বাংলাদেশে মিডিয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে কানাডা : মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি নাগরিকাধিকার সমিতির
কূটনৈতিক রিপোর্টার
বাংলাদেশের মিডিয়া এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কানাডা।
দৈনিক আমার দেশ বন্ধ ও পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর চালানো নির্মম নির্যাতন সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এক চিঠিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্স ক্যানন, পিসি, এমপি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির কানাডা শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ চৌধুরীর কাছে গত ২২ জুলাই লেখা চিঠিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছি। বিশ্বব্যাপী মানুষের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা কানাডার পররাষ্ট্রনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে কানাডা। চিঠিতে তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী দিনগুলোতেও এটা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে মানবাধিকার এবং বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কানাডার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ঢাকায় কানাডীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মানবাধিকার এবং নানা ধরনের বৈষম্য সম্পর্কে কানাডা সরকারের অবস্থান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়মিত তুলে ধরা হচ্ছে।
মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি নাগরিকাধিকার সমিতির
বাংলাদেশ নাগরিকাধিকার সমিতি অবিলম্বে দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। সমিতি গণমাধ্যম ও সাংবাদিক নির্যাতনের পথ থেকে সরে আসার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। সাংবাদিক নির্যাতনের বর্তমান সরকার ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রমাণ করে, তারা মত প্রকাশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না এবং ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। এ ধরনর মনোভাব গণতন্ত্র বিকাশের পথে প্রবল অন্তরায়। গতকাল সমিতির নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির ভাষণে সাংবাদিক মুহম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। এ পথ থেকে সরে আসার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী আসিয়া আক্তার, সংস্কৃতিকর্মী মনজুর হোসেন প্রমুখ।
দৈনিক আমার দেশ বন্ধ ও পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর চালানো নির্মম নির্যাতন সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এক চিঠিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্স ক্যানন, পিসি, এমপি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির কানাডা শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ চৌধুরীর কাছে গত ২২ জুলাই লেখা চিঠিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছি। বিশ্বব্যাপী মানুষের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা কানাডার পররাষ্ট্রনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে কানাডা। চিঠিতে তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী দিনগুলোতেও এটা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে মানবাধিকার এবং বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কানাডার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ঢাকায় কানাডীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মানবাধিকার এবং নানা ধরনের বৈষম্য সম্পর্কে কানাডা সরকারের অবস্থান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়মিত তুলে ধরা হচ্ছে।
মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি নাগরিকাধিকার সমিতির
বাংলাদেশ নাগরিকাধিকার সমিতি অবিলম্বে দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। সমিতি গণমাধ্যম ও সাংবাদিক নির্যাতনের পথ থেকে সরে আসার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। সাংবাদিক নির্যাতনের বর্তমান সরকার ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রমাণ করে, তারা মত প্রকাশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না এবং ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। এ ধরনর মনোভাব গণতন্ত্র বিকাশের পথে প্রবল অন্তরায়। গতকাল সমিতির নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির ভাষণে সাংবাদিক মুহম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। এ পথ থেকে সরে আসার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী আসিয়া আক্তার, সংস্কৃতিকর্মী মনজুর হোসেন প্রমুখ।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


