ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে বিটিআরসি : হাসানুল হক ইনু
স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় সংসদে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও মহাজোট সরকারের শরিক জাসদ নেতা হাসানুল ইক ইনু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে বাধার সৃষ্টি করছে বিটিআরসি। সম্প্রতি ভিওআইপি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে তিনটি পিএসটিএন টেলিফোন অপারেটরের কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, এলোপাতাড়ি পদক্ষেপ নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করার মানেই হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি জগত তৈরি করার প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করা। র্যাব-পুলিশ দিয়ে এর সমাধান হয় না, এটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এর প্রযুক্তিগত সমাধান বের করতে হবে। এক বছর পেরিয়ে গেলেও ভিওআইপি উন্মুক্ত করার ব্যাপারে কোনো নিয়মনীতি করতে না পারার জন্য তিনি বিটিআরসির ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। ইনু বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোনো আইনগত উদ্যোগ নেয়নি। আশা করি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করবেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
গতকাল ঢাকায় একটি জাতীয় দৈনিক ও বাংললিংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করতে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান বক্তারা। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট ও টেলিকমিউনিকেশন’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা বলেন, সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া হলে এ সরকারের সময়ই জনগণ এর সুফল পাবে। সেমিনারে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন কল হয়। এর মধ্যে ৩০ মিলিয়ন কলই হয় ভিওআইপির মাধ্যমে। আর পিএসটিএন আপারেটরদের মোট ক্ষমতা ১০ মিলিয়ন। পুরোটাই যদি তারা ভিওআইপিতে ব্যয় করে তাতেও বাকি ২০ মিলিয়ন ভিওআইপি কল কাদের মাধ্যমে হয় সেটা খুঁজে বের করতে হবে।
বাংলালিংকের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজক দৈনিক সমকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আবু সাঈদ খানের সঞ্চালনে অন্যান্যের মধ্যে গোলটেবিলে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল অপারেটরস বাংলাদেশ-অ্যামটবের সভাপতি জাকিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল এইচ চৌধুরী, গ্রামীণফোনের ভারপ্রাপ্ত চিফ অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মাহমুদ হোসেইন, সিটিসেলের পরিচালক কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মাহফুজুর রহমান, টেলিটকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শেখ রিয়াজ, বাংলালিংকের সিনিয়র রেগুলেটরি অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজর মাসিদ রহমান, র্যাংকসটেলের চিফ অপারেটিং অফিসার আবুল কালাম শামসুদ্দিন, পিপলসটেল-এর হেড অফ রিচার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শানিউর নবী, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি সবুর খান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি, নকিয়ার হেড অফ মার্কেটিং নওফেল আনোয়ার, কল সেন্টার মালিকদের সংগঠন বাক্য’র সহ-সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের, একই সংগঠনের রিয়াজউদ্দিন মোশারফ, কিউবির চিফ মার্কেটিং অফিসার রাসেল টি আহমেদ প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের জন্য দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রচলিত আইনগুলোকেও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কাজ করছেন তারা। ইনু বলেন, মোবাইল সিমের ৮শ’ টাকা ট্যাক্স মোবাইল হ্যান্ডসেটের উচ্চ শুল্ক এবং ব্যান্ডউইথের উচ্চমূল্যও চীনের প্রাচীরের মতো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আছে। গত বাজেটের আগে তারা এ বিষয়ে সুপারিশ করলেও তা কার্যকর করা হয়নি। তবে যে কোনো সময়ই এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।
আবু সাঈদ খান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করতে প্রশাসনের অ্যানালগ দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে এগিয়ে যাওয়া যাবে না।
ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করতে একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে জাকিউল ইসলাম বলেন, তা না হলে সরকার কোথায় যেতে চায়, কী করতে চায় এ বিষয়ে আমরা সুস্পষ্ট ধারণা পাব না।
আশরাফুল এইচ চৌধুরী বলেন, সব কিছুর আগে প্রান্তিক গ্রাহকদের কথা মাথায় রাখতে হবে। সে জন্য সিম ট্যাক্সসহ অন্যান্য শুল্ক একটা সহনীয় পর্যায়ে আনতে হবে।
মাহমুদ হোসেইন মোবাইল অপারেটরদের জন্য ভিওআইপি ব্যবসা উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবি জানান।
মাহফুজুর রহমান বলেন, নানা কারণে সরকার মোবাইল অপারেটরদেরকে অনেক সেবা দেয়া থেকে বঞ্চিত রেখেছে। সুযোগ পেলে মোবাইল অপারেটররা অনেক দক্ষতার সঙ্গে বিদেশি কল টার্মিনেশনের কাজ করতে পারত।
শেখ রিয়াজ বলেন, দেশে যত সেক্টর আছে তার মধ্যে একমাত্র টেলিযোগাযোগই বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা এই খাতকে আরো এগিয়ে নিতে হলে বিটিআরসির উচিত অ্যামটব, আইএসপিবি বা এমন আরও বডি যারা আছে তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া।
মাসিদ রহমান বলেন, টেলিযোগাযোগে সুযোগ পেলে আমরা ভারতের জন্য নিজেদেরকে উদাহরণ হিসেবে তৈরি করতে পারব।
আবুল কালাম শামসুদ্দিন বলেন, সরকার জনগণকে স্বপ্ন দেখিয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়নের মতো ডিজিটাল রেগুলেটর আমাদের কাছে নেই।
শানিউর নবী বলেন, রেগুলেটর যেভাবে চালাচ্ছে তাতে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমাদের জন্য দীর্ঘশ্বাস হয়ে যেতে পারে। কোনো অবস্থাতেই বিটিআরসি বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনো অপারেটরের কোনো গ্রাহক অপরাধ করে থাকলে তার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা আছে। তাই বলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়া বাস্তবসম্মত নয়।
সবুর খান বলেন, টেলিযোগাযোগ বা তথ্যপ্রযুক্তিখাতে বাংলাদেশ যে পর্যায়ে রয়েছে তার পেছনে ব্যবসায়ীদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। এখন সরকারকে এই জায়গা থেকে এগিয়ে নিতে হবে।
আবদুল্লাহ এইচ কাফি বলেন, সরকারের অনেক বড় বড় আমলাও এখন ডিজিটাল ডিজিটাল বলে চিত্কার করছেন। কিন্তু তাদের ক’জন এ বিষয়টি বোঝেন সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে।
মোঃ আবুল খায়ের বলেন, নিরবচ্ছিন্ন ব্যান্ডউইথের পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ পাওয়া গেলে কল সেন্টার খাত থেকে গার্মেন্টস সেক্টরের চেয়েও বেশি আয় করা সম্ভব।
নওফেল আনোয়ার বলেন, মোবাইল হ্যান্ডসেটে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শুল্ক বাংলাদেশে। এখানে ১২ শতাংশ শুল্ক থাকলেও ভারতে তা মাত্র ৫ শতাংশ। পাকিস্তানে আছে সেটপ্রতি মাত্র আড়াইশ টাকা।
রাসেল টি আহমেদ শিক্ষা উপকরণে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট যুক্ত করার পাশাপাশি ব্যান্ডউইথের দাম আরও কমানোর পরামর্শ দেন।
গতকাল ঢাকায় একটি জাতীয় দৈনিক ও বাংললিংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করতে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান বক্তারা। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট ও টেলিকমিউনিকেশন’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা বলেন, সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া হলে এ সরকারের সময়ই জনগণ এর সুফল পাবে। সেমিনারে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন কল হয়। এর মধ্যে ৩০ মিলিয়ন কলই হয় ভিওআইপির মাধ্যমে। আর পিএসটিএন আপারেটরদের মোট ক্ষমতা ১০ মিলিয়ন। পুরোটাই যদি তারা ভিওআইপিতে ব্যয় করে তাতেও বাকি ২০ মিলিয়ন ভিওআইপি কল কাদের মাধ্যমে হয় সেটা খুঁজে বের করতে হবে।
বাংলালিংকের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজক দৈনিক সমকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আবু সাঈদ খানের সঞ্চালনে অন্যান্যের মধ্যে গোলটেবিলে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল অপারেটরস বাংলাদেশ-অ্যামটবের সভাপতি জাকিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল এইচ চৌধুরী, গ্রামীণফোনের ভারপ্রাপ্ত চিফ অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মাহমুদ হোসেইন, সিটিসেলের পরিচালক কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মাহফুজুর রহমান, টেলিটকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শেখ রিয়াজ, বাংলালিংকের সিনিয়র রেগুলেটরি অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজর মাসিদ রহমান, র্যাংকসটেলের চিফ অপারেটিং অফিসার আবুল কালাম শামসুদ্দিন, পিপলসটেল-এর হেড অফ রিচার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শানিউর নবী, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি সবুর খান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি, নকিয়ার হেড অফ মার্কেটিং নওফেল আনোয়ার, কল সেন্টার মালিকদের সংগঠন বাক্য’র সহ-সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের, একই সংগঠনের রিয়াজউদ্দিন মোশারফ, কিউবির চিফ মার্কেটিং অফিসার রাসেল টি আহমেদ প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের জন্য দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রচলিত আইনগুলোকেও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কাজ করছেন তারা। ইনু বলেন, মোবাইল সিমের ৮শ’ টাকা ট্যাক্স মোবাইল হ্যান্ডসেটের উচ্চ শুল্ক এবং ব্যান্ডউইথের উচ্চমূল্যও চীনের প্রাচীরের মতো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আছে। গত বাজেটের আগে তারা এ বিষয়ে সুপারিশ করলেও তা কার্যকর করা হয়নি। তবে যে কোনো সময়ই এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।
আবু সাঈদ খান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করতে প্রশাসনের অ্যানালগ দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে এগিয়ে যাওয়া যাবে না।
ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করতে একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে জাকিউল ইসলাম বলেন, তা না হলে সরকার কোথায় যেতে চায়, কী করতে চায় এ বিষয়ে আমরা সুস্পষ্ট ধারণা পাব না।
আশরাফুল এইচ চৌধুরী বলেন, সব কিছুর আগে প্রান্তিক গ্রাহকদের কথা মাথায় রাখতে হবে। সে জন্য সিম ট্যাক্সসহ অন্যান্য শুল্ক একটা সহনীয় পর্যায়ে আনতে হবে।
মাহমুদ হোসেইন মোবাইল অপারেটরদের জন্য ভিওআইপি ব্যবসা উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবি জানান।
মাহফুজুর রহমান বলেন, নানা কারণে সরকার মোবাইল অপারেটরদেরকে অনেক সেবা দেয়া থেকে বঞ্চিত রেখেছে। সুযোগ পেলে মোবাইল অপারেটররা অনেক দক্ষতার সঙ্গে বিদেশি কল টার্মিনেশনের কাজ করতে পারত।
শেখ রিয়াজ বলেন, দেশে যত সেক্টর আছে তার মধ্যে একমাত্র টেলিযোগাযোগই বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা এই খাতকে আরো এগিয়ে নিতে হলে বিটিআরসির উচিত অ্যামটব, আইএসপিবি বা এমন আরও বডি যারা আছে তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া।
মাসিদ রহমান বলেন, টেলিযোগাযোগে সুযোগ পেলে আমরা ভারতের জন্য নিজেদেরকে উদাহরণ হিসেবে তৈরি করতে পারব।
আবুল কালাম শামসুদ্দিন বলেন, সরকার জনগণকে স্বপ্ন দেখিয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়নের মতো ডিজিটাল রেগুলেটর আমাদের কাছে নেই।
শানিউর নবী বলেন, রেগুলেটর যেভাবে চালাচ্ছে তাতে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমাদের জন্য দীর্ঘশ্বাস হয়ে যেতে পারে। কোনো অবস্থাতেই বিটিআরসি বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনো অপারেটরের কোনো গ্রাহক অপরাধ করে থাকলে তার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা আছে। তাই বলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়া বাস্তবসম্মত নয়।
সবুর খান বলেন, টেলিযোগাযোগ বা তথ্যপ্রযুক্তিখাতে বাংলাদেশ যে পর্যায়ে রয়েছে তার পেছনে ব্যবসায়ীদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। এখন সরকারকে এই জায়গা থেকে এগিয়ে নিতে হবে।
আবদুল্লাহ এইচ কাফি বলেন, সরকারের অনেক বড় বড় আমলাও এখন ডিজিটাল ডিজিটাল বলে চিত্কার করছেন। কিন্তু তাদের ক’জন এ বিষয়টি বোঝেন সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে।
মোঃ আবুল খায়ের বলেন, নিরবচ্ছিন্ন ব্যান্ডউইথের পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ পাওয়া গেলে কল সেন্টার খাত থেকে গার্মেন্টস সেক্টরের চেয়েও বেশি আয় করা সম্ভব।
নওফেল আনোয়ার বলেন, মোবাইল হ্যান্ডসেটে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শুল্ক বাংলাদেশে। এখানে ১২ শতাংশ শুল্ক থাকলেও ভারতে তা মাত্র ৫ শতাংশ। পাকিস্তানে আছে সেটপ্রতি মাত্র আড়াইশ টাকা।
রাসেল টি আহমেদ শিক্ষা উপকরণে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট যুক্ত করার পাশাপাশি ব্যান্ডউইথের দাম আরও কমানোর পরামর্শ দেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


