সরকার ষড়যন্ত্র করেই আউটার স্টেডিয়ামে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়নি চট্টগ্রাম বিএনপি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
সরকার ষড়যন্ত্র করেই ২৭ মার্চ আউটার স্টেডিয়ামে বিএনপিকে মহাসমাবেশের অনুমতি দেয়নি বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম বিএনপি নেতারা। গতকাল বিএনপি, চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপি নেতারা এ দাবি করেন।
বিএনপি নেতারা দাবি করে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ ঐতিহাসিক দিনে চট্টগ্রামে বিএনপি সমাবেশ করুক সরকার তা চায় না। সে কারণে ওইদিন মহাসমাবেশ করতে চাইলেও অনুমতি দেয়া হয়নি।
সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াস কাদের চৌধুরী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, আসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন চৌধুরী, আবু সুফিয়ান, ডা. শাহাদাত হোসেন, অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এসএম ফজলুল হক, দস্তগীর চৌধুরী, ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক আহমেদুল আলম রাসেলসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অনুমতি না পাওয়ার প্রেক্ষিতে ২৭ মার্চের পরিবর্তে ২৯ মার্চ আউটার স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি চাইলেও প্রশাসন তা দেয়নি বলে তিনি জানান। সরকারি ষড়যন্ত্রে আউটার স্টেডিয়ামের সমাবেশ করার অনুমতি না পাওয়ায় স্থান পরিবর্তন করে ২৯ মার্চ লালদীঘি ময়দানে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করে নগর বিএনপির সভাপতি বলেন, এ মহাসমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
একই সঙ্গে ২৯ মার্চ লালদীঘি ময়দানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় জনসভাকে ‘ঐতিহাসিক জনসভা’ উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি, দেশে জনগণের নিরাপত্তাহীনতা, চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে ষড়যন্ত্র, ইতিহাস বিকৃতি, পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতা, সরকারদলীয় ক্যাডারদের চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, নারী নির্যাতন, আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে দলীয় চেয়ারপারসন আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা দাবি করেন, এর আগে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী থাকা অবস্থায় আউটার স্টেডিয়ামে ৬/৭টি সমাবেশ করেছেন। ঐতিহাসিক ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম আউটার স্টেডিয়ামে বিএনপির মহাসমাবেশে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে রেকর্ড সৃষ্টিকারী জনসমাবেশের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সরকারের ইঙ্গিতে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আউটার স্টেডিয়াম ব্যবহারে বিএনপিকে অনুমতি দেয়নি।
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশের পাঁচটি বিভাগে মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্তের পর প্রথম সমাবেশ ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এখন ২৯ মার্চ এ সমাবেশের মাধ্যমে বিভাগীয় মহাসমাবেশের সূচনা চট্টগ্রাম থেকেই করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বর্তমান সরকারের অপশাসন ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনগণকে উজ্জীবিত করে তোলা হবে।
সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি : এদিকে ২৯ মার্চ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে খালেদা জিয়ার আগমনে চট্টগ্রামে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসমাবেশকে সফল করতে চট্টগ্রামের মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সভা, সমাবেশ, মিছিল অব্যাহত রেখেছে।
গতকাল দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে এক সমাবেশে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তি রুখে দেবে।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম : জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমাবেশকে সফল করতে জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাডভোকেট কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন এস ইউ এম নুরুল ইসলাম, এস আবদুল মালেক, কাজী নজরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আবদুস সাত্তার সরোয়ার প্রমুখ।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপি : সীতাকুণ্ড উপজেলা ও পৌরসভার উদ্যোগে এক সভা আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে পৌরসভাস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
বক্তব্য রাখেন, দিদারুল ইসলাম মাহমুদ ও ইউসুফ নিজামী, আলহাজ ইসহাক কাদের চৌধুরী, জাকের হোসেন, কাজী সালাহউদ্দিন, ইউনুস চৌধুরী, জহুরুল আলম জহুর প্রমুখ।
ডবলমুরিং থানা বিএনপি : ডবলমুরিং থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে প্রতিনিধি সভা এসএম সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন—আলহাজ সালাউদ্দিন, মাইনুদ্দিন বাবলু, সৈয়দ শামসুল হক, সেকান্দর হোসেন, শামসুল আলম প্রমুখ।
শ্রমিক দল : সমাবেশকে সফল করতে নগরীর নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ে বিভাগীয় শ্রমিক দলের এক সভা এএম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন—সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ শামসুল আলম, কাজী শেখ নুরুল্লাহ, শ ম জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
যুবদল : যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্করের সভাপতিত্বে এনায়েত বাজারে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশ শেষে ২৯ মার্চের জনসভাকে সফল করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। বক্তব্য রাখেন মাহবুবুর রহমান শামীম, ইসকান্দর মির্জা, ইয়াকুব চৌধুরী, শিহাব উদ্দিন মোবিন, আবদুল মান্নান।
বিএনপি নেতারা দাবি করে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ ঐতিহাসিক দিনে চট্টগ্রামে বিএনপি সমাবেশ করুক সরকার তা চায় না। সে কারণে ওইদিন মহাসমাবেশ করতে চাইলেও অনুমতি দেয়া হয়নি।
সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াস কাদের চৌধুরী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, আসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন চৌধুরী, আবু সুফিয়ান, ডা. শাহাদাত হোসেন, অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এসএম ফজলুল হক, দস্তগীর চৌধুরী, ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক আহমেদুল আলম রাসেলসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অনুমতি না পাওয়ার প্রেক্ষিতে ২৭ মার্চের পরিবর্তে ২৯ মার্চ আউটার স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি চাইলেও প্রশাসন তা দেয়নি বলে তিনি জানান। সরকারি ষড়যন্ত্রে আউটার স্টেডিয়ামের সমাবেশ করার অনুমতি না পাওয়ায় স্থান পরিবর্তন করে ২৯ মার্চ লালদীঘি ময়দানে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করে নগর বিএনপির সভাপতি বলেন, এ মহাসমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
একই সঙ্গে ২৯ মার্চ লালদীঘি ময়দানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় জনসভাকে ‘ঐতিহাসিক জনসভা’ উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি, দেশে জনগণের নিরাপত্তাহীনতা, চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে ষড়যন্ত্র, ইতিহাস বিকৃতি, পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতা, সরকারদলীয় ক্যাডারদের চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, নারী নির্যাতন, আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে দলীয় চেয়ারপারসন আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা দাবি করেন, এর আগে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী থাকা অবস্থায় আউটার স্টেডিয়ামে ৬/৭টি সমাবেশ করেছেন। ঐতিহাসিক ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম আউটার স্টেডিয়ামে বিএনপির মহাসমাবেশে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে রেকর্ড সৃষ্টিকারী জনসমাবেশের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সরকারের ইঙ্গিতে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আউটার স্টেডিয়াম ব্যবহারে বিএনপিকে অনুমতি দেয়নি।
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশের পাঁচটি বিভাগে মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্তের পর প্রথম সমাবেশ ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এখন ২৯ মার্চ এ সমাবেশের মাধ্যমে বিভাগীয় মহাসমাবেশের সূচনা চট্টগ্রাম থেকেই করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বর্তমান সরকারের অপশাসন ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনগণকে উজ্জীবিত করে তোলা হবে।
সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি : এদিকে ২৯ মার্চ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে খালেদা জিয়ার আগমনে চট্টগ্রামে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসমাবেশকে সফল করতে চট্টগ্রামের মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সভা, সমাবেশ, মিছিল অব্যাহত রেখেছে।
গতকাল দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে এক সমাবেশে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তি রুখে দেবে।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম : জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমাবেশকে সফল করতে জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাডভোকেট কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন এস ইউ এম নুরুল ইসলাম, এস আবদুল মালেক, কাজী নজরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আবদুস সাত্তার সরোয়ার প্রমুখ।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপি : সীতাকুণ্ড উপজেলা ও পৌরসভার উদ্যোগে এক সভা আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে পৌরসভাস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
বক্তব্য রাখেন, দিদারুল ইসলাম মাহমুদ ও ইউসুফ নিজামী, আলহাজ ইসহাক কাদের চৌধুরী, জাকের হোসেন, কাজী সালাহউদ্দিন, ইউনুস চৌধুরী, জহুরুল আলম জহুর প্রমুখ।
ডবলমুরিং থানা বিএনপি : ডবলমুরিং থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে প্রতিনিধি সভা এসএম সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন—আলহাজ সালাউদ্দিন, মাইনুদ্দিন বাবলু, সৈয়দ শামসুল হক, সেকান্দর হোসেন, শামসুল আলম প্রমুখ।
শ্রমিক দল : সমাবেশকে সফল করতে নগরীর নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ে বিভাগীয় শ্রমিক দলের এক সভা এএম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন—সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ শামসুল আলম, কাজী শেখ নুরুল্লাহ, শ ম জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
যুবদল : যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্করের সভাপতিত্বে এনায়েত বাজারে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশ শেষে ২৯ মার্চের জনসভাকে সফল করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। বক্তব্য রাখেন মাহবুবুর রহমান শামীম, ইসকান্দর মির্জা, ইয়াকুব চৌধুরী, শিহাব উদ্দিন মোবিন, আবদুল মান্নান।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


