চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ পানি গ্যাস সঙ্কটে অতিষ্ঠ জনজীবন : বিপাকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী : পানির দাবিতে মিছিল
জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম
বিদ্যুত্, পানি ও গ্যাস সঙ্কটে চরম দুর্ভোগে চট্টগ্রামের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুত্ সঙ্কটের কারণে শিল্প-কারখানার উত্পাদনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির চরম সঙ্কট চলছে অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে। নগরীর আগ্রাবাদ, হালিশহর, নাসিরাবাদ এলাকাসহ ২৫টি ওয়ার্ডে চলছে পানির জন্য হাহাকার। গ্রীষ্মের খরতাপে একদিকে চট্টগ্রাম শহরের ৩৫ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে অন্যদিকে চতুর্মুখী সঙ্কটে নাকাল চট্টগ্রামবাসী। ভয়াবহ বিদ্যুত্ সঙ্কটের কারণে ব্যাহত হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিত্সা কার্যক্রম। বিদ্যুতের কারণে নগরীতে ওয়াসার পানি সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে নগরীর অধিকাংশ এলাকায় সাধারণ মানুষকে পানির জন্য দীর্ঘ লাইন ধরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। ৪১টি ওয়ার্ডে দিনে কমপক্ষে ১৫/২০ বার লোডশেডিং করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্য থেকে মাত্র ৬/৮ ঘণ্টা বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হচ্ছে এলাকাভিত্তিতে। বিদ্যুিনর্ভর শিল্প-কারখানা, ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিপণি কেন্দ্রগুলোতে ত্রাহি অবস্থা।
বিদ্যুত্ বিতরণ দক্ষিণাঞ্চল সূত্র জানিয়েছে, গ্যাসনির্ভর তিনটি বিদ্যুেকন্দ্রের চারটি এখন বন্ধ। কাপ্তাই পানিবিদ্যুত্ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে মাত্র তিনটি ইউনিট চালু রয়েছে। বন্ধ রয়েছে দুটি ইউনিট। চট্টগ্রামে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৬৬০ মেগাওয়াট। সরবরাহ করা হচ্ছে অর্ধেকের কম। ফলে ঘন ঘন লোডশেডিং করা হচ্ছে। একবার লোডশেডিং করলে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। বিদ্যুত্ চালু হওয়ার ১০ মিনিট পর আবারও বিদ্যুত্ বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে করে মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
পিডিবির সিস্টেম কন্ট্রোল সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুতের ভয়াবহ সঙ্কট চলছে তাই লোডশেডিংয়ের সময় নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয়ভাবে চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম সূত্র জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ উত্পাদন নেমে এসেছে এক-তৃতীয়াংশে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে দৈনিক গড়ে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট করে।
লোডশেডিংয়ের কারণে নগরীর অধিকাংশ এলাকা থাকে বিদ্যুিবহীন। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ৪১টি ওয়ার্ডের প্রায় ৪০ লাখ বাসিন্দা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এখন নগরী ও আশপাশের এলাকায় দিন-রাতে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুত্ থাকে না। এমনকি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ হয় নগরবাসী।
বিদ্যুত্ সঙ্কটের কারণে চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চল কালুরঘাট, বায়েজিদ, সীতাকুণ্ড, পতেঙ্গায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের অর্ধ সহস্রাধিক শিল্প-কারখানায় উত্পাদনে ধস নেমেছে। যে কোনো সময় এসব শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিজিএমইএ নেতারা জানান, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের ফলে গার্মেন্ট শিল্পে উত্পাদন কমেছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।
এদিকে বিদ্যুত্ সঙ্কট ও ওয়াসার অব্যবস্থাপনার কারণে পানি সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। চট্টগ্রামে পানির চাহিদা ৫০ কোটি লিটার। কিন্তু চট্টগ্রাম ওয়াসা সরবরাহ করছে মাত্র ২০ কোটি লিটার। ৪০ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র ১২ লাখ মানুষ পানি পাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে বন্দর নগরীর হালিশহর, আগ্রাবাদ, সিডিএ মোগলটুলী, নাসিরাবাদ, লালখানবাজার, ডবলমুরিং, খুলশী, শুলকবহর, জামালখান এলাকায় চলছে পানির জন্য হাহাকার।
আর এ সুযোগে পানির ভাউচার বিক্রি করে ওয়াসার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ওয়াসার পানি বহনকারী ড্রাইভারদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে ক্রেতারা। ভাউচারে পানি ক্রয়ের পর ২০০ থেকে ৩০০ টাকা না দিলে ওয়াসার পানি বহনকারী ড্রাইভার সরবরাহ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে।
এদিকে বিদ্যুত্ ও পানি সঙ্কটের সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস সঙ্কটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। চট্টগ্রামের গ্যাসনির্ভর সবগুলো বিদ্যুেকন্দ্র এখন গ্যাসের অভাবে বন্ধ। গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সিইউএফএলের গ্যাস নিয়ে রাউজান তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্র ও শিকলবাহা বিদ্যুেকন্দ্র আপাতত চালু করা হয়।
লোডশেডিং ও বিদ্যুত্ আসা-যাওয়ার কারণে টিভি, ফ্রিজ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি নষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। আইপিএস কিনেও ফলোদয় হচ্ছে না। বিদ্যুত্ বিপর্যয়ের ফলে রফতানিমুখী গার্মেন্ট শিল্প ও উত্পাদনমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। উত্পাদন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় রফতানি পণ্যগুলো জাহাজীকরণ করা যাচ্ছে না। এতে করে রফতানি আদেশ বাতিলসহ স্টক লটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাংলাদেশ পোশাক রফতানিকারক চট্টগ্রাম অঞ্চলের নেতারা এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রাম শিল্প মালিক সমিতি ঘন ঘন লোডশেডিং ও অনিয়মিত বিদ্যুত্ সরবরাহে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারের উদাসীনতার ফলে দেশীয় শিল্প মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। উত্পাদন ব্যাহত হওয়ায় বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। চট্টগ্রাম দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততা এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামের প্রতি উদাসীনতার অভিযোগ এনে অবিলম্বে বিদ্যুত্ সরবরাহের দাবি জানিয়েছে।
লোডশেডিংয়ের ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্ন হচ্ছে। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা লেখাপড়া চালিয়ে যেতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
বন্দরটিলায় ৭ দিন ধরে বিদ্যুত্ নেই : বন্দরটিলা এলাকার চানখালী রোডের ব্যাংক কলোনির বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে পড়ায় ৭ দিন ধরে এলাকায় বিদ্যুত্ নেই। বিদ্যুতের অভাবে পানি না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।
পানির দাবিতে মিছিল : ভয়াবহ পানি সঙ্কটে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার, মগলটুলী, আগ্রাবাদ, সিডিএ, হালিশহর, ঝাউতলা এলাকায় গতকাল বিক্ষোভ মিছিল বেরিয়েছে। এসব মিছিলে শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেয়।
গত দুই সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। ৪১টি ওয়ার্ডে দিনে কমপক্ষে ১৫/২০ বার লোডশেডিং করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্য থেকে মাত্র ৬/৮ ঘণ্টা বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হচ্ছে এলাকাভিত্তিতে। বিদ্যুিনর্ভর শিল্প-কারখানা, ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিপণি কেন্দ্রগুলোতে ত্রাহি অবস্থা।
বিদ্যুত্ বিতরণ দক্ষিণাঞ্চল সূত্র জানিয়েছে, গ্যাসনির্ভর তিনটি বিদ্যুেকন্দ্রের চারটি এখন বন্ধ। কাপ্তাই পানিবিদ্যুত্ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে মাত্র তিনটি ইউনিট চালু রয়েছে। বন্ধ রয়েছে দুটি ইউনিট। চট্টগ্রামে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৬৬০ মেগাওয়াট। সরবরাহ করা হচ্ছে অর্ধেকের কম। ফলে ঘন ঘন লোডশেডিং করা হচ্ছে। একবার লোডশেডিং করলে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। বিদ্যুত্ চালু হওয়ার ১০ মিনিট পর আবারও বিদ্যুত্ বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে করে মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
পিডিবির সিস্টেম কন্ট্রোল সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুতের ভয়াবহ সঙ্কট চলছে তাই লোডশেডিংয়ের সময় নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয়ভাবে চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম সূত্র জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ উত্পাদন নেমে এসেছে এক-তৃতীয়াংশে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে দৈনিক গড়ে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট করে।
লোডশেডিংয়ের কারণে নগরীর অধিকাংশ এলাকা থাকে বিদ্যুিবহীন। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ৪১টি ওয়ার্ডের প্রায় ৪০ লাখ বাসিন্দা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এখন নগরী ও আশপাশের এলাকায় দিন-রাতে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুত্ থাকে না। এমনকি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ হয় নগরবাসী।
বিদ্যুত্ সঙ্কটের কারণে চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চল কালুরঘাট, বায়েজিদ, সীতাকুণ্ড, পতেঙ্গায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের অর্ধ সহস্রাধিক শিল্প-কারখানায় উত্পাদনে ধস নেমেছে। যে কোনো সময় এসব শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিজিএমইএ নেতারা জানান, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের ফলে গার্মেন্ট শিল্পে উত্পাদন কমেছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।
এদিকে বিদ্যুত্ সঙ্কট ও ওয়াসার অব্যবস্থাপনার কারণে পানি সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। চট্টগ্রামে পানির চাহিদা ৫০ কোটি লিটার। কিন্তু চট্টগ্রাম ওয়াসা সরবরাহ করছে মাত্র ২০ কোটি লিটার। ৪০ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র ১২ লাখ মানুষ পানি পাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে বন্দর নগরীর হালিশহর, আগ্রাবাদ, সিডিএ মোগলটুলী, নাসিরাবাদ, লালখানবাজার, ডবলমুরিং, খুলশী, শুলকবহর, জামালখান এলাকায় চলছে পানির জন্য হাহাকার।
আর এ সুযোগে পানির ভাউচার বিক্রি করে ওয়াসার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ওয়াসার পানি বহনকারী ড্রাইভারদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে ক্রেতারা। ভাউচারে পানি ক্রয়ের পর ২০০ থেকে ৩০০ টাকা না দিলে ওয়াসার পানি বহনকারী ড্রাইভার সরবরাহ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে।
এদিকে বিদ্যুত্ ও পানি সঙ্কটের সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস সঙ্কটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। চট্টগ্রামের গ্যাসনির্ভর সবগুলো বিদ্যুেকন্দ্র এখন গ্যাসের অভাবে বন্ধ। গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সিইউএফএলের গ্যাস নিয়ে রাউজান তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্র ও শিকলবাহা বিদ্যুেকন্দ্র আপাতত চালু করা হয়।
লোডশেডিং ও বিদ্যুত্ আসা-যাওয়ার কারণে টিভি, ফ্রিজ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি নষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। আইপিএস কিনেও ফলোদয় হচ্ছে না। বিদ্যুত্ বিপর্যয়ের ফলে রফতানিমুখী গার্মেন্ট শিল্প ও উত্পাদনমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। উত্পাদন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় রফতানি পণ্যগুলো জাহাজীকরণ করা যাচ্ছে না। এতে করে রফতানি আদেশ বাতিলসহ স্টক লটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাংলাদেশ পোশাক রফতানিকারক চট্টগ্রাম অঞ্চলের নেতারা এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রাম শিল্প মালিক সমিতি ঘন ঘন লোডশেডিং ও অনিয়মিত বিদ্যুত্ সরবরাহে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারের উদাসীনতার ফলে দেশীয় শিল্প মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। উত্পাদন ব্যাহত হওয়ায় বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। চট্টগ্রাম দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততা এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামের প্রতি উদাসীনতার অভিযোগ এনে অবিলম্বে বিদ্যুত্ সরবরাহের দাবি জানিয়েছে।
লোডশেডিংয়ের ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্ন হচ্ছে। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা লেখাপড়া চালিয়ে যেতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
বন্দরটিলায় ৭ দিন ধরে বিদ্যুত্ নেই : বন্দরটিলা এলাকার চানখালী রোডের ব্যাংক কলোনির বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে পড়ায় ৭ দিন ধরে এলাকায় বিদ্যুত্ নেই। বিদ্যুতের অভাবে পানি না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।
পানির দাবিতে মিছিল : ভয়াবহ পানি সঙ্কটে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার, মগলটুলী, আগ্রাবাদ, সিডিএ, হালিশহর, ঝাউতলা এলাকায় গতকাল বিক্ষোভ মিছিল বেরিয়েছে। এসব মিছিলে শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


