হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা চূড়ান্ত : দেশের সব হাটবাজার সরকারি মালিকানায় নিয়ে আসা হচ্ছে মহাসড়কের সীমানায় হাটবাজার নিষিদ্ধ
কাদের গনি চৌধুরী
দেশের সব হাটবাজার সরকারি মালিকানায় নিয়ে আসা হচ্ছে। বর্তমানে ব্যক্তিমালিকানাধীন যেসব হাটবাজার রয়েছে তা রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে সমর্পণ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমর্পণ সম্পন্ন না করলে ওই হাটবাজারের সব জমি সরকার বাজেয়াপ্ত করবে। হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতি-২০১০-এর চূড়ান্ত খসড়ায় এসব নির্দেশনা রয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করেছে। শিগগির এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
নতুন এ নীতিমালায় জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং জেলা সড়কের সীমানায় হাটবাজার (স্থায়ী ও অস্থায়ী) নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং জেলা সড়কের সঙ্গে নির্মিত সেতু এবং কালভার্টের অ্যাপ্রোচ, সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনাঞ্চলে কোনো হাটবাজার বসানো যাবে না। নতুন এ নীতি ‘হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতি-২০১০’ নামে অভিহিত হবে। তিন পার্বত্য জেলায় ভূমি জরিপ সম্পন্ন না হওয়ায় সেখানে এ নীতিমালা আপাতত কার্যকর হবে না।
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের সব হাটবাজারের মালিক সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জেলা প্রশাসকরা এর নিয়ন্ত্রক। যদি কোনো প্রতিষ্ঠিত হাটবাজারের সংলগ্ন এলাকায় হাটবাজার সমপ্রসারিত হয়ে থাকে, তবে সরকারের পক্ষে যথাযথ প্রক্রিয়া ও ভূমি মালিককে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া সাপেক্ষে জেলা প্রশাসক ওই জমি অধিগ্রহণ করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেবে। এরকম সমপ্রসারিত হাটবাজার এলাকায় কেউ ব্যক্তিমালিকানাধীনে টোল বা অর্থ আদায় করতে পারবে না।
হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত খসড়া নীতিতে ১২টি বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। নীতিমালায অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হচ্ছে—নাম ও ব্যাপ্তি, সংজ্ঞা, হাটবাজারের তালিকা ও পেরিফেরি সংরক্ষণ, হাটবাজার সৃজন/সমপ্রসারণ, মার্কেট/ভবন নির্মাণ, অর্থায়ন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া, আবেদনকারীর যোগ্যতা, দোকান বন্দোবস্ত/বরাদ্দ, ভাড়া/সালামি নির্ধারণ, হাটবাজারের বহুতল ভবনের ব্যবহার ও হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা কমিটি।
চূড়ান্ত খসড়া নীতিতে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার এলাকার সব হাটবাজারের তালিকা সংরক্ষণ করবেন এবং সায়রাতমহাল রেজিস্ট্রারে যথারীতি লিপিবদ্ধ করবেন। হাটবাজারের পেরিফেরি সঠিকভাবে নির্ধারণ করে চান্দিনা ভিটি ও তোহা বাজার চিহ্নিত করবে এবং এর পরিমাণ সংবলিত একটি নকশা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডরুমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে। নতুন এ নীতি জারির ৬ মাসের মধ্যে জরিপ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক আরও ২ মাস সময় বাড়াতে পারবেন। এ সময়সীমার মধ্যে ওই কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে তার কারণ ব্যাখ্যাসহ বিভাগীয় কমিশনারকে জানাতে হবে।
নতুন হাটবাজার স্থাপন এবং হাটবাজারের পরিসর সম্প্রসারণের প্রয়োজন দেখা দিলে বিধিমোতাবেক জমি অধিগ্রহণ ক্রয়ের মাধ্যমে বাড়াতে পারবেন। তবে হাটবাজারের জন্য কৃষি জমি অধিগ্রহণ যথাসম্ভব নিরুত্সাহিত করতে হবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সারাদেশে অননুমোদিত যেসব হাটবাজার রয়েছে সেগুলো সরকারের মালিকানায় নিয়ে আসা হবে। নতুন নীতিমালায় এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, অননুমোদিত হাটবাজারের মোট জমির এক চতুর্থাংশ যা ১০ শতাংশের কম হবে না, এ পরিমাণ জমির হাটবাজারের প্রতিষ্ঠাতাগণ, জমির মালিকগণ, হাটবাজারের ব্যবসায়ীগণ হাটবাজার কমিটির সহায়তায় জেলা প্রশাসকের কাছে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে সমর্পণ করবে। সমর্পণ দলিল সম্পাদনের পর জেলা প্রশাসক ওই হাটের পেরিফেরি নির্ধারণ করে হাট অনুমোদনের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে প্রস্তাব পেশ করবেন। এ নীতিমালা জারির এক বছরের মধ্যে এ সমর্পণ সম্পন্ন করতে হবে। নতুবা ওই হাটবাজারের সব জমি সরকার বাজেয়াপ্ত করবে।
নতুন এ নীতিমালায় জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং জেলা সড়কের সীমানায় হাটবাজার (স্থায়ী ও অস্থায়ী) নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং জেলা সড়কের সঙ্গে নির্মিত সেতু এবং কালভার্টের অ্যাপ্রোচ, সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনাঞ্চলে কোনো হাটবাজার বসানো যাবে না। নতুন এ নীতি ‘হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতি-২০১০’ নামে অভিহিত হবে। তিন পার্বত্য জেলায় ভূমি জরিপ সম্পন্ন না হওয়ায় সেখানে এ নীতিমালা আপাতত কার্যকর হবে না।
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের সব হাটবাজারের মালিক সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জেলা প্রশাসকরা এর নিয়ন্ত্রক। যদি কোনো প্রতিষ্ঠিত হাটবাজারের সংলগ্ন এলাকায় হাটবাজার সমপ্রসারিত হয়ে থাকে, তবে সরকারের পক্ষে যথাযথ প্রক্রিয়া ও ভূমি মালিককে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া সাপেক্ষে জেলা প্রশাসক ওই জমি অধিগ্রহণ করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেবে। এরকম সমপ্রসারিত হাটবাজার এলাকায় কেউ ব্যক্তিমালিকানাধীনে টোল বা অর্থ আদায় করতে পারবে না।
হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত খসড়া নীতিতে ১২টি বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। নীতিমালায অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হচ্ছে—নাম ও ব্যাপ্তি, সংজ্ঞা, হাটবাজারের তালিকা ও পেরিফেরি সংরক্ষণ, হাটবাজার সৃজন/সমপ্রসারণ, মার্কেট/ভবন নির্মাণ, অর্থায়ন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া, আবেদনকারীর যোগ্যতা, দোকান বন্দোবস্ত/বরাদ্দ, ভাড়া/সালামি নির্ধারণ, হাটবাজারের বহুতল ভবনের ব্যবহার ও হাটবাজারের ভূমি ব্যবস্থাপনা কমিটি।
চূড়ান্ত খসড়া নীতিতে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার এলাকার সব হাটবাজারের তালিকা সংরক্ষণ করবেন এবং সায়রাতমহাল রেজিস্ট্রারে যথারীতি লিপিবদ্ধ করবেন। হাটবাজারের পেরিফেরি সঠিকভাবে নির্ধারণ করে চান্দিনা ভিটি ও তোহা বাজার চিহ্নিত করবে এবং এর পরিমাণ সংবলিত একটি নকশা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডরুমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে। নতুন এ নীতি জারির ৬ মাসের মধ্যে জরিপ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক আরও ২ মাস সময় বাড়াতে পারবেন। এ সময়সীমার মধ্যে ওই কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে তার কারণ ব্যাখ্যাসহ বিভাগীয় কমিশনারকে জানাতে হবে।
নতুন হাটবাজার স্থাপন এবং হাটবাজারের পরিসর সম্প্রসারণের প্রয়োজন দেখা দিলে বিধিমোতাবেক জমি অধিগ্রহণ ক্রয়ের মাধ্যমে বাড়াতে পারবেন। তবে হাটবাজারের জন্য কৃষি জমি অধিগ্রহণ যথাসম্ভব নিরুত্সাহিত করতে হবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সারাদেশে অননুমোদিত যেসব হাটবাজার রয়েছে সেগুলো সরকারের মালিকানায় নিয়ে আসা হবে। নতুন নীতিমালায় এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, অননুমোদিত হাটবাজারের মোট জমির এক চতুর্থাংশ যা ১০ শতাংশের কম হবে না, এ পরিমাণ জমির হাটবাজারের প্রতিষ্ঠাতাগণ, জমির মালিকগণ, হাটবাজারের ব্যবসায়ীগণ হাটবাজার কমিটির সহায়তায় জেলা প্রশাসকের কাছে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে সমর্পণ করবে। সমর্পণ দলিল সম্পাদনের পর জেলা প্রশাসক ওই হাটের পেরিফেরি নির্ধারণ করে হাট অনুমোদনের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে প্রস্তাব পেশ করবেন। এ নীতিমালা জারির এক বছরের মধ্যে এ সমর্পণ সম্পন্ন করতে হবে। নতুবা ওই হাটবাজারের সব জমি সরকার বাজেয়াপ্ত করবে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


