Amardesh
আজঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০১০, ৯ বৈশাখ ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

দুই বিচারপতিকে শপথ না পড়ালে প্রধান বিচারপতি শপথ ভঙ্গ করবেন : সুরঞ্জিত

স্টাফ রিপোর্টার
রাষ্ট্রপতির অনুমোদন দেয়া হাইকোর্ট বিভাগের বিতর্কিত দুই বিচারপতিকে শপথ না পড়ালে প্রধান বিচারপতিরই শপথ ভঙ্গ হবে বলে অভিযোগ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, সংবিধানের ১৪৮ ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ১৭ জন বিচারপতিকেই শপথ পড়ানো প্রধান বিচারপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব। যেসব অভিযোগের ভিত্তিত্তে প্রধান বিচারপতি তাদের মধ্যে দু’জনের শপথ পড়াননি সেই এখতিয়ার সংবিধান তাকে দেয়নি।
গতকাল দুপুরে সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংবিধান, ঐতিহ্য এবং প্রথাকে সমুন্নত রেখে প্রধান বিচারপতি সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ব্রিফিংয়ে তিনি এই সঙ্কট উত্তরণে দেশের প্রখ্যাত আইনজীবী, বার অ্যাসোসিয়েশন ও আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওই দুই বিচারপতিকে শপথ না পড়ানোয় যে সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে তা যদি এখনই মেটানো না যায়, তবে তা আরও গভীর হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান দুই বছরের জন্য হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে ১৭ জনকে নিয়োগ দেন। রোববার সকালে রুহুল কুদ্দুস ও মোঃ খসরুজ্জামান ছাড়া বাকি ১৫ বিচারপতিকে শপথবাক্য পড়ান প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিম।
ব্রিফিংয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, বর্তমানে সর্বোচ্চ আদালত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গেছে। আপিল বিভাগের কোনো বিচারপতি ১৫ বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনও দ্বিধাবিভক্ত। এর ফলে দেশের গণতন্ত্র ব্যাহত হবে। তাই সবাইকে গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৫ ধারায় বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, হাইকোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর আইনি পেশা চর্চার অভিজ্ঞতা থাকলে রাষ্ট্রপতি তাকে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। আইনে না থাকলেও প্রথা অনুযায়ী বিচারপতি নিয়োগের সময় রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ নিয়েছেন। তখন তিনি অসম্মতি জানাননি। ১৭ জনের প্যানেলে তিনি স্বাক্ষর করেছেন। এরপর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এখন এ নিয়ে বিরোধিতার কোনো সুযোগ নেই। আর ওই দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ বিচার করার দায়িত্ব সংবিধান প্রধান বিচারপতিকে দেয়নি। তিনি বলেন, দুই বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করানোর এখনও সময় আছে। কারণ, সংবিধানের কোথাও লেখা নেই সবাইকে একসঙ্গে শপথবাক্য পাঠ করাতে হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সুরঞ্জিত সেন বলেন, বল এখন প্রধান বিচারপতির কোর্টে। গণতন্ত্রকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হলে সব বিচারপতিকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। আর প্রধান বিচারপতি এখনও বলেননি যে, তিনি শপথপাঠ করাবেন না। আশা করি তিনি এ সঙ্কট থেকে জাতিকে রক্ষা করবেন। সংবিধান অনুযায়ী তিনিই এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?