টঙ্গী থানায় পুলিশ ও সাংবাদিকের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী
টঙ্গী থানার ভেতরে গতকাল বিকালে পুলিশ ও সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে তাত্ক্ষণিকভাবে টঙ্গী প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বিকাল ৫টায় ছাত্রলীগের ১০-১২ নেতাকর্মী থানা থেকে জুয়াড়িদের ছাড়িয়ে নিতে হাজতখানার সামনে গিয়ে জড়ো হয়। এসময় তারা একযোগে থানা হাজতের ভেতরে ঢুকতে চাইলে কর্তব্যরত সেন্ট্রি নূরুল ইসলাম বাধা দেন। এ সময় থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান জনি থানার সেন্ট্রিকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করে। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সেন্ট্রিকে মারার জন্য তেড়ে যায় তারা। এ সময় থানায় উপস্থিত দৈনিক নয়া দিগন্তের টঙ্গী প্রতিনিধি আজিজুল হক কৌশলে মোবাইল ফোনে ঘটনার দৃশ্যাবলী ক্যামেরাবন্দি করেন। বিষয়টি টের পেয়ে ছাত্রলীগ নেতা জনি সাংবাদিক আজিজুল হকের ওপর চড়াও হন। এ সময় তিনি থানার অফিসারদের কক্ষে গিয়ে আশ্রয় নেন। জনির নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতারা অফিসারদের কক্ষে ঢুকে সাংবাদিককে মারধর করে এবং তার মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার সময় থানায় কোনো পুলিশ অফিসার উপস্থিত ছিলেন না। ব্যারাক থেকে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে এসে সাংবাদিককে রক্ষা করেন। এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যায় টঙ্গী প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাব সভাপতি শাহজাহান সিরাজ সাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমএ কাশেম রানা, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মাখন, মাহবুবুর রহমান, এমএ হায়দার সরকার, সৈয়দ মনিরুল আলম, মাহবুব তরফদার, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, আফজাল হোসেন প্রমুখ। বক্তারা সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা জনিকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বিকাল ৫টায় ছাত্রলীগের ১০-১২ নেতাকর্মী থানা থেকে জুয়াড়িদের ছাড়িয়ে নিতে হাজতখানার সামনে গিয়ে জড়ো হয়। এসময় তারা একযোগে থানা হাজতের ভেতরে ঢুকতে চাইলে কর্তব্যরত সেন্ট্রি নূরুল ইসলাম বাধা দেন। এ সময় থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান জনি থানার সেন্ট্রিকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করে। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সেন্ট্রিকে মারার জন্য তেড়ে যায় তারা। এ সময় থানায় উপস্থিত দৈনিক নয়া দিগন্তের টঙ্গী প্রতিনিধি আজিজুল হক কৌশলে মোবাইল ফোনে ঘটনার দৃশ্যাবলী ক্যামেরাবন্দি করেন। বিষয়টি টের পেয়ে ছাত্রলীগ নেতা জনি সাংবাদিক আজিজুল হকের ওপর চড়াও হন। এ সময় তিনি থানার অফিসারদের কক্ষে গিয়ে আশ্রয় নেন। জনির নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতারা অফিসারদের কক্ষে ঢুকে সাংবাদিককে মারধর করে এবং তার মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার সময় থানায় কোনো পুলিশ অফিসার উপস্থিত ছিলেন না। ব্যারাক থেকে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে এসে সাংবাদিককে রক্ষা করেন। এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যায় টঙ্গী প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাব সভাপতি শাহজাহান সিরাজ সাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমএ কাশেম রানা, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মাখন, মাহবুবুর রহমান, এমএ হায়দার সরকার, সৈয়দ মনিরুল আলম, মাহবুব তরফদার, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, আফজাল হোসেন প্রমুখ। বক্তারা সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা জনিকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


