালা পেশ করবেন।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারিত টার্মস অব রেফারেন্স অনুযায়ী এই কমিটি কাজ করবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
গত ২১ জুলাই সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের সময় সংসদ নেতা শেখ হাসিনা প্রস্তাব করেন যে, সুপ্রিমকোর্টের রায়ের আলোকে কমিটি সংবিধানের বর্তমান ধারাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর সুপারিশমালা পেশ করবে।
সূত্র জানায়, বৈঠকে মেক্সিকো এবং আর্জেন্টিনার সংবিধানের কিছু ধারা তুলে ধরে বাংলাদেশে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ বন্ধে সংবিধান সংশোধনীর জন্য সেগুলো অনুসরণ করার কথা হয়। মেক্সিকোর সংবিধানে অবৈধভাকে যে-ই রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করুক গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার বিচার এবং মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, সুপ্রিমকোর্টের রায়ের আলোকে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী এ কমিটি কাজ করবে। কমিটির আগামী সভার আগে সদস্যরা শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সার্বিক বিষয়ে তার মতামত নেবেন বলে সূত্র আরও জানায়।
কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকালের বৈঠকে কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছাড়াও সদস্য আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট রহমত আলী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, রাশেদ খান মেনন, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, হাসানুল হক ইনু, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ড. হাছান মাহমুদ ও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অংশ নেন। অসুস্থতার কারণে আবদুর রাজ্জাক ও দেশের বাইরে থাকায় শেখ ফজলুল করিম সেলিম সভায় যোগ দেননি।
উল্লেখ্য, কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবে গত ২১ জুলাই জাতীয় সংসদে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে বিরোধী দল বিএনপির কোনো সদস্য নেই। এমনকি মহাজোটের বাইরে একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ডক্টর অলি আহমদকেও রাখা হয়নি এ কমিটিতে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


