বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদ : সরকার পক্ষের হলে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে বিক্ষোভ বৈধ?
স্টাফ রিপোর্টার
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে গতকাল বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ওলামা মাশায়েখ সংহতি পরিষদ। এ সময় বায়তুল মোকাররম এলাকায় ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিল। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এ এলাকায় বিক্ষোভের ওপর পুলিশের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সরকারবিরোধী এমনকি ইসলামবিরোধী ইস্যুতেও কোনো দলকেই বিক্ষোভ করতে দেয়া হয় না। অথচ সরকারের পক্ষে কথা বলায় সংহতি পরিষদকে বিক্ষোভ করতে দেয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারের এ দ্বিমুখী আচরণ পরিহার করার আহ্বান জানান।
সূত্রমতে, নবীর সঙ্গে নিজামীর তুলনার কথিত অভিযোগ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে ওলামা মাশায়েখ সংহতি পরিষদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জমায়েত হয়। পরিষদের চেয়ারম্যান ফরীদ উদ্দিন মাসউদের সভাপতিত্বে সমাবেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা ডা. শাহাদত হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মাওলানা আবু সাঈদ, মাওলানা মাসউদুল করিম, মাওলানা আবদুল আলিম ফরিদী প্রমুখ। সমাবেশে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে নবীর সঙ্গে নিজামীর তুলনা করার প্রতিবাদ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, পত্রিকায় প্রকাশিত যে সংবাদের ভিত্তিতে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়, এরই মধ্যে সেই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের ঢাকা মহানগরী আমির রফিকুল ইসলাম খান প্রতিবাদলিপিতে বলেন, বুধবার ছাত্রশিবিরের এক সমাবেশে প্রদত্ত তার বক্তব্য বিকৃতভাবে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে। নবীর সঙ্গে নিজামীকে তুলনা করার প্রশ্নই আসে না।
এদিকে সরকারের ইসলামবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও ইস্যুসহ সম্প্রতি মানিকগঞ্জের এক শিক্ষক মোহাম্মদ (সা.) এবং পবিত্র কোরআন সম্পর্কে কটূক্তি করলেও সে সম্পর্কে ওলামা মাশায়েখ সংহতি পরিষদ কোনো প্রতিবাদ না জানানোয় এ সংগঠনটির কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের পক্ষে কাজ করার জন্যই মূলত এই সংগঠনকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন। তাছাড়া কুশপুত্তলিকা দাহ করা ইসলামবিরোধী কাজ বলেও তারা মন্তব্য করেন।
এ ব্যাপারে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী বলেন, আমাদের মুক্তাঙ্গনেও সমাবেশ করতে দেয় না, আর এদের বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ করতে দেয়া থেকে বোঝা যায়, সরকার তাদের সহযোগিতা করছে। ইসলামে কুশপুত্তলিকা দাহ করা সমর্থন করে না। সরকার নিজে জামায়াত, বিএনপি ও ঐক্যজোটকে বেকায়দায় ফেলে ধ্বংস করতে নিজেদের পক্ষের লোকদের ব্যবহার করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, সরকারের পক্ষে হওয়ার কারণেই মিছিলে বাধা দেয়া হয়নি। এটা একদলীয় শাসন কার্যকর করারই একটি নমুনা।
সূত্রমতে, নবীর সঙ্গে নিজামীর তুলনার কথিত অভিযোগ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে ওলামা মাশায়েখ সংহতি পরিষদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জমায়েত হয়। পরিষদের চেয়ারম্যান ফরীদ উদ্দিন মাসউদের সভাপতিত্বে সমাবেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা ডা. শাহাদত হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মাওলানা আবু সাঈদ, মাওলানা মাসউদুল করিম, মাওলানা আবদুল আলিম ফরিদী প্রমুখ। সমাবেশে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে নবীর সঙ্গে নিজামীর তুলনা করার প্রতিবাদ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, পত্রিকায় প্রকাশিত যে সংবাদের ভিত্তিতে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়, এরই মধ্যে সেই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের ঢাকা মহানগরী আমির রফিকুল ইসলাম খান প্রতিবাদলিপিতে বলেন, বুধবার ছাত্রশিবিরের এক সমাবেশে প্রদত্ত তার বক্তব্য বিকৃতভাবে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে। নবীর সঙ্গে নিজামীকে তুলনা করার প্রশ্নই আসে না।
এদিকে সরকারের ইসলামবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও ইস্যুসহ সম্প্রতি মানিকগঞ্জের এক শিক্ষক মোহাম্মদ (সা.) এবং পবিত্র কোরআন সম্পর্কে কটূক্তি করলেও সে সম্পর্কে ওলামা মাশায়েখ সংহতি পরিষদ কোনো প্রতিবাদ না জানানোয় এ সংগঠনটির কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের পক্ষে কাজ করার জন্যই মূলত এই সংগঠনকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন। তাছাড়া কুশপুত্তলিকা দাহ করা ইসলামবিরোধী কাজ বলেও তারা মন্তব্য করেন।
এ ব্যাপারে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী বলেন, আমাদের মুক্তাঙ্গনেও সমাবেশ করতে দেয় না, আর এদের বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ করতে দেয়া থেকে বোঝা যায়, সরকার তাদের সহযোগিতা করছে। ইসলামে কুশপুত্তলিকা দাহ করা সমর্থন করে না। সরকার নিজে জামায়াত, বিএনপি ও ঐক্যজোটকে বেকায়দায় ফেলে ধ্বংস করতে নিজেদের পক্ষের লোকদের ব্যবহার করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, সরকারের পক্ষে হওয়ার কারণেই মিছিলে বাধা দেয়া হয়নি। এটা একদলীয় শাসন কার্যকর করারই একটি নমুনা।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


