Amardesh
আজঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০১০, ৯ বৈশাখ ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সন্দেহের তীর দুই বন্ধুর দিকে : এসআই গৌতম হত্যা পরিকল্পিত

স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর বংশাল থানার সাব-ইন্সপেক্টর গৌতম কুমার রায়ের ঘাতক কে—তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশের সন্দেহের তীর গৌতমের দুই বন্ধু দাবিদার শামিম ও আজমের দিকে। ঘটনার সময় গৌতমের সঙ্গে থাকা আজমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে আহত শামিমকে হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে তাকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে তদন্ত সূত্র জানায়। অপরদিকে ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করে। তাদের মধ্য থেকে দুই সিকিউরিটি গার্ড ও এক পানদোকানিসহ ৩ জনকে রেখে অন্যদের গতকাল ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সূত্র আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় ধরনের একটি চক্র জড়িত। শামিম ও আজম ওই চক্রের সদস্য কিনা, তা জানার চেষ্টা চলছে।
পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও ডিবি গৌতম হত্যাকাণ্ড তদন্ত করছে বলে জানায় পুলিশ। তদন্ত সূত্র জানায়, গৌতম ছিনতাইকারীদের হাতে খুন হননি। কেননা, তার কোনো মালামাল খোয়া যায়নি। কাউকে সন্দেহজনক তল্লাশি করতে গিয়ে খুন হয়েছেন গৌতম—এমনও মনে হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, গৌতমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাকে থানা থেকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেয়া হয়েছে বলেও সন্দেহ রয়েছে। কেননা, গভীর রাত পর্যন্ত থানায় ডিউটি করার পর গৌতমের বাসায়ই যাওয়ার কথা। বাসায় যাওয়ার পথে লালমোহন সাহা স্ট্রিটে তিনি কেন যাত্রাবিরতি করেছিলেন—এটাই এখন প্রশ্ন। ৫২/৪, লালমোহন সাহা স্ট্রিটে মহিউদ্দিন মার্কেটের গলিতে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল গৌতমের কথিত বন্ধু শামিম। আর জিপে তার সঙ্গে ছিল আরেক বন্ধু আজম। তারা কেন ওই এলাকায় এসেছিল, তা জানা যায়নি। গৌতমকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে আনা হয়েছিল বলেই পুলিশ ধারণা করছে।
এদিকে পুলিশ জানায়, শামিমের যে জিপে করে গৌতম বাসায় ফিরছিলেন, ওই গাড়ির কাগজপত্র নেই। জিপের নাম্বারপ্লেটে ব্যবহৃত নাম্বারটিও (ঢাকা মেট্রো-ঘ-০২-০৬২৪) সঠিক নয় বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। জিপটি শামিম কোথা থেকে পেয়েছে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। সূত্র জানায়, শামিম ও আজম নিজেদের বন্ধু দাবি করলেও গৌতমের সঙ্গে তাদের কী ধরনের সম্পর্ক ছিল তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। অপর একটি সূত্র জানায়, ধোলাইখাল এলাকায় পুরনো গাড়িচোর দলের একটি চক্র চিহ্নিত করেছিলেন গৌতম। অপরদিকে আহমেদ কমিশনার ও জুয়েলারি ব্যবসায়ী প্রেমকৃষ্ণ হত্যার পর কয়েকজন ঘাতককে গৌতমের তথ্য অনুযায়ী ডিবি গ্রেফতার করে। পুরনো ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাত শহীদের সহযোগী গ্রেফতার হওয়ায় সন্ত্রাসীদের টার্গেট ছিলেন গৌতম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর জালাল জানান, গৌতম রায় হত্যার ব্যাপারে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, সোমবার গভীর রাতে সূত্রাপুরের লালমোহন সাহা স্ট্রিটে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন বংশাল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (অপারেশন অফিসার) গৌতম কুমার রায়।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?