Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ২০ মার্চ ২০১০, ৬ চৈত্র ১৪১৬, ৩ রবিউসসানি ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ভেলোসির্যাপ্টরের জ্ঞাতি ভাইয়ের সন্ধান!

ডেস্ক রিপোর্ট
ভেলোসির্যাপ্টর এক প্রজাতির ডাইনোসর। পৃথিবীতে এদের বিচরণ ছিল এখন থেকে মোটামুটি সাড়ে ৭ কোটি বছর আগে। ক্ষুদ্রকায় এই ডাইনোসর ছিল মাংসাশী। বৈশিষ্ট্য ছিল অপরের খাবার ছিনিয়ে নিয়ে নিজের পেটে চালান করে দেয়া। বিজ্ঞানীরা তাই এই প্রজাতির ডাইনোসরের উপনাম দিয়েছেন সুয়িফট সিজার—স্পিডি থিপ। বাংলায় ছিনতাইকারী বা ঝাপ্টাবাজ বললেই বোধ হয় ভালো মানায়। কারণ জীবনধারণের জন্য এই ডাইনোসর অন্যের শিকার চুরি করা কিংবা কেড়ে নেয়ার ওপরই বেশি নির্ভর করত। সূত্র বিবিসি
ভেলোসির্যাপ্টর ছোট স্তন্যপায়ী আর দ্বিপদী ডাইনোসর। বর্তমানের পাখিদের বিবর্তনপূর্ব পূর্বপুরুষ বলেই মনে করা হয়ে থাকে এদের। শিকারী পাখিরা ছোঁ মেরে শিকার ধরার বৈশিষ্ট্য হয়তো এদের থেকেই পেয়েছে।
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এই ভেলোসির্যাপ্টর প্রজাতির ডাইনোসরের একটি খুব ঘনিষ্ঠ প্রজাতির সন্ধান পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের দাবি, মাত্র ৬ ফুট দীর্ঘ লুটেরা এই প্রাণীটির বিবর্তিত প্রজাতি হলো বর্তমানের পাখি। তারা বলছেন, ইনার মঙ্গোলিয়ায় আপার ক্রেটাসিয়াস যুগে বাস করত জীবগুলো। মঙ্গোলিয়ায় পাওয়া ফসিলাইজড কঙ্কাল থেকে তারা এই প্রজাতির ডাইনোসরের খোঁজ পেয়েছেন। জুটাক্সা নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে তাদের এ আবিষ্কারের কথা।
কঙ্কালটি প্রায় অবিকৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। নখ, দাঁত—কিছুই নষ্ট হয়নি। ১৪ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে থেকে সাড়ে ৭ কোটি বছর আগের সময়কালে পৃথিবীতে বেঁচে ছিল ভেলোসির্যাপ্টরের এসব জ্ঞাতিভাই।
বেইজিংয়ের চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সের পক্ষ থেকে জিং জু নামের একজন বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এর পায়ে থাবা মারার মতো নখ ছিল। তারা নতুন এই প্রজাতির নামকরণ করেছেন লিনহেরাপ্টর এক্সকুয়িসিটাস।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?