নিজামী মুজাহিদসহ চিহ্নিতদের বিচার হবে আগে : আইন প্রতিমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ২৬ মার্চের আগে যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশন ও তদন্ত সেল গঠন করা হবে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা যুক্ত থাকবেন, তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। তবে সবার আগে বিচার করা হবে জামায়াতের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের। গতকাল ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের ন্যাপ অফিসে ১৪ দলের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জামায়াতের বিচার করতে চায়নি; কিন্তু জামায়াতের নেতারাই তাদের কথাবার্তার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন তারা যুদ্ধাপরাধী। আইন প্রতিমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জামায়াতের অর্থের উত্স বন্ধ না করা হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হুমকির মুখে পড়তে পারে। তিনি বলেন, ব্যাংক, বীমা, এনজিওসহ ৩৫০টি প্রতিষ্ঠান জামায়াতের অর্থের জোগান দিয়ে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধের পেপার কাটিং, পাকিস্তানের দলিল এবং এমনকি ছবিও তথ্যপ্রমাণ হিসেবে গৃহীত হবে।
আইন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ’৭১ সালে যারাব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। যুদ্ধাপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাদের বিচার করা হবে। তিনি বলেন, জামায়াত যে যুদ্ধাপরাধী তা সরকার বলেনি; কিন্তু জামায়াতের কথাবার্তা প্রমাণ করে তারা যুদ্ধাপরাধী।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, এমএ গনি, এনামুল হক, বিমল বিশ্বাস, মুকুল চৌধুরী, ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, হাজী সেলিম, হারুন চৌধুরী প্রমুখ।
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জামায়াতের বিচার করতে চায়নি; কিন্তু জামায়াতের নেতারাই তাদের কথাবার্তার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন তারা যুদ্ধাপরাধী। আইন প্রতিমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জামায়াতের অর্থের উত্স বন্ধ না করা হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হুমকির মুখে পড়তে পারে। তিনি বলেন, ব্যাংক, বীমা, এনজিওসহ ৩৫০টি প্রতিষ্ঠান জামায়াতের অর্থের জোগান দিয়ে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধের পেপার কাটিং, পাকিস্তানের দলিল এবং এমনকি ছবিও তথ্যপ্রমাণ হিসেবে গৃহীত হবে।
আইন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ’৭১ সালে যারাব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। যুদ্ধাপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাদের বিচার করা হবে। তিনি বলেন, জামায়াত যে যুদ্ধাপরাধী তা সরকার বলেনি; কিন্তু জামায়াতের কথাবার্তা প্রমাণ করে তারা যুদ্ধাপরাধী।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, এমএ গনি, এনামুল হক, বিমল বিশ্বাস, মুকুল চৌধুরী, ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, হাজী সেলিম, হারুন চৌধুরী প্রমুখ।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


