নগরীতে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার : গৃহকর্তা ও স্ত্রী আটক
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর তোপখানা রোডে মেহেরবা প্লাজার সামনে থেকে গতকাল সকালে জহুরা বেগম (৫০) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি মেহেরবা প্লাজার ১১তলার একটি বাসার গৃহকর্মী ছিলেন। জহুরাকে হত্যার অভিযোগে ওই বাসার গৃহকর্তা মহসীন বাকার এবং গৃহকর্ত্রী জহুরা বাকারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
শাহবাগ থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) ব্রজেন দাস জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেহেরবা প্লাজার সামনে থেকে পুলিশ জহুরা বেগমের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। তার ডান হাত কনুই থেকে বিচ্ছিন্ন করা ছিল। গৃহকর্তা মহসীন বাকার দাবি করেছেন, জহুরা বাসার থাই গ্লাসের জানালা দিয়ে রশি বেয়ে নামার সময় পড়ে মারা গেছেন। সকালে তারা ঘুমিয়ে ছিলেন, তাই কিছু টের পাননি। তবে নিহত জহুরার ছেলে শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেছেন, তার মাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাকে মারধর করা হতো। বাড়িতে যেতে দেয়া হতো না। জহুরা ওই বাসায় দীর্ঘদিন থেকে কাজ করছিলেন।
থানা হেফাজতে থাকা গৃহকর্তা মহসীন বাকার জানিয়েছেন, মানসিক ভারসাম্যহীন গৃহকর্মী জহুরা পড়ে গিয়ে মারা গেছেন। পুলিশ ৩৩ তোপখানা রোডের পূর্ব পাশের নিচতলা থেকে জহুরার লাশ উদ্ধার করে। মেহেরবা প্লাজার দোকানি ও সিকিউরিটি গার্ডরা জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জহুরার লাশ পড়ে ছিল। জহুরা ওই ভবনের ১১তলায় প্রায় ১৫ বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করে আসছিলেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শাহবাগ থানার ওসি রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে জানা যাবে। তবে মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড। এদিকে জহুরার ছেলে শাহাদাত জানিয়েছেন, ‘এক মাস আগে আমি মেহেরবা পল্গাজায় গিয়ে মায়ের কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে আসি। ওই সময় মা আমাকে কাঁদতে কাঁদতে জানিয়েছে, বাবা, আমাকে এরা খুব নির্যাতন করছে। তুমি আমাকে নিয়ে যাও। আমি তখন মাকে বলেছিলাম, সামনের মাসে একটা বাসা ভাড়া নিয়ে তারপর তাকে নিয়ে যাব। কিন্তু ওরা আমার মাকে মেরে ফেলল।’ একথা বলেই কেঁদে ওঠেন শাহাদাত। কাঁদতে কাঁদতে শাহাদাত বলেন, আমার বাবাও নেই, মাকেও হারালাম; এখন আমার হবে। আপনেরা আমার মাকে ফিরিয়ে দেন বলে মূর্ছা যাচ্ছিলেন শাহাদাত। ওদিকে গৃহকর্তা মহসীন বাকার শাহবাগ থানায় বলেন, তার মানসিক সমস্যা ছিল, নিয়মিত বেতন নিত না। আবার কখনও কখনও বাসা থেকে চলে যেত। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
শাহবাগ থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) ব্রজেন দাস জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেহেরবা প্লাজার সামনে থেকে পুলিশ জহুরা বেগমের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। তার ডান হাত কনুই থেকে বিচ্ছিন্ন করা ছিল। গৃহকর্তা মহসীন বাকার দাবি করেছেন, জহুরা বাসার থাই গ্লাসের জানালা দিয়ে রশি বেয়ে নামার সময় পড়ে মারা গেছেন। সকালে তারা ঘুমিয়ে ছিলেন, তাই কিছু টের পাননি। তবে নিহত জহুরার ছেলে শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেছেন, তার মাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাকে মারধর করা হতো। বাড়িতে যেতে দেয়া হতো না। জহুরা ওই বাসায় দীর্ঘদিন থেকে কাজ করছিলেন।
থানা হেফাজতে থাকা গৃহকর্তা মহসীন বাকার জানিয়েছেন, মানসিক ভারসাম্যহীন গৃহকর্মী জহুরা পড়ে গিয়ে মারা গেছেন। পুলিশ ৩৩ তোপখানা রোডের পূর্ব পাশের নিচতলা থেকে জহুরার লাশ উদ্ধার করে। মেহেরবা প্লাজার দোকানি ও সিকিউরিটি গার্ডরা জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জহুরার লাশ পড়ে ছিল। জহুরা ওই ভবনের ১১তলায় প্রায় ১৫ বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করে আসছিলেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শাহবাগ থানার ওসি রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে জানা যাবে। তবে মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড। এদিকে জহুরার ছেলে শাহাদাত জানিয়েছেন, ‘এক মাস আগে আমি মেহেরবা পল্গাজায় গিয়ে মায়ের কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে আসি। ওই সময় মা আমাকে কাঁদতে কাঁদতে জানিয়েছে, বাবা, আমাকে এরা খুব নির্যাতন করছে। তুমি আমাকে নিয়ে যাও। আমি তখন মাকে বলেছিলাম, সামনের মাসে একটা বাসা ভাড়া নিয়ে তারপর তাকে নিয়ে যাব। কিন্তু ওরা আমার মাকে মেরে ফেলল।’ একথা বলেই কেঁদে ওঠেন শাহাদাত। কাঁদতে কাঁদতে শাহাদাত বলেন, আমার বাবাও নেই, মাকেও হারালাম; এখন আমার হবে। আপনেরা আমার মাকে ফিরিয়ে দেন বলে মূর্ছা যাচ্ছিলেন শাহাদাত। ওদিকে গৃহকর্তা মহসীন বাকার শাহবাগ থানায় বলেন, তার মানসিক সমস্যা ছিল, নিয়মিত বেতন নিত না। আবার কখনও কখনও বাসা থেকে চলে যেত। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


