পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে হত্যাকাণ্ড মামলা : চার্জশিট দাখিলের সময় ১৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি
স্টাফ রিপোর্টার
বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় বিদ্রোহে হত্যাকাণ্ড মামলার চার্জশিট দাখিলের সময় আরেক দফা পিছিয়েছে। আগামী ১৯ মে চার্জশিট দাখিল করতে গতকাল সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে তদন্তকারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে বিডিআর হত্যাকাণ্ড মামলার চার্জশিট দাখিলের সময় নির্ধারিত ছিল গতকাল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহহার আকন্দ চার্জশিট দাখিলের সময় বাড়ানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম একেএম এনামুল হক আগামী ১৯ মে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ দেন।
পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গত ১০ মার্চ আদালতে দাখিল করার কথা ছিল। অপারগতা জানিয়ে সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা আবদুল কাহহার আকন্দ আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করেন। তখন ঢাকা মহানগর হাকিম একেএম এনামুল হক ২১ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
গত বছর ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে বিদ্রোহ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই সময় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৩ জন নিহত হন। ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় সিআইডিকে। এই মামলায় ২ হাজার ২৪৭ বিডিআর সদস্য এবং ৩৩ বেসামরিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ২ হাজার ২১৭ জনকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে ৫২৫ জন ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এই মামলায় ৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করে সিআইডি।
পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুটের তদন্ত শেষ না হওয়ায় সিআইডি গতকালও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।
আমাদের কোর্ট রিপোর্টার জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির আবদুল কাহহার আকন্দ ঘটনার এক বছর ২ মাসের মধ্যেও মামলার চার্জশিট দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গত ১০ মার্চ আদালতে দাখিল করার কথা ছিল। অপারগতা জানিয়ে সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা আবদুল কাহহার আকন্দ আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করেন। তখন ঢাকা মহানগর হাকিম একেএম এনামুল হক ২১ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
গত বছর ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে বিদ্রোহ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই সময় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৩ জন নিহত হন। ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় সিআইডিকে। এই মামলায় ২ হাজার ২৪৭ বিডিআর সদস্য এবং ৩৩ বেসামরিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ২ হাজার ২১৭ জনকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে ৫২৫ জন ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এই মামলায় ৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করে সিআইডি।
পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুটের তদন্ত শেষ না হওয়ায় সিআইডি গতকালও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।
আমাদের কোর্ট রিপোর্টার জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির আবদুল কাহহার আকন্দ ঘটনার এক বছর ২ মাসের মধ্যেও মামলার চার্জশিট দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


