Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ৯ মে ২০১০, ২৫ বৈশাখ ১৪১৭, ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিক
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

বিচারপতি মোজাম্মেলের কোর্টে বিরল সুবিধা পান শেখ হেলাল

অলিউল্লাহ নোমান
পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনের বেঞ্চে বিরল সুযোগ পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল দম্পতি। জরুরি অবস্থার সরকারের সময় পলাতক সাজাপ্রাপ্ত ভিআইপি সবাইকে নিম্নআদালতের মাধ্যমে কারাগারে গিয়ে আপিল করতে হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম শুধু শেখ হেলাল। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ও বিচারপতি আফজাল হোসেন আহমদ সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে সরাসরি আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিন লাভ করেন। এই বেঞ্চ তাকে জামিন মঞ্জুরের পাশাপাশি জরুরি অবস্থার সরকারের সময়ে বিশেষ আদালতের দণ্ড স্থগিত করে দেয়। এই বিরল সুযোগটি শেখ হেলাল দম্পতি ছাড়া আরেকজনের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। তবে সেটা শেখ হেলাল দম্পতির মতো স্থায়ী হয়নি। দুর্নীতি দমন কমিশন আপিল করে আটকে দেয় তাকে। যদিও শেখ হেলাল দম্পতির বিষয়ে এখনও আপিল করেনি দুর্নীতি দমন কমিশন।
গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমার দেশকে বলেন, শেখ হেলালের বিষয়ে কিছুই তিনি জানেন না। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল সবার বিরুদ্ধে আপিল হলো, এমনকি নারীদেরও নিম্নআদালতের মাধ্যমে কারাগারে যেতে হলো কিন্তু শেখ হেলালের বিরুদ্ধে আপিল করা হলো না কেন? জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, শেখ হেলালের সাজা হয়েছিল এরকম কোনো ঘটনাই আমার জানা নেই। শেখ হেলালের বিরুদ্ধে আদৌ দুদকের কোনো মামলা ছিল কিনা সেটাও জানি না। এখনই প্রথম শুনলাম বলে উল্লেখ করেন তিনি। দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, শেখ হেলালের বিরুদ্ধে কেন আপিল হলো না সেটা হাইকোর্টে দুদকের আইনজীবী হিসেবে যারা আছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন। হাইকোর্টে কোনো কিছু হওয়ার পর ওনারা দুদককে জানায়, তারপর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওনারাতো শেখ হেলালের বিষয়ে দুদককে কিছুই জানাননি। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, সবগুলো মামলাই আপিল হওয়ার কথা, এরকম কিছু হয়ে থাকলে কেন হলো না জানি না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পলাতক অবস্থায় কারো দণ্ড হলে নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে—আপিল বিভাগের এরকম একটি জেনারেল অর্ডারও রয়েছে।
শেখ হেলালের বিষয়টা এখনতো জানলেন, কোনো পদক্ষেপ নেবেন কিনা জানতে চাইলে গোলাম রহমান সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, কাল অফিসে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখব।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, শেখ হেলাল দম্পতির মতো একই গ্রাউন্ডে পরের দিন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানায়। তার ক্ষেত্রেও একই আদেশ দেয়া হয়। তবে শাজাহান ওমরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন একদিনের মধ্যে আপিল করে। এতে স্থগিত হয়ে যায় তার জামিন। শেষ পর্যন্ত তাকে যেতে হয় কারাগারে।
শেখ হেলাল দম্পতি এবং শাজাহান ওমরের জামিনের পর বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ও আফজাল হোসেন আহমদের বেঞ্চে দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য পলাতকরাও তখন আত্মসমর্পণ করে এবং জামিনের আবেদন জানায়। তাদের আবেদন গ্রহণ না করায় ফেরত নিতে বাধ্য হন আইনজীবী। বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনের বেঞ্চে বিরল এই সুযোগ পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আর কারও ভাগ্যে জোটেনি। তিনি এখন হাইকোর্ট বিভাগের জামিন চেম্বার জজ হিসেবে স্থগিত করছেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, জেনারেল মইন উ আহমদের নিয়ন্ত্রিত জরুরি অবস্থার সরকারের সময় জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত শেখ হেলালকে ১০ বছর ও তার স্ত্রীকে ৩ বছরের সাজা দেয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় তাদেরকে এই দণ্ড দেয় বিশেষ জজ আদালত। তখন তারা উভয়েই পলাতক ছিলেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের পর তারা আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় ২০০৯ সালের ১১ জানুয়ারি সরাসরি আত্মসমর্পণ করেন হাইকোর্ট বিভাগে। বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ও বিচারপতি আফজাল হোসেন আহমদ সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে সস্ত্রীক আত্মসমর্পণ করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১(এ) ধারায় মামলা বাতিল ও জামিনের আবেদন জানান। ১২ জানুয়ারি আদালত তাদের আবেদন গ্রহণ করে ৩ মাসের জামিন দেয়। একই সঙ্গে কেন মামলাটি বাতিল করা হবে না মর্মে কারণ দর্শাতে দুর্নীতি দমন কমিশন ও সরকারের প্রতি রুল জারি করা হয়। স্থগিত করে দেয়া হয় বিশেষ জজ আদালতের দণ্ড। এই আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন কোনো আপিল করেনি।
একই গ্রাউন্ডে একদিন পরে ১৪ জানুয়ারি আরেক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ও আফজাল হোসেন আহমদ সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আত্মসমর্পণ করেন। তাকেও শেখ হেলাল দম্পতির মতো জামিন এবং বিশেষ জজ আদালতের দণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। বিলম্ব না করে তার বিরুদ্ধে আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন। আপিলের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে মঞ্জুর করা জামিন ও দণ্ড স্থগিত রাখার আদেশ রহিত হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল লিভ টু আপিলের পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে আপিল বিভাগের ফুলবেঞ্চ তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। এজন্য তাকে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দেয় আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের কোনো বিকল্প নেই। দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের জামিন চাইতে হলে নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে—এটা প্রতিষ্ঠিত হয় আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে। আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তীতে অন্য দণ্ডপ্রপ্ত পলাতকরাও নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যায়। পরে কারাগার থেকে জামিনের আবেদন করেন এবং জামিন মঞ্জুরের পর বের হয়ে আসেন।
এদিকে শাজাহান ওমরের বিষয়ে আপিল বিভাগের আদেশ হওয়ার আগেই শেখ হেলাল দম্পতি ও শাজাহান ওমরকে অনুসরণ করে বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ও আফজাল হোসেন আহমদ সমম্বয়ে গঠিত বেঞ্চে দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য পলাতক ভিআইপিরা আত্মসমর্পণ করতে থাকেন। তাদের মতো একই গ্রাউন্ডে ১৮ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেন সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, হাজী মকবুল হোসেন, জয়নাল হাজারী। তাদের বিষয়ে শুনানি শেষে আবেদন নাকচ করতে চাইলে তা ফেরত নেয়া হয়। আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, যে গ্রাউন্ডে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জামিন চাওয়া হয়েছে, একই গ্রাইন্ডে আগে শেখ হেলাল ও শাজাহান ওমরের জামিন মঞ্জুর করেছে এ বেঞ্চ। তারা সবাই জরুরি অবস্থার সরকারের সময় একই রকমের বিশেষ আদালত থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। তিনি আরও জানান, মামলা দায়ের ও সাজা দানের প্রক্রিয়া আইনসম্মত না হওয়ায় মামলা বাতিল এবং জামিনের আবেদন করেন তারা। শেখ হেলাল দম্পতিও এই গ্রাউন্ডেই আবেদন করেছিলেন। এতে কারোটা মঞ্জুর হলো কারোটা আদালত মঞ্জুর করল না। তার এই বক্তব্য তখন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। গতকাল আইনজীবী মহাসমাবেশেও ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেছেন, সুপ্রিমকোর্টে এখন যা হচ্ছে তা না বলাটাই ভালো। জরুরি অবস্থার সরকারের ভূত এখনও সুপ্রিমকোর্টে রয়ে গেছে।
২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারি একই দিনে অপর একটি বেঞ্চে আওয়ামী লীগ নেতা সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ডা. এইচবিএম ইকবাল আত্মসর্পণ করেন। তাকেও দুই মাসের জামিন মঞ্জুর করা হয়। তার আইনজীবী বর্তমানে বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী সেদিন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ডা. এইচবিএম ইকবাল ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বিভাগে আত্মসমর্পণের আগ্রহ পোষণ করে একটি আবেদন করেছিলেন। আদালত তখন এক মাসের মধ্যে আত্মসমর্পণের জন্য সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিল। সে অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করলে ২ মাসের জামিন মঞ্জুর করা হয়। তার বিরুদ্ধেও আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তার এই জামিনও আপিল বিভাগে স্থগিত হয় এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ। তাকেও নিম্নআদালতের মাধ্যমে কারাগারে যেতে হয়েছে।
এখানে উল্লেখ্য, আনোয়ার হোসেন মঞ্জুসহ অন্য সাজাপ্রাপ্ত পলাতকরা বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ও বিচারপতি আফজাল হোসেন আহমদের বেঞ্চে জামিন না পেয়ে আবেদন ফেরত নিয়েছিলেন। পরে তারা অপর একটি বেঞ্চে জামিনের আবেদন পেশ করেন। তাদের আবেদনের বিষয়ে দীর্ঘ শুনানি শেষে ওই বেঞ্চ নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। তবে নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের পরে জামিন প্রক্রিয়া নিয়ে বেঞ্চের দুই বিচারপতি দুই রকমের অভিমত দিয়েছিলেন। এতে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে প্রেরণ করা হলে তৃতীয় একটি বেঞ্চ গঠন করে দেয়া হয়। বিচারপতি মোঃ ইমান আলীর সমন্বয়ে একজন বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে দ্বিধাবিভক্ত অভিমতের বিষয়ে শুনানি করে নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব দেন প্রধান বিচারপতি। দীর্ঘ শুনানি শেষে ৩ মে বিচারপতি মোঃ ইমান আলী পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করে নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শাজাহান ওমরের বিষয়ে আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে নিম্নআদালতে হাজির হওয়ার জন্য ২ সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুসহ ১৬ পলাতক রাজনীতিবিদ আর আপিল করেননি। কারণ আপিল বিভাগ আগেই শাজাহান ওমর ও এইচবিএম ইকবালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয় নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের জন্য।
এই পলাতক দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বিএনপির নাদিম মোস্তফা, আওয়ামী লীগের হাজী সেলিম, হাজী মকবুল ও তার ছেলে মাসুদুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ মহিউদ্দিন, বন কর্মকর্তা আবু হানিফ পাটোয়ারী, সংসদ সদস্য রাশেদুজ্জামানের স্ত্রী সাবেরা সুরাইয়া, হাফিজ ইব্রাহিমের স্ত্রী মাফরুজা সুলতানা, সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমানের ছেলে শফিউর রহমান।
তাদের বিষয়ে তৃতীয় বেঞ্চের বিচারপতি মোঃ ইমান আলীর রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘প্রধান বিচারপতির নির্দেশে গঠিত তৃতীয় বেঞ্চ পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছে সেটি প্রতিষ্ঠিত হলো। এর আগে আপিল বিভাগ শাজাহান ওমরের বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ বাতিল করে পলাণ করতে নির্দেশ দিয়েছে।’
তত্কালীন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের অস্থায়ী বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামির সরাসরি হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন চাওয়ার অধিকার নেই, এটাই এখন প্রতিষ্ঠিত হলো। দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করতেই হবে।’ তাদের এই বক্তব্য তখন পরের দিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
তাদের এই বক্তব্য এবং আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা কোনোটাই শেখ হেলালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি। বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনের মঞ্জুর করা জামিন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। দুর্নীতি দমন কমিশন সবার বেলায় আপিল করলেও শেখ হেলাল দম্পতির জন্য রহস্যজনক নীরব। বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনও শেখ হেলাল দম্পতি এবং শাজাহান ওমরের পর অন্যদের বেলায় ভিন্ন আচরণ করেন।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?