ইরাকে বোমায় নিহত ৩১
রয়টার্স, এএফপি
ইরাকে পৃথক দুটি বোমা হামলায় ৩১ জন নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছে।
ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় দায়ালা প্রদেশের বাকুবা শহরের কাছে এক জনবহুল মার্কেটে বুধবার গাড়িবোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে অন্তত ৪৬ জন। বাকুবা ও মুকদাদিয়ার হাসপাতাল এবং প্রাদেশিক সরকার সূত্রে একথা জানা গেছে। অবশ্য পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণে ১৫ জন নিহত ও ২৬ জন আহত হয়েছে। এদিকে দিয়ালা প্রদেশে রাস্তার পাশে পোঁতে রাখা একটি বোমা হামলায় ১ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০০৩ সাল থেকে দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী অবস্থান নেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট চার হাজার চারশো তের সেনা প্রাণ হারায়।
বাকুবার ৬ মাইল পূর্বাঞ্চলীয় আবু সায়দা শহরে গাড়িবোমাটি বিস্ফোরিত হয়। এতে একটি পাকা দালান বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি চারটি বাড়ি ও পাঁচটি গাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটিতে ৭ মার্চের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই পরিষ্কার ব্যবধানে জয়ী না হওয়ার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নতুন সরকারের অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যে শিয়া, সুন্নি এবং কুর্দিদের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব লেগে আছে। তাদের পারস্পরিক সমঝোতাহীনতায় যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তারই সুযোগ নিচ্ছে তালেবানরা। এরই মধ্যে ৩১ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাকে নিয়োজিত মার্কিন বাহিনী তাদের অভিযান শেষ করার প্রস্তুতি নিয়েছে। চলতি সপ্তাহে বাকুবায় বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বোমা হামলার ঘটনা ঘটল।
সোমবার বাকুবা ক্যাফের পার্কিং এলাকায় রাখা একটি বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হন। মঙ্গলবার শহরের পশ্চিমাঞ্চলে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরিত হলে ১ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। পাশাপাশি একই দিন রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমায় কমপক্ষে ১০ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। দায়ালা পুলিশের মুখপাত্র মেজর গালিব আল জুবোরি জানান, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, বাকুবায় বড় ধরনের গাড়িবোমা হামলা চালানো হতে পারে। এর ভিত্তিতে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করি। ফলে তারা বাকুবায় সুবিধা করতে না পেরে আবু সায়দায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। বাগদাদের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ বাকুবায় বিভিন্ন ধারার অনুসারী মানুষের বসবাসস্থল হলেও মূলত সুন্নিরা এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরাকের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এই প্রদেশে সহিংসতা বেড়েছে।
ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় দায়ালা প্রদেশের বাকুবা শহরের কাছে এক জনবহুল মার্কেটে বুধবার গাড়িবোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে অন্তত ৪৬ জন। বাকুবা ও মুকদাদিয়ার হাসপাতাল এবং প্রাদেশিক সরকার সূত্রে একথা জানা গেছে। অবশ্য পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণে ১৫ জন নিহত ও ২৬ জন আহত হয়েছে। এদিকে দিয়ালা প্রদেশে রাস্তার পাশে পোঁতে রাখা একটি বোমা হামলায় ১ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০০৩ সাল থেকে দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী অবস্থান নেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট চার হাজার চারশো তের সেনা প্রাণ হারায়।
বাকুবার ৬ মাইল পূর্বাঞ্চলীয় আবু সায়দা শহরে গাড়িবোমাটি বিস্ফোরিত হয়। এতে একটি পাকা দালান বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি চারটি বাড়ি ও পাঁচটি গাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটিতে ৭ মার্চের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই পরিষ্কার ব্যবধানে জয়ী না হওয়ার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নতুন সরকারের অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যে শিয়া, সুন্নি এবং কুর্দিদের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব লেগে আছে। তাদের পারস্পরিক সমঝোতাহীনতায় যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তারই সুযোগ নিচ্ছে তালেবানরা। এরই মধ্যে ৩১ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাকে নিয়োজিত মার্কিন বাহিনী তাদের অভিযান শেষ করার প্রস্তুতি নিয়েছে। চলতি সপ্তাহে বাকুবায় বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বোমা হামলার ঘটনা ঘটল।
সোমবার বাকুবা ক্যাফের পার্কিং এলাকায় রাখা একটি বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হন। মঙ্গলবার শহরের পশ্চিমাঞ্চলে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরিত হলে ১ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। পাশাপাশি একই দিন রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমায় কমপক্ষে ১০ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। দায়ালা পুলিশের মুখপাত্র মেজর গালিব আল জুবোরি জানান, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, বাকুবায় বড় ধরনের গাড়িবোমা হামলা চালানো হতে পারে। এর ভিত্তিতে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করি। ফলে তারা বাকুবায় সুবিধা করতে না পেরে আবু সায়দায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। বাগদাদের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ বাকুবায় বিভিন্ন ধারার অনুসারী মানুষের বসবাসস্থল হলেও মূলত সুন্নিরা এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরাকের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এই প্রদেশে সহিংসতা বেড়েছে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


