যুদ্ধাপরাধীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের প্রশ্ন তোলার অধিকার নেই : আইনমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারে অভিযুক্তদের ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার অধিকার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। গতকাল এক আলোচনা সভায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নাম ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলে দিতে চাই ৩৯ বছর আগে যখন এদেশে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হলো, দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জত নেয়া হলো, এক কোটি মানুষকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হলো—তখন আপনাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? সেদিন কি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়নি? সেই ঘটনার বিচার করলে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার কারোরই নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি আয়োজিত ‘অবৈধ পঞ্চম সংশোধনী, সাম্প্রদায়িক দল নিষিদ্ধ করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা করেন। উল্লেখ্য, সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা বিশ্বের দুই গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই বিচারে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তার জবাবে গতকাল আইনমন্ত্রী ওই রাষ্ট্র দুটিকে উদ্দেশ করে ওই মন্তব্য করেছেন।
এদিকে সকালে কমব্যাটিং টেররিজম ইন বাংলাদেশ : ডেভেলপিং এ ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম স্ট্র্যাটেজি’ শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দেশি ও বিদেশি সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের সন্ত্রাস প্রতিরোধ কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং সন্ত্রাসবিরোধী জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সরকারকে সহযোগিতার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) এবং ডিফেন্স ইনস্টিটিউশন্স রিফর্ম ইনিশিয়েটিভ (ডিআইআরআই)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ওয়ার্কশপে সভাপতিত্ব করেন বিইআই’র প্রেসিডেন্ট ফারুক সোবহান। এ অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ. মরিয়ার্টি এবং ডিআইআরআই’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জন হেনসেন বক্তব্য রাখেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস কার্যকরভাবে প্রতিরোধের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া, সন্ত্রাস প্রতিরোধের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমম্বয় বাড়ানো, ভুটান সার্ক সম্মেলনে নেয়া সন্ত্রাস প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সন্ত্রাস প্রতিরোধ কার্যক্রমে গণমাধ্যম, বেসরকারি সেক্টর ও এনজিওদের সহযোগিতা গ্রহণ এবং সামরিক ও বেসামরিক সুষ্ঠু কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল নিতে হবে।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি আয়োজিত ‘অবৈধ পঞ্চম সংশোধনী, সাম্প্রদায়িক দল নিষিদ্ধ করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা করেন। উল্লেখ্য, সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা বিশ্বের দুই গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই বিচারে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তার জবাবে গতকাল আইনমন্ত্রী ওই রাষ্ট্র দুটিকে উদ্দেশ করে ওই মন্তব্য করেছেন।
এদিকে সকালে কমব্যাটিং টেররিজম ইন বাংলাদেশ : ডেভেলপিং এ ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম স্ট্র্যাটেজি’ শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দেশি ও বিদেশি সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের সন্ত্রাস প্রতিরোধ কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং সন্ত্রাসবিরোধী জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সরকারকে সহযোগিতার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) এবং ডিফেন্স ইনস্টিটিউশন্স রিফর্ম ইনিশিয়েটিভ (ডিআইআরআই)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ওয়ার্কশপে সভাপতিত্ব করেন বিইআই’র প্রেসিডেন্ট ফারুক সোবহান। এ অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ. মরিয়ার্টি এবং ডিআইআরআই’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জন হেনসেন বক্তব্য রাখেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস কার্যকরভাবে প্রতিরোধের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া, সন্ত্রাস প্রতিরোধের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমম্বয় বাড়ানো, ভুটান সার্ক সম্মেলনে নেয়া সন্ত্রাস প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সন্ত্রাস প্রতিরোধ কার্যক্রমে গণমাধ্যম, বেসরকারি সেক্টর ও এনজিওদের সহযোগিতা গ্রহণ এবং সামরিক ও বেসামরিক সুষ্ঠু কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল নিতে হবে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


