ভোলা-৩ উপনির্বাচন : ভোটকেন্দ্রে জাতীয় নেতাদের যেতে দিন : বিএনপি
স্টাফ রিপোর্টার
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় নেতাদের ‘নির্বাচনী পর্যবেক্ষক’ হিসেবে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এই দাবি জানিয়ে বলেন, অতীতের নজির উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের জাতীয় পর্যায়ের নেতা ও সংসদ সদস্যদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার বাতিল করেছে। এটা পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন গত সোমবার থেকে ভোলা-৩ আসনের নির্বাচনী এলাকায় ভোটার, স্থানীয় অধিবাসী এবং অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
আগামী ২৪ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
উপনির্বাচন পর্যবেক্ষণে বিএনপির ২০ জন জ্যেষ্ঠ নেতাকে ভোলায় অবস্থান করতে দেয়ারও দাবি জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তাদের এ দাবি নিয়ে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রুহুল কবীর রিজভী বলেন, আমরা এর আগে দেশে যতগুলো উপনির্বাচন দেখেছি সেখানে অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির ২০ জন করে সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে রাখা হলে কারচুপির সুযোগ কম থাকে।
নির্বাচন কমিশনকে আওয়ামী লীগের নিষ্ঠাবান প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করে রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ইসির আচরণ দেখে মনে হচ্ছে সরকারি দলকে কারচুপির সুযোগ করে দেয়ার জন্যই তারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, দিন দিন নির্বাচনী এলাকায় নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। মঙ্গলবার সিইসি ভোলায় আসার পর বিএনপির আটজন নেতাকর্মী এবং চর জহিরুদ্দিনে ২০ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানাসহ বেশ ক’জন কেন্দ্রীয় নেতাকে দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। প্রশাসন সেখানে নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করছে। বিএনপির বিভিন্ন সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ডাকা হলেও তারা নির্বিকার ভূমিকা পালন করে। এ পর্যন্ত বিএনপির প্রায় ২৫০ জন নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। নাজিম উদ্দিন আলম তাদের অন্যতম। অথচ ইসি বলছে সেখানে পরিবেশ বিঘ্নিত হয়নি। রুহুল কবীর রিজভী প্রশ্ন রাখেন, বিএনপির আর কতজন নেতাকর্মী আহত হলে সেখানে পরিবেশ বিঘ্নিত হবে?
রিজভী আহমদ বলেন, ভোটাররা ভোটের দিন কেন্দ্রে যেতে পারবে কিনা—তা নিয়ে তারা এখন আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহিন, আবদুল লতিফ জনি, বিএনপি নেতা নুরুল কবির শাহিন, রফিক সিকদার, তকদির হোসেন জসিম, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন প্রমুখ।
নির্বাচন কমিশন গত সোমবার থেকে ভোলা-৩ আসনের নির্বাচনী এলাকায় ভোটার, স্থানীয় অধিবাসী এবং অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
আগামী ২৪ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
উপনির্বাচন পর্যবেক্ষণে বিএনপির ২০ জন জ্যেষ্ঠ নেতাকে ভোলায় অবস্থান করতে দেয়ারও দাবি জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তাদের এ দাবি নিয়ে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রুহুল কবীর রিজভী বলেন, আমরা এর আগে দেশে যতগুলো উপনির্বাচন দেখেছি সেখানে অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির ২০ জন করে সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে রাখা হলে কারচুপির সুযোগ কম থাকে।
নির্বাচন কমিশনকে আওয়ামী লীগের নিষ্ঠাবান প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করে রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ইসির আচরণ দেখে মনে হচ্ছে সরকারি দলকে কারচুপির সুযোগ করে দেয়ার জন্যই তারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, দিন দিন নির্বাচনী এলাকায় নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। মঙ্গলবার সিইসি ভোলায় আসার পর বিএনপির আটজন নেতাকর্মী এবং চর জহিরুদ্দিনে ২০ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানাসহ বেশ ক’জন কেন্দ্রীয় নেতাকে দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। প্রশাসন সেখানে নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করছে। বিএনপির বিভিন্ন সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ডাকা হলেও তারা নির্বিকার ভূমিকা পালন করে। এ পর্যন্ত বিএনপির প্রায় ২৫০ জন নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। নাজিম উদ্দিন আলম তাদের অন্যতম। অথচ ইসি বলছে সেখানে পরিবেশ বিঘ্নিত হয়নি। রুহুল কবীর রিজভী প্রশ্ন রাখেন, বিএনপির আর কতজন নেতাকর্মী আহত হলে সেখানে পরিবেশ বিঘ্নিত হবে?
রিজভী আহমদ বলেন, ভোটাররা ভোটের দিন কেন্দ্রে যেতে পারবে কিনা—তা নিয়ে তারা এখন আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহিন, আবদুল লতিফ জনি, বিএনপি নেতা নুরুল কবির শাহিন, রফিক সিকদার, তকদির হোসেন জসিম, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন প্রমুখ।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


