বিরোধীদলীয় এমপিদের কুকুর ও পাগল বললেন মঈনুদ্দিন এমপি
রাজবাড়ী প্রতিনিধি
বিরোধীদলীয় এমপিদের কুকুর ও পাগল বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ (ইনু) কেন্দ্রীয় সংসদের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই জাতীয় সংসদে মহাজোটের ২৬৩ সংসদ সদস্য ছাড়া অন্য কুকুরেরা যখন ঘেউ ঘেউ করে আমরা তা হজম করি। এই পাগলদের চিত্কার আমরা সহনশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করি।
গতকাল সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে মহাজোটের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি একথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। জনসভায় অন্যদের মধ্যে ঢাকা-৪ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি মোঃ জিলুল হাকিম, পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান আলী বিশ্বাস, বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, জেলা জাসদ সভাপতি আহমেদ নিজাম মন্টু, পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল মোর্শেদ আরজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পায়ের নিচে পিষে ফেলতে পারতেন, কিন্ত তিনি তা করেননি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েও বাবার হত্যার বিচারের জন্য তিনি ১৪ বছর অপেক্ষা করেছেন।
তিনি স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে তাদের সবার বিচার হবে না। তবে যারা হত্যা করেছে, মা-বোনের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের বিচার হবেই।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, ’৭১-এ যে চেতনায় বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন তারই ফসল আজকের বাংলাদেশ।
গতকাল সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে মহাজোটের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি একথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। জনসভায় অন্যদের মধ্যে ঢাকা-৪ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি মোঃ জিলুল হাকিম, পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান আলী বিশ্বাস, বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, জেলা জাসদ সভাপতি আহমেদ নিজাম মন্টু, পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল মোর্শেদ আরজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পায়ের নিচে পিষে ফেলতে পারতেন, কিন্ত তিনি তা করেননি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েও বাবার হত্যার বিচারের জন্য তিনি ১৪ বছর অপেক্ষা করেছেন।
তিনি স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে তাদের সবার বিচার হবে না। তবে যারা হত্যা করেছে, মা-বোনের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের বিচার হবেই।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, ’৭১-এ যে চেতনায় বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন তারই ফসল আজকের বাংলাদেশ।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


