কক্সবাজারে বিএনপির মূল্যায়ন সভা : তাজউদ্দীনই জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে গেছেন
কক্সবাজার প্রতিনিধি
‘কক্সবাজার থেকে আজ একটি প্রশ্নের জবাব চাই, স্বাধীনতার ঘোষক কে?’ তখনই সমস্বরে জবাব আসে, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান।’ ‘আদালত রায় দিয়েছেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন। আপনারা কি আদালতের এই রায় মানেন!’ আবারও সমস্বরে জবাব আসে, ‘মানি না, মানি না।’ ‘অথচ বটতলার উকিল আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, যারা এই রায় মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাহলে তো শহীদ তাজউদ্দীনের বিচার প্রথমেই করতে হবে। তিনিই প্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমরা কৃতজ্ঞ যে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।’ তারপর বিচার করুন ইন্দিরা গান্ধীর। তিনিও মেজর জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে গেছেন। বঙ্গবন্ধুও জীবদ্দশায় কখনও বলেননি, তিনিই স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। তাই সংবিধানেও স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে নিজের নামটি লিখতে লজ্জা পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।’
এভাবেই শুরু করেছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ। তিনি কক্সবাজারে গতকাল বিকালে বিএনপির তৃণমূল ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা কোনো ফিসফিস কথা নয়। পৃথিবীর সবাই জানে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক। তিনিই এ দেশে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের জন্ম দিয়েছেন। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ মানেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অক্সিজেন। অক্সিজেন ছাড়া কেউ বাঁচতে পারে না।’
শওকত মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘শহীদ জিয়ার কারণেই আপনি বাংলাদেশে ঢুকতে পেরেছেন। আজ প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন। শহীদ জিয়ার মাজার ভাঙা ও খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করলে আপনি বাংলাদেশেই থাকতে পারবেন না। আপনার হাত গুঁড়িয়ে দেয়া হবে।’
কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেসের বলরুমে আয়োজিত কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ডাকা এই প্রতিনিধি সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ কাণ্ডারি’ উল্লেখ করে বক্তারা তৃণমূল নেতাকর্মীদের সব মতভেদ ভুলে ‘বড় ধরনের এক গণআন্দোলনের মাধ্যমে’ বর্তমান সরকারকে বিদায় করার আহ্বান জানানো হয়।
কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইনামুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমদ চৌধুরী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোকতার আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপির যু্গ্ম মহাসচিব ও প্রতিনিধি সভার প্রধান সমন্বয়ক সালাহ উদ্দিন আহমদ।
১২ শতাধিক তৃণমূল প্রতিনিধির এই সভায় শওকত মাহমুদ আরও বলেন, ‘সরকার এখন যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে ব্যস্ত। আমরাও যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ‘বেয়াই’র যুদ্ধাপরাধের বিচার কে করবে! প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বাবাকে হত্যা করিয়েছে। অথচ আপনি ছেলেকে পড়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। মেয়েকে বিয়ে দেন যুদ্ধাপরাধীর ছেলের কাছে, ছেলেকে বিয়ে করান বাবার হত্যাকারীর দেশে। এই দ্বৈত আচরণ বাংলাদেশের মানুষ বোঝে।’
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইনামুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেছে। ভারত বাংলাদেশের ৫০০ গজ ভেতরে বাঙ্কার তৈরি করেছে। তাদের কি আর উচ্ছেদ করা যাবে! প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভিওআইপি জালিয়াতির মাধ্যমে ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় করেছেন।’
তিনি বলেন, “মার্কিন কোম্পানিকে বিনা টেন্ডারে কাজ দেয়ার নিউজ করায় দৈনিক আমার দেশ সম্পাদককে নির্যাতন করা হচ্ছে। তাদের দিনবদলের নমুনাই হচ্ছে ‘জিয়ার নাম মুছে ফেলা’।”
অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘জিয়া কখনই অভ্যুত্থানে জড়িত ছিলেন না। দেশের জরুরি প্রয়োজনে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন।
তৃণমূল সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক এমপি, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, হাসিন আহমদ এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম আদর, যুবদলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আসলাম চৌধুরী, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মাজহারুল হক দোলন, বিএনপির উপজাতিবিষয়ক সম্পাদক ম্যা মা চিং মারমা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান শাহীন, বেলাল আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি সা চিং প্রু জেরি, কেন্দ্রীয় সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, গাজী শাহজাহান জুয়েল, তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, নুরী আরা শেফা, দস্তগীর চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক আসলাম চৌধুরী প্রমুখ।
এভাবেই শুরু করেছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ। তিনি কক্সবাজারে গতকাল বিকালে বিএনপির তৃণমূল ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা কোনো ফিসফিস কথা নয়। পৃথিবীর সবাই জানে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক। তিনিই এ দেশে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের জন্ম দিয়েছেন। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ মানেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অক্সিজেন। অক্সিজেন ছাড়া কেউ বাঁচতে পারে না।’
শওকত মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘শহীদ জিয়ার কারণেই আপনি বাংলাদেশে ঢুকতে পেরেছেন। আজ প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন। শহীদ জিয়ার মাজার ভাঙা ও খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করলে আপনি বাংলাদেশেই থাকতে পারবেন না। আপনার হাত গুঁড়িয়ে দেয়া হবে।’
কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেসের বলরুমে আয়োজিত কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ডাকা এই প্রতিনিধি সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ কাণ্ডারি’ উল্লেখ করে বক্তারা তৃণমূল নেতাকর্মীদের সব মতভেদ ভুলে ‘বড় ধরনের এক গণআন্দোলনের মাধ্যমে’ বর্তমান সরকারকে বিদায় করার আহ্বান জানানো হয়।
কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইনামুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমদ চৌধুরী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোকতার আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপির যু্গ্ম মহাসচিব ও প্রতিনিধি সভার প্রধান সমন্বয়ক সালাহ উদ্দিন আহমদ।
১২ শতাধিক তৃণমূল প্রতিনিধির এই সভায় শওকত মাহমুদ আরও বলেন, ‘সরকার এখন যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে ব্যস্ত। আমরাও যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ‘বেয়াই’র যুদ্ধাপরাধের বিচার কে করবে! প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বাবাকে হত্যা করিয়েছে। অথচ আপনি ছেলেকে পড়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। মেয়েকে বিয়ে দেন যুদ্ধাপরাধীর ছেলের কাছে, ছেলেকে বিয়ে করান বাবার হত্যাকারীর দেশে। এই দ্বৈত আচরণ বাংলাদেশের মানুষ বোঝে।’
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইনামুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেছে। ভারত বাংলাদেশের ৫০০ গজ ভেতরে বাঙ্কার তৈরি করেছে। তাদের কি আর উচ্ছেদ করা যাবে! প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভিওআইপি জালিয়াতির মাধ্যমে ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় করেছেন।’
তিনি বলেন, “মার্কিন কোম্পানিকে বিনা টেন্ডারে কাজ দেয়ার নিউজ করায় দৈনিক আমার দেশ সম্পাদককে নির্যাতন করা হচ্ছে। তাদের দিনবদলের নমুনাই হচ্ছে ‘জিয়ার নাম মুছে ফেলা’।”
অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘জিয়া কখনই অভ্যুত্থানে জড়িত ছিলেন না। দেশের জরুরি প্রয়োজনে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন।
তৃণমূল সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক এমপি, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, হাসিন আহমদ এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম আদর, যুবদলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আসলাম চৌধুরী, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মাজহারুল হক দোলন, বিএনপির উপজাতিবিষয়ক সম্পাদক ম্যা মা চিং মারমা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান শাহীন, বেলাল আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি সা চিং প্রু জেরি, কেন্দ্রীয় সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, গাজী শাহজাহান জুয়েল, তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, নুরী আরা শেফা, দস্তগীর চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক আসলাম চৌধুরী প্রমুখ।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


