উচ্চশিক্ষায় গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
২০০৩ সালে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্রমাগত উন্নয়নের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের উচ্চশিক্ষা স্তরে অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশে প্রজন্ম পরম্পরায় সুশিক্ষিত, চরিত্রবান, সত্, যোগ্য, লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সুন্দর মানসিকতাসম্পন্ন নাগরিক তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে।
—উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
মঈনুল মালেক মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন নামক সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ২০০৩ সালে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো গণতান্ত্রিক ও নৈতিক মূল্যবোধ, আধুনিক বিজ্ঞান এবং সর্বোপরি বর্তমানের কর্মমুখী শিক্ষার সমন্বয়ে প্রণীত শিক্ষা কর্মসূচির আলোকে আমাদের দেশে প্রজন্ম পরম্পরায় সুশিক্ষিত, চরিত্রবান, সত্, যোগ্য, লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সুন্দর মানসিকতাসম্পন্ন নাগরিক তৈরি করা, যারা দেশপ্রেমে উদ্বুব্ধ হয়ে জাতির আর্থ-সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। গ্রিন ইউনিভার্সিটি দেশীয় সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও নীতি বজায় রেখে আমেরিকান ক্রেডিট পদ্ধতিতে গুণগতমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান এবং আন্তর্জাতিক মানের কোর্স কারিকুলামে সমাজের গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সাধ্যের মধ্যে শিক্ষা ব্যয় নির্বাহের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে ভবিষত্ নেতৃত্ব গড়ে তোলা গ্রিন ইউনিভার্সিটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রোগ্রামগুলো : বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি অনুষদে সাতটি বিভাগে ১২টি প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের অধীনে রয়েছে বিবিএ, এমবিএ ও ব্যাংক মেনেজম্যান্ট। বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। আইন অনুষদের অধীনে রয়েছে এলএলবি (অনার্স ও পাস) এবং এলএলএম। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান, নৃ-বিজ্ঞান এবং ফিল্ম টেলিভিশন ও ডিজিটাল মিডিয়া।
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে দুটি লাইব্রেরি রয়েছে। লাইব্রেরিকে আন্তর্জাতিক মানের রূপ দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করা হচ্ছে। বর্তমানে দুটি কম্পিউটার ল্যাবরেটরি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। প্রায়ই প্রয়োজন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং ফটোকপিয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে সেমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষাদান ও পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। প্রতি একাডেমিক বছরে মোট ৩টি সেমিস্টার করে আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে মোট ১২টি সেমিস্টার পড়ানো হয়। গ্রাজুয়েট পর্যায়ে সাধারণত রেগুলার কোর্সে মোট ৫টি সেমিস্টার এবং এক্সিকিউটিভ কোর্সে ৪টি সেমিস্টার পড়ানো হয়। প্রতিটি বিষয়ে ক্লাস টেস্ট, মিডটার্ম ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হয়। এছাড়া লেকচার পদ্ধতি, গ্রুপ ডিসকাশন, লেকচার মেটেরিয়াল প্রদান এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে শিক্ষা দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. একেএম ফজলুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান ও ট্রেজারার মিসেস শাহীন মাহবুবা হক, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।
এ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পড়াশোনার খরচ নির্ধারণ করেছে যা একজন শিক্ষার্থীরা কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে এক একাডেমিক বছরে ভর্তি সেশন মোট তিনটি—স্প্রিং সেমিস্টার : জানুয়ারি-এপ্রিল
সামার সেমিস্টার : মে-আগস্ট
ফল সেমিস্টার : সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর
ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা : গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বিবিএ, বিএসসি, এলএলবি (অনার্স), বিএসএস (অনার্স), ও বিএ (অনার্স) কোর্সে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা হলো—এসএসসি ও এইচএসসি (বা সমপর্যায়ের) পরীক্ষায় কমপক্ষে ২য় বিভাগ/জিপিএ-২.৫০ বা ও-লেভেলে ৫টি বিষয় ও এ-লেভেলে ২টি বিষয়ে পাস করতে হবে। গ্রাজুয়েট পর্যায়ে এমএ, এমবিএ/এমবিএম (রেগুলার) কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা হলো ন্যূনতম ব্যাচেলর অথবা মাস্টার্স ডিগ্রি। এমবিএ/এমবিএম (এক্সিকিউটিভ) কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা হলো ন্যূনতম ব্যাচেলর অথবা মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ৩/২ বছরের কর্মঅভিজ্ঞতা।
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে ছাত্রছাত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী পালন করতে হয় ও নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
ছাত্রছাত্রীদের প্রদেয় সুযোগ-সুবিধাগুলো
(ক) জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের বিনা ফি’তে পড়ার সুবিধা (খ) সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে টিউশন ফি মওকুফ সুবিধা
(গ) আধুনিক লাইব্রেরি (ঘ) কম্পিউটার এবং ইলেকট্রিক্যাল ল্যাবরেটরি (ঙ) ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা (চ) কোনো সেশনজট নেই
(ছ) ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুবিধা (জ) ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক সুবিধা (ঝ) অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের ভাই-বোনের এবং স্বামী হলে স্ত্রী এবং স্ত্রী হলে স্বামীর জন্য ২৫ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফ।
(ঞ) স্টাডিটুরের ব্যবস্থা
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রছাত্রীদের ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গ্রিন সেন্ট্রাল ক্লাবের মাধ্যমে, বর্তমানে কালচারাল ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, হেলথ ক্লাব, ম্পোর্টস ক্লাব, গেমস ক্লাব, ইংলিশ ক্লাব, বিজনেস ক্লাব, ব্লাড ডোনেশন ক্লাব, ড্রামা ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাবের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
স্কলারশিপ : গ্রিন ইউনিভার্সিটি বর্তমানে দেশের আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা যাতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পায় সেজন্য বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগে প্রায় ৫%-১০০% পর্যন্ত টিউশন ফি মওকুফের সুবিধা দিয়ে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করছে।
ইউনিভার্সিটির ঠিকানা : গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ২২০/ডি বেগম রোকেয়া সরণি, ফোন : ৯০১৪৭২৫, ০১১৯১৭৫৮৭৯১-৩
ঢাকা-১২০৭ । ই-মেইল : রহভড়@মত্ববহ.বফঁ.নফ// ওয়েব সাইট : .িমত্ববহ.বফঁ.নফ
গ্রন্থনা : আরশাদুল মোমিন
—উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
মঈনুল মালেক মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন নামক সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ২০০৩ সালে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো গণতান্ত্রিক ও নৈতিক মূল্যবোধ, আধুনিক বিজ্ঞান এবং সর্বোপরি বর্তমানের কর্মমুখী শিক্ষার সমন্বয়ে প্রণীত শিক্ষা কর্মসূচির আলোকে আমাদের দেশে প্রজন্ম পরম্পরায় সুশিক্ষিত, চরিত্রবান, সত্, যোগ্য, লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সুন্দর মানসিকতাসম্পন্ন নাগরিক তৈরি করা, যারা দেশপ্রেমে উদ্বুব্ধ হয়ে জাতির আর্থ-সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। গ্রিন ইউনিভার্সিটি দেশীয় সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও নীতি বজায় রেখে আমেরিকান ক্রেডিট পদ্ধতিতে গুণগতমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান এবং আন্তর্জাতিক মানের কোর্স কারিকুলামে সমাজের গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সাধ্যের মধ্যে শিক্ষা ব্যয় নির্বাহের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে ভবিষত্ নেতৃত্ব গড়ে তোলা গ্রিন ইউনিভার্সিটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রোগ্রামগুলো : বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি অনুষদে সাতটি বিভাগে ১২টি প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের অধীনে রয়েছে বিবিএ, এমবিএ ও ব্যাংক মেনেজম্যান্ট। বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। আইন অনুষদের অধীনে রয়েছে এলএলবি (অনার্স ও পাস) এবং এলএলএম। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান, নৃ-বিজ্ঞান এবং ফিল্ম টেলিভিশন ও ডিজিটাল মিডিয়া।
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে দুটি লাইব্রেরি রয়েছে। লাইব্রেরিকে আন্তর্জাতিক মানের রূপ দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করা হচ্ছে। বর্তমানে দুটি কম্পিউটার ল্যাবরেটরি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। প্রায়ই প্রয়োজন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং ফটোকপিয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে সেমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষাদান ও পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। প্রতি একাডেমিক বছরে মোট ৩টি সেমিস্টার করে আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে মোট ১২টি সেমিস্টার পড়ানো হয়। গ্রাজুয়েট পর্যায়ে সাধারণত রেগুলার কোর্সে মোট ৫টি সেমিস্টার এবং এক্সিকিউটিভ কোর্সে ৪টি সেমিস্টার পড়ানো হয়। প্রতিটি বিষয়ে ক্লাস টেস্ট, মিডটার্ম ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হয়। এছাড়া লেকচার পদ্ধতি, গ্রুপ ডিসকাশন, লেকচার মেটেরিয়াল প্রদান এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে শিক্ষা দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. একেএম ফজলুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান ও ট্রেজারার মিসেস শাহীন মাহবুবা হক, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।
এ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পড়াশোনার খরচ নির্ধারণ করেছে যা একজন শিক্ষার্থীরা কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে এক একাডেমিক বছরে ভর্তি সেশন মোট তিনটি—স্প্রিং সেমিস্টার : জানুয়ারি-এপ্রিল
সামার সেমিস্টার : মে-আগস্ট
ফল সেমিস্টার : সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর
ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা : গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বিবিএ, বিএসসি, এলএলবি (অনার্স), বিএসএস (অনার্স), ও বিএ (অনার্স) কোর্সে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা হলো—এসএসসি ও এইচএসসি (বা সমপর্যায়ের) পরীক্ষায় কমপক্ষে ২য় বিভাগ/জিপিএ-২.৫০ বা ও-লেভেলে ৫টি বিষয় ও এ-লেভেলে ২টি বিষয়ে পাস করতে হবে। গ্রাজুয়েট পর্যায়ে এমএ, এমবিএ/এমবিএম (রেগুলার) কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা হলো ন্যূনতম ব্যাচেলর অথবা মাস্টার্স ডিগ্রি। এমবিএ/এমবিএম (এক্সিকিউটিভ) কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা হলো ন্যূনতম ব্যাচেলর অথবা মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ৩/২ বছরের কর্মঅভিজ্ঞতা।
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে ছাত্রছাত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী পালন করতে হয় ও নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
ছাত্রছাত্রীদের প্রদেয় সুযোগ-সুবিধাগুলো
(ক) জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের বিনা ফি’তে পড়ার সুবিধা (খ) সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে টিউশন ফি মওকুফ সুবিধা
(গ) আধুনিক লাইব্রেরি (ঘ) কম্পিউটার এবং ইলেকট্রিক্যাল ল্যাবরেটরি (ঙ) ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা (চ) কোনো সেশনজট নেই
(ছ) ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুবিধা (জ) ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক সুবিধা (ঝ) অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের ভাই-বোনের এবং স্বামী হলে স্ত্রী এবং স্ত্রী হলে স্বামীর জন্য ২৫ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফ।
(ঞ) স্টাডিটুরের ব্যবস্থা
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রছাত্রীদের ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গ্রিন সেন্ট্রাল ক্লাবের মাধ্যমে, বর্তমানে কালচারাল ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, হেলথ ক্লাব, ম্পোর্টস ক্লাব, গেমস ক্লাব, ইংলিশ ক্লাব, বিজনেস ক্লাব, ব্লাড ডোনেশন ক্লাব, ড্রামা ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাবের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
স্কলারশিপ : গ্রিন ইউনিভার্সিটি বর্তমানে দেশের আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা যাতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পায় সেজন্য বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগে প্রায় ৫%-১০০% পর্যন্ত টিউশন ফি মওকুফের সুবিধা দিয়ে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করছে।
ইউনিভার্সিটির ঠিকানা : গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ২২০/ডি বেগম রোকেয়া সরণি, ফোন : ৯০১৪৭২৫, ০১১৯১৭৫৮৭৯১-৩
ঢাকা-১২০৭ । ই-মেইল : রহভড়@মত্ববহ.বফঁ.নফ// ওয়েব সাইট : .িমত্ববহ.বফঁ.নফ
গ্রন্থনা : আরশাদুল মোমিন


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


