ভারতীয় নিম্নমানের সারে দিনাজপুরের বাজার সয়লাব : কৃষকরা হচ্ছেন প্রতারিত
হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ভেজাল ও ভারতীয় নিম্নমানের সারে সয়লাব হয়ে গেছে দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোর বিভিন্ন হাট-বাজার। আর এসব সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এখানকার সাধারণ কৃষক। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে আসা এসব ভারতীয় সারের বস্তা পাল্টে তা সরকার অনুমোদিত সার হিসেবে বিক্রি করছে এক শ্রেণীর অসাধু সার ব্যবসায়ী। অন্যদিকে স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, কোনো ডিলার ভেজাল বা ভারতীয় সার বিক্রি করলে তার লাইসেন্স বাতিলসহ তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে ভেজাল সার বিক্রি বন্ধের প্রতিবাদে স্থানীয় কৃষকরা বিক্ষোভ মিছিলসহ উপজেলা কৃষি অফিস ঘেরাও করলেও ভেজাল সার বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না। কৃষকদের দাবি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় সারের দোকানগুলোতে এসব ভেজাল সার বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইউনিয়নগুলোর সারের সাব-ডিলাররা এসব ভেজাল সার বেশি বিক্রি করছে। আর এসব ভেজাল ও নিম্নমানের সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ কৃষক।
ইরি-বোরো মৌসুম এলেই কৃষকদের কাছে সারের চাহিদা বেড়ে যায় অনেক বেশি। এক শ্রেণীর চোরাকারবারি ও অসাধু সার ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় ভারত থেকে চোরাইপথে পাচার করে আনছে নিম্নমানের বিভিন্ন সার। এসব সারের বস্তা পাল্টিয়ে দেশীয় সার হিসেবে বিক্রি করছে।
সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে আসার সময় বিডিআর ও র্যাব সদস্যরা বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে আটক করছে বিপুল পরিমান ভারতীয় নিম্নমানের সার। বিডিআর ও র্যাবের হাতে বিভিন্ন সময় আটক প্রায় ৮শ’ মেট্রিক টন ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার সার পড়ে আছে হিলি কাস্টমস গুদামে। আটক হওয়া এসব সারই বলে দেয় কি পরিমাণ সার চোরাইপথে সীমান্ত দিয়ে দেশে পাচার হয়ে আসছে।
সীমান্তে বসবাসকারীরা জানান, বিডিআর ও র্যাব সদস্যরা যে পরিমাণ ভারতীয় সার আটক করছে এর সিংহভাগই পাচার হয়ে যায় দেশের অভ্যন্তরে। বোয়ালদার ইউনিয়নের হরিয়ান গ্রামের কৃষক জোবায়ের হোসেন জানান, বিডিআরকে ম্যানেজ করে, আবার কখনও বিডিআরের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে পাচার হয়ে আসছে এসব নিম্নমানের সার। এক শ্রেণীর অসাধু সার ব্যবসায়ী রাতের আঁধারে এসব সারের প্যাকেট পাল্টে তা সরকার অনুমোদিত সার হিসেবে বাজারে বিক্রি করছে। আর এসব সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ কৃষক।
জনৈক কৃষক জানান, তিনি একমাস আগে সীমান্তবর্তী এক বাজারের সার ব্যবসায়ী রফিকুলের দোকান থেকে একবস্তা যমুনা মিশ্র সার কিনে জমিতে দেয়ার সময় তাতে পাথর দেখতে পান। পরে লোকজন নিয়ে বিষয়টি হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জানান। খবর পেয়ে কৃষি কর্মকর্তা ও থানার লোকজন এসে পাথরমিশ্রিত ভেজাল সারগুলো থানায় নিয়ে যান।
এদিকে ৮ মার্চ দিনাজপুরের হাকিমপুরে ভেজাল সার বিক্রি বন্ধের দাবিতে এবং বোয়ালদার ইউনিয়নের দু’জন সার ডিলারের ডিলারশিপ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও কৃষি অফিস ঘেরাও করেন ওই এলাকার শতাধিক কৃষক। তারা উপজেলা কৃষি অফিসারের অপসারণ ও ভেজাল সার বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন সেম্লাগান দেন। পরে কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মনোয়ার হোসেন জানান, পাথরমিশ্রিত সার বিক্রির অভিযোগে উপজেলার বোয়ালদার ইউনিয়নের সার ডিলার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি এবং ভারতীয় সার বিক্রির অভিযোগে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। পাথরমিশ্রিত সারগুলো রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য রংপুর মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। সেখানকার রিপোর্টের ভিত্তিতে সাব-ডিলার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে ভেজাল সার বিক্রি বন্ধের প্রতিবাদে স্থানীয় কৃষকরা বিক্ষোভ মিছিলসহ উপজেলা কৃষি অফিস ঘেরাও করলেও ভেজাল সার বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না। কৃষকদের দাবি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় সারের দোকানগুলোতে এসব ভেজাল সার বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইউনিয়নগুলোর সারের সাব-ডিলাররা এসব ভেজাল সার বেশি বিক্রি করছে। আর এসব ভেজাল ও নিম্নমানের সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ কৃষক।
ইরি-বোরো মৌসুম এলেই কৃষকদের কাছে সারের চাহিদা বেড়ে যায় অনেক বেশি। এক শ্রেণীর চোরাকারবারি ও অসাধু সার ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় ভারত থেকে চোরাইপথে পাচার করে আনছে নিম্নমানের বিভিন্ন সার। এসব সারের বস্তা পাল্টিয়ে দেশীয় সার হিসেবে বিক্রি করছে।
সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে আসার সময় বিডিআর ও র্যাব সদস্যরা বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে আটক করছে বিপুল পরিমান ভারতীয় নিম্নমানের সার। বিডিআর ও র্যাবের হাতে বিভিন্ন সময় আটক প্রায় ৮শ’ মেট্রিক টন ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার সার পড়ে আছে হিলি কাস্টমস গুদামে। আটক হওয়া এসব সারই বলে দেয় কি পরিমাণ সার চোরাইপথে সীমান্ত দিয়ে দেশে পাচার হয়ে আসছে।
সীমান্তে বসবাসকারীরা জানান, বিডিআর ও র্যাব সদস্যরা যে পরিমাণ ভারতীয় সার আটক করছে এর সিংহভাগই পাচার হয়ে যায় দেশের অভ্যন্তরে। বোয়ালদার ইউনিয়নের হরিয়ান গ্রামের কৃষক জোবায়ের হোসেন জানান, বিডিআরকে ম্যানেজ করে, আবার কখনও বিডিআরের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে পাচার হয়ে আসছে এসব নিম্নমানের সার। এক শ্রেণীর অসাধু সার ব্যবসায়ী রাতের আঁধারে এসব সারের প্যাকেট পাল্টে তা সরকার অনুমোদিত সার হিসেবে বাজারে বিক্রি করছে। আর এসব সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ কৃষক।
জনৈক কৃষক জানান, তিনি একমাস আগে সীমান্তবর্তী এক বাজারের সার ব্যবসায়ী রফিকুলের দোকান থেকে একবস্তা যমুনা মিশ্র সার কিনে জমিতে দেয়ার সময় তাতে পাথর দেখতে পান। পরে লোকজন নিয়ে বিষয়টি হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জানান। খবর পেয়ে কৃষি কর্মকর্তা ও থানার লোকজন এসে পাথরমিশ্রিত ভেজাল সারগুলো থানায় নিয়ে যান।
এদিকে ৮ মার্চ দিনাজপুরের হাকিমপুরে ভেজাল সার বিক্রি বন্ধের দাবিতে এবং বোয়ালদার ইউনিয়নের দু’জন সার ডিলারের ডিলারশিপ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও কৃষি অফিস ঘেরাও করেন ওই এলাকার শতাধিক কৃষক। তারা উপজেলা কৃষি অফিসারের অপসারণ ও ভেজাল সার বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন সেম্লাগান দেন। পরে কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মনোয়ার হোসেন জানান, পাথরমিশ্রিত সার বিক্রির অভিযোগে উপজেলার বোয়ালদার ইউনিয়নের সার ডিলার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি এবং ভারতীয় সার বিক্রির অভিযোগে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। পাথরমিশ্রিত সারগুলো রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য রংপুর মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। সেখানকার রিপোর্টের ভিত্তিতে সাব-ডিলার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


