নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কৈরালার জীবনাবসান
ডেস্ক রিপোর্ট
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা গতকাল পরলোকগমন করেন। নেপালি কংগ্রেস পাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট গোপাল মান শ্রেষ্ঠ জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার মেয়ে সুজাতা কৈরালার বাসভবনে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। খবর এএফপি ও পিটিআই
নেপালি কংগ্রেস পার্টির সভাপতি গিরিজা প্রসাদ কৈরালা চারবার সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত কয়েক মাস ধরেই তার স্বাস্থ্য ভালো যাচ্ছিল না। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন।
এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে কাঠমাণ্ডুর গঙ্গালাল হার্ট সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে গত বুধবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। তারপর থেকে তিনি মেয়ে সুজাতার বাসভবনে ছিলেন। তিনি ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের জটিলতা ও রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বল্পতায় ভুগছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কৈরালা অনেক গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তিনি নেপালের মাওবাদীদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পাদনে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা কাজে লাগিয়ে শেষ পর্যন্ত নেপালের দীর্ঘ ১০ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানোয় ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। ২০০৬ সালে শেষ হওয়া ওই গৃহযুদ্ধে প্রায় ১৬ হাজার মানুষ মারা যায়।
কৈরালার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ তার মেয়ের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে এই নেতার প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও শোক জানায়।
নেপালি কংগ্রেস পার্টির সভাপতি গিরিজা প্রসাদ কৈরালা চারবার সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত কয়েক মাস ধরেই তার স্বাস্থ্য ভালো যাচ্ছিল না। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন।
এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে কাঠমাণ্ডুর গঙ্গালাল হার্ট সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে গত বুধবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। তারপর থেকে তিনি মেয়ে সুজাতার বাসভবনে ছিলেন। তিনি ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের জটিলতা ও রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বল্পতায় ভুগছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কৈরালা অনেক গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তিনি নেপালের মাওবাদীদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পাদনে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা কাজে লাগিয়ে শেষ পর্যন্ত নেপালের দীর্ঘ ১০ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানোয় ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। ২০০৬ সালে শেষ হওয়া ওই গৃহযুদ্ধে প্রায় ১৬ হাজার মানুষ মারা যায়।
কৈরালার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ তার মেয়ের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে এই নেতার প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও শোক জানায়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


