জামায়াত কচুপাতার পানি নয় যে, টোকাতেই পড়ে যাবে : মুজাহিদ
যশোর অফিস
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেছেন, আমরা এদেশে উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। সাংবিধানিক পন্থায় নিয়মতান্ত্রিক পথেই আমরা রাজনীতি করছি। জামায়াতে ইসলামী কচুপাতার পানি নয় যে, একটু টোকাতেই পড়ে যাবে। আমরা যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত। তিন বলেন, ইসলামী আন্দোলনে আঘাত এলে তৌহিদি জনতা ঘরে বসে থাকবে না। ইসলামী আন্দোলন বন্ধ করার আগে এদেশের ঈমানদার মুসলমানরা সরকারের বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠতে পারে তা সরকারের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।
গতকাল সকালে দলের যশোর ও নড়াইল জেলা মজলিসে শূরা সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। আলহেলাল ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যত একমাত্র জামায়াতে ইসলামীই সঠিক অর্থে গণতন্ত্র চর্চা করে। গণতান্ত্রিক পন্থায় জামায়াতের সব পর্যায়ে নেতা নির্বাচিত হয়। আমাদের সিদ্ধান্তগুলো পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়। দেশের জনগণের কাছেও একটি বিষয় পরিষ্কার, বিগত জোট সরকারের আমলে জামায়াতের দু’জন মন্ত্রীই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন, তারা কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তা সত্ত্বেও জামায়াতের বিরুদ্ধে যেভাবে নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাতে একটি মজলুম দল হিসেবে জামায়াতের প্রতি মানুষের সহানুভূতি বেড়েছে। সব মিলিয়ে দেশের মানুষের কাছে জামায়াতের ভালো ইমেজ তৈরি হয়েছে। জামায়াতের প্রতি মানুষের আস্থা আর ভালোবাসা অনেক বেড়েছে।
মুজাহিদ বলেন, দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযানের নামে নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। স্যেকুলার রাজনীতি করলে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হতো না। যত অন্যায়-অত্যাচার আর জুলুম-নির্যাতন হোক সত্য ও নিষ্ঠার পথ থেকে কেউ আমাদের একবিন্দুও সরাতে পারবে না।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো থেকে বাংলাদেশ কতটুকু লাভবান হতে পারবে আমরা সে ব্যাপারে সন্দিহান। এর আগে শেখ মুজিব সরকারের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করেনি ভারত। পরীক্ষামূলক বলে চালু করা ফারাক্কা বাঁধ আজও সর্বনাশ করে চলেছে এদেশের। টিপাইমুখে বাঁধ হলে দেশের জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির অপূরণীয় ক্ষতি হবে।
জামায়াতের যশোর জেলা আমির মাওলানা আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা আমির মাওলানা নূরুন্নবী জেহাদী, ঝিনাইদহ জেলা আমির মাওলানা মোজাম্মেল হক, সাতক্ষীরা জেলা আমির আবদুল খালেক, যশোর জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আবদুর রশীদ, আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক এমপি মুহাদ্দিস আবু সাঈদ, যশোর জেলা সেক্রেটারি মাস্টার নূরুনবী, সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হুসাইন, যশোর শহর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল প্রমুখ।
এর আগে ভোরে যশোর শহরের জামায়াত কর্মী ও সুধীরা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন।
সাতক্ষীরায় মুজাহিদ : এদিকে আমাদের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেছেন, বিচার করে জামায়াতে ইসলামীকে যুদ্ধাপরাধী প্রমাণ করা যাবে না; কিন্তু বিচারের নামে প্রহসন করলে জনরোষে সরকারের চাকা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে জামায়াতের দু’জন মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো নিশানাও পাওয়া যায়নি। ক্ষমতায় থেকেও জামায়াত শিবিরের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসসহ কোনো ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জনগণের দেয়া আমানত জামায়াতের মন্ত্রী-এমপিরা কখনও খেয়ানত করেননি। এ কারণে জামায়াতের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। বর্তমান সরকার জামায়াতের এ অসীম জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে চিরুনি অভিযানের নামে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও হয়রানি করছে।
তিনি গতকাল বিকালে কাজী শামছুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা আয়োজিত জেলা ও উপজেলা মজলিসে শূরা সদস্যদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। জেলা আমির মুহাদ্দিস আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা মহানগরী আমির ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরোয়ার বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা সিনিয়র নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল খালেক, গাজী নজরুল ইসলাম, মাওলানা এএম রিয়াছাত আলী বিশ্বাস, নায়েবে আমির হাফেজ রবিউল বাশার, অধ্যাপক মঈনুল হক, সেক্রেটারি শেখ নুরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম মুকুল, অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ পবিত্র কোরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে আরও বলেন, যুদ্ধ অপরাধ আসল বিষয় নয়। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর ঈমান আনাই জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের আসল অপরাধ বলে তারা মনে করে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের চরম ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে।
গতকাল সকালে দলের যশোর ও নড়াইল জেলা মজলিসে শূরা সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। আলহেলাল ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যত একমাত্র জামায়াতে ইসলামীই সঠিক অর্থে গণতন্ত্র চর্চা করে। গণতান্ত্রিক পন্থায় জামায়াতের সব পর্যায়ে নেতা নির্বাচিত হয়। আমাদের সিদ্ধান্তগুলো পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়। দেশের জনগণের কাছেও একটি বিষয় পরিষ্কার, বিগত জোট সরকারের আমলে জামায়াতের দু’জন মন্ত্রীই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন, তারা কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তা সত্ত্বেও জামায়াতের বিরুদ্ধে যেভাবে নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাতে একটি মজলুম দল হিসেবে জামায়াতের প্রতি মানুষের সহানুভূতি বেড়েছে। সব মিলিয়ে দেশের মানুষের কাছে জামায়াতের ভালো ইমেজ তৈরি হয়েছে। জামায়াতের প্রতি মানুষের আস্থা আর ভালোবাসা অনেক বেড়েছে।
মুজাহিদ বলেন, দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযানের নামে নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। স্যেকুলার রাজনীতি করলে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হতো না। যত অন্যায়-অত্যাচার আর জুলুম-নির্যাতন হোক সত্য ও নিষ্ঠার পথ থেকে কেউ আমাদের একবিন্দুও সরাতে পারবে না।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো থেকে বাংলাদেশ কতটুকু লাভবান হতে পারবে আমরা সে ব্যাপারে সন্দিহান। এর আগে শেখ মুজিব সরকারের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করেনি ভারত। পরীক্ষামূলক বলে চালু করা ফারাক্কা বাঁধ আজও সর্বনাশ করে চলেছে এদেশের। টিপাইমুখে বাঁধ হলে দেশের জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির অপূরণীয় ক্ষতি হবে।
জামায়াতের যশোর জেলা আমির মাওলানা আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা আমির মাওলানা নূরুন্নবী জেহাদী, ঝিনাইদহ জেলা আমির মাওলানা মোজাম্মেল হক, সাতক্ষীরা জেলা আমির আবদুল খালেক, যশোর জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আবদুর রশীদ, আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক এমপি মুহাদ্দিস আবু সাঈদ, যশোর জেলা সেক্রেটারি মাস্টার নূরুনবী, সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হুসাইন, যশোর শহর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল প্রমুখ।
এর আগে ভোরে যশোর শহরের জামায়াত কর্মী ও সুধীরা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন।
সাতক্ষীরায় মুজাহিদ : এদিকে আমাদের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেছেন, বিচার করে জামায়াতে ইসলামীকে যুদ্ধাপরাধী প্রমাণ করা যাবে না; কিন্তু বিচারের নামে প্রহসন করলে জনরোষে সরকারের চাকা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে জামায়াতের দু’জন মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো নিশানাও পাওয়া যায়নি। ক্ষমতায় থেকেও জামায়াত শিবিরের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসসহ কোনো ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জনগণের দেয়া আমানত জামায়াতের মন্ত্রী-এমপিরা কখনও খেয়ানত করেননি। এ কারণে জামায়াতের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। বর্তমান সরকার জামায়াতের এ অসীম জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে চিরুনি অভিযানের নামে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও হয়রানি করছে।
তিনি গতকাল বিকালে কাজী শামছুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা আয়োজিত জেলা ও উপজেলা মজলিসে শূরা সদস্যদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। জেলা আমির মুহাদ্দিস আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা মহানগরী আমির ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরোয়ার বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা সিনিয়র নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল খালেক, গাজী নজরুল ইসলাম, মাওলানা এএম রিয়াছাত আলী বিশ্বাস, নায়েবে আমির হাফেজ রবিউল বাশার, অধ্যাপক মঈনুল হক, সেক্রেটারি শেখ নুরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম মুকুল, অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ পবিত্র কোরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে আরও বলেন, যুদ্ধ অপরাধ আসল বিষয় নয়। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর ঈমান আনাই জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের আসল অপরাধ বলে তারা মনে করে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের চরম ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


