বরিশালে সিইসি : আগামী সংসদ নির্বাচনেও সেনা মোতায়েন হবে না
বরিশাল অফিস
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা বলেছেন, শুধু ভোলার উপ-নির্বাচন নয়, আগামী সংসদ নির্বাচনেও সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই নির্বাচন কমিশনের। তিনি গতকাল সন্ধ্যার পর ভোলা থেকে ঢাকায় ফেরার পথে বরিশাল সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ভোলার নির্বাচনী পরিবেশ সন্তোষজনক মন্তব্য করে বলেন, সেনাবাহিনী ছাড়াই সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব। সিইসি বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য এরই মধ্যে ২৮০ র্যাব সদস্যকে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৮৬টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে ২৪ সদস্যের একটি দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। ভোটের দিন ২৭ ম্যাজিস্ট্রেট ২১টি মোবাইল টিমে ভাগ হয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তাত্ক্ষণিক বিচার কাজের জন্য ৪ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ বিচারকও থাকবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটার তালিকা থেকে সন্ত্রাসীদের ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ২২ তারিখের পর বহিরাগত ও অপরিচিত কাউকে এলাকায় থাকতে না দেয়ার পাশাপাশি প্রবেশ করতেও দেয়া হবে না। সার্কিট হাউস মিলনায়তনে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নুরুন্নবী তালুকদার, ডিআইজি বিনয় কৃষ্ণ বালা, বিএমপি কমিশনার ডা. আঃ রহিম ও জেলা প্রশাসক মোঃ মশিউর রহমান প্রমুখ।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ভোলার নির্বাচনী পরিবেশ সন্তোষজনক মন্তব্য করে বলেন, সেনাবাহিনী ছাড়াই সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব। সিইসি বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য এরই মধ্যে ২৮০ র্যাব সদস্যকে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৮৬টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে ২৪ সদস্যের একটি দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। ভোটের দিন ২৭ ম্যাজিস্ট্রেট ২১টি মোবাইল টিমে ভাগ হয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তাত্ক্ষণিক বিচার কাজের জন্য ৪ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ বিচারকও থাকবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটার তালিকা থেকে সন্ত্রাসীদের ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ২২ তারিখের পর বহিরাগত ও অপরিচিত কাউকে এলাকায় থাকতে না দেয়ার পাশাপাশি প্রবেশ করতেও দেয়া হবে না। সার্কিট হাউস মিলনায়তনে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নুরুন্নবী তালুকদার, ডিআইজি বিনয় কৃষ্ণ বালা, বিএমপি কমিশনার ডা. আঃ রহিম ও জেলা প্রশাসক মোঃ মশিউর রহমান প্রমুখ।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


