ফতুল্লায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খুন : লাশ নিয়ে মিছিল : যুবলীগের ৩ ক্যাডার গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ সোহেল আহমেদ ওরফে শুটার সোহেলের লাশ নিয়ে মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। মিছিল শেষে বেলা সাড়ে ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় পুলিশ যুবলীগের তিন ক্যাডার কামরুল ওরফে হিটলার, তার ভাই সালাউদ্দিন ওরফে জনি ও মমিন আলীকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার গভীর রাতে ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদিকে গতকাল দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে সোহেলের লাশ তার বোন রেহেনা ও ভগ্নিপতি জাকিরের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। ট্রাকযোগে লাশ শেহারচর এলাকায় নিয়ে বাদ আসর ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে দাপা কবরস্থানে দাফন করা হয়। গতরাতে ফতুল্লা মডেল থানায় সোহেলের বড় ভাই আবদুর রহমান বাদী হয়ে হিটলার, জনি, মোমেন, সুমন, ফুয়াদ, রনি ও সেন্টুসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অন্যদের মধ্যে কানা সুমন, ফুয়াদ, রনি, ডাকাত ইউসুফ, ধর্মগঞ্জের ইউসুফ, ডাকাত রতন, টুন্ডা মামুন ও সেন্টুর নাম জানা গেছে। এদিকে গতরাতে সোহেলের সহযোগী মানিকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে হিটলারের বাবা সামসুদ্দোহা, তার মা খুশনুর বেগম ও এক ভাইসহ ১০-১২ জনের একটি দল। সন্ত্রাসীরা বাড়িঘরে হামলা ও ব্যাপক ভাংচুর করে। আহত হন মানিকের স্ত্রী আকলিমা ও ৫ বছরের মেয়ে। এদের নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
জানাজার আগে সাবেক এমপি শামিম ওসমান বলেন, আমি শামীম ওসমান পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, আমার কর্মীর রক্ত ঝরেছে। খুনিরা যাতে পার না পায়, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। ফতুল্লায় শেখ হাসিনার সুনাম নষ্ট করার চক্রান্ত চলছে। মর্মান্তিকভাবে পশুর মতো হত্যা করা হয়েছে। বাঁচার জন্য একটি বাসায় আশ্রয় নেয়ার পরও সেখান থেকে ধরে এনে কোপানো হয়। আবার লাশের পাশে অস্ত্র ফেলে নাটক তৈরি করা হয়েছে। এই নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে হবে। কেউ কেউ এ হত্যাকাণ্ডটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যদি তা হয় তাহলে বরদাশত করা হবে না। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, নিহতের চাচা মালেক মাদবর, ভাই রহমান প্রমুখ।
এদিকে আওয়ামী লীগ ফতুল্লা থানা শাখার প্যাডে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, থানা যুবলীগ, থানা ছাত্রলীগ, থানা কৃষক লীগ এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতি দাতারা হলেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম সাইফ উল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শওকত আলী, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ফরিদ আহমেদ লিটন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ফতুল্লা থানা যুবলীগ সভাপতি মীর সোহেল আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ফয়েজউল্লাহ, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আবু মোঃ শরীফুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হান্নান, ফতুল্লা থানা শ্রমিক লীগ সভাপতি মোঃ আবু হানিফ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান।
তারা লিখিত বক্তব্যে বলেন, শুক্রবার বিকালে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসীর হামলায় নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ সোহেল। শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে ফতুল্লার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা লাঠিপেটাসহ কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে খুনিরা তার লাশের পাশে আগ্নেয়াস্ত্র রেখে যায়। আমরা মনে করি এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং ফতুল্লা আওয়ামী রাজনীতিকে নিঃশেষ করে দেয়ার নীলনকশার একটি অংশ। পাশাপাশি আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, গতকাল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, খুনিরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিন্তু আমরা ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষে বলতে চাই, ওইসব খুনি কোনো কালেই আমাদের আদর্শে ও দলের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল না। বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের সময় এই সন্ত্রাসীরাই ফতুল্লার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সমর্থকদের নানাভাবে অত্যাচার ও লাঞ্ছিত করে। বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই সন্ত্রাসীরা ভোল পাল্টে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। এরা মূলত ওই প্রভাবশালী মহলের ইশারায় নিজেদের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মহাজোট সরকার তথা শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাঁয়তারা করছে। আমরা এই ঘটনায় জড়িত খুনি চক্রের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ফতুল্লায় আওয়ামী রাজনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত প্রভাবশালী মহলের ব্যাপারে শিগগিরই বিশেষ দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
জানাজার আগে সাবেক এমপি শামিম ওসমান বলেন, আমি শামীম ওসমান পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, আমার কর্মীর রক্ত ঝরেছে। খুনিরা যাতে পার না পায়, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। ফতুল্লায় শেখ হাসিনার সুনাম নষ্ট করার চক্রান্ত চলছে। মর্মান্তিকভাবে পশুর মতো হত্যা করা হয়েছে। বাঁচার জন্য একটি বাসায় আশ্রয় নেয়ার পরও সেখান থেকে ধরে এনে কোপানো হয়। আবার লাশের পাশে অস্ত্র ফেলে নাটক তৈরি করা হয়েছে। এই নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে হবে। কেউ কেউ এ হত্যাকাণ্ডটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যদি তা হয় তাহলে বরদাশত করা হবে না। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, নিহতের চাচা মালেক মাদবর, ভাই রহমান প্রমুখ।
এদিকে আওয়ামী লীগ ফতুল্লা থানা শাখার প্যাডে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, থানা যুবলীগ, থানা ছাত্রলীগ, থানা কৃষক লীগ এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতি দাতারা হলেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম সাইফ উল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শওকত আলী, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ফরিদ আহমেদ লিটন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ফতুল্লা থানা যুবলীগ সভাপতি মীর সোহেল আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ফয়েজউল্লাহ, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আবু মোঃ শরীফুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হান্নান, ফতুল্লা থানা শ্রমিক লীগ সভাপতি মোঃ আবু হানিফ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান।
তারা লিখিত বক্তব্যে বলেন, শুক্রবার বিকালে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসীর হামলায় নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ সোহেল। শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে ফতুল্লার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা লাঠিপেটাসহ কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে খুনিরা তার লাশের পাশে আগ্নেয়াস্ত্র রেখে যায়। আমরা মনে করি এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং ফতুল্লা আওয়ামী রাজনীতিকে নিঃশেষ করে দেয়ার নীলনকশার একটি অংশ। পাশাপাশি আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, গতকাল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, খুনিরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিন্তু আমরা ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষে বলতে চাই, ওইসব খুনি কোনো কালেই আমাদের আদর্শে ও দলের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল না। বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের সময় এই সন্ত্রাসীরাই ফতুল্লার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সমর্থকদের নানাভাবে অত্যাচার ও লাঞ্ছিত করে। বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই সন্ত্রাসীরা ভোল পাল্টে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। এরা মূলত ওই প্রভাবশালী মহলের ইশারায় নিজেদের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মহাজোট সরকার তথা শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাঁয়তারা করছে। আমরা এই ঘটনায় জড়িত খুনি চক্রের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ফতুল্লায় আওয়ামী রাজনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত প্রভাবশালী মহলের ব্যাপারে শিগগিরই বিশেষ দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


