না’গঞ্জে মসজিদে র্যাবের অভিযান : ইমাম গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার পৌষাপুকুর জামে মসজিদ থেকে ইমাম মাহবুব এ রাজ্জাককে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গতকাল এশার নামাজের পরপরই র্যাবের একটি দল পুরো মসজিদটিকে ঘিরে ইমাম মাহবুব এ রাজ্জাককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে রাত পৌনে ১১টায় তাকে র্যাব গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে যায়। এ সময় সাংবাদিকদের কাছে র্যাব সদস্যরা কোনো তথ্য দিতে রাজি হয়নি। ফলে কি কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানা যায়নি। মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী আহসানউল্লাহ জানিয়েছেন, গত দেড় মাস আগে গ্রেফতারকৃত ইমাম এই মসজিদের যোগ দেন। ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। সে সময় তার কাছে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো কাগজপত্র না থাকায় তিনি তা পরে জমা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু দেড় মাসেও তিনি তাদের কাছে কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। কমিটির সদস্য ডা. মানিক জানিয়েছেন, নবনিযুক্ত ইমামকে কমিটির পক্ষ থেকে জুম্মার নামাজের খুদবায় কোনো রাজনৈতি বক্তব্য দেয়া যাবে না বলে জানানো হয়। এ নিয়ে তিনি আপত্তি তুলেন এবং কমিটির লোকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে তিনি মসজিদ ছেড়ে চলে যান গত শনিবার সকালে। পরে সভাপতির অনুরোধে তিনি গতকাল সকালে ফিরে এসে ফজরের নামাজ পড়ান। তিনি নিজেকে কখনো সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আবার কখনো এনএসআই-এর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
ঠিকাদারের ছেলেকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা : শিডিউল কিনতে গিয়ে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকের ছেলেকে বেদম পিটিয়ে আহত করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টায় এ ঘটনাটি ঘটে সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভায়। ছাত্রলীগের ক্যাডারদের তাণ্ডবে পুরো পৌরসভায় ভীতির সৃষ্টি হয়, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে।
সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পৌরসভাধীন হাট, বাজার ও বাসস্ট্যান্ডসহ ৯টি স্থান ইজারা দেয়ার জন্য টেন্ডার আহ্বান করে। শিডিউল কেনার শেষদিন আজ। সাধারণ ঠিকাদাররা জানান, টেন্ডার অনুযায়ী ঠিকাদাররা শিডিউল কিনতে গেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিনের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক ঠিকাদারদের শিডিউল কিনতে বাধা দেয়। গতকাল বিকালে রফিক অ্যান্ড সন্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক রফিকুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম রাজীব সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভাধীন সব স্থানের ট্যাক্সি/ম্যাক্সি/মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের (দরপত্র নং-৭) শিডিউল কিনতে পৌরসভায় যায়। শিডিউল কেনার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক বাধা দেয়। এ সময় আরিফুল ইসলাম রাজীব শিডিউল কিনলে তার কাছ থেকে শিডিউল নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে ছাত্রলীগ নেতা শফিক ও তার ক্যাডার বাহিনী। একই সময় রাজীব ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক ও তার ক্যাডার মিন্টুসহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীরা ঠিকাদারের ছেলে ও তার সঙ্গীদের লাঠি দিয়ে পেটায় ও ঘুষি ছাড়াও পৌরসভার চেয়ার ছুড়ে মারে। উভয় পক্ষের মারামারি শুরু হলে এ সময় পৌরসভায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের ছেলে রাজীব বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে রাজীব জানায়। পৌর প্রশাসক আবদুর মতিন প্রধান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ঘটনা দেখে থানায় ফোন করে পুলিশ আনিয়েছি। পুলিশ দেখে সন্ত্রাসীরা পালিয়েছে।
ঠিকাদারের ছেলেকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা : শিডিউল কিনতে গিয়ে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকের ছেলেকে বেদম পিটিয়ে আহত করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টায় এ ঘটনাটি ঘটে সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভায়। ছাত্রলীগের ক্যাডারদের তাণ্ডবে পুরো পৌরসভায় ভীতির সৃষ্টি হয়, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে।
সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পৌরসভাধীন হাট, বাজার ও বাসস্ট্যান্ডসহ ৯টি স্থান ইজারা দেয়ার জন্য টেন্ডার আহ্বান করে। শিডিউল কেনার শেষদিন আজ। সাধারণ ঠিকাদাররা জানান, টেন্ডার অনুযায়ী ঠিকাদাররা শিডিউল কিনতে গেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিনের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক ঠিকাদারদের শিডিউল কিনতে বাধা দেয়। গতকাল বিকালে রফিক অ্যান্ড সন্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক রফিকুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম রাজীব সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভাধীন সব স্থানের ট্যাক্সি/ম্যাক্সি/মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের (দরপত্র নং-৭) শিডিউল কিনতে পৌরসভায় যায়। শিডিউল কেনার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক বাধা দেয়। এ সময় আরিফুল ইসলাম রাজীব শিডিউল কিনলে তার কাছ থেকে শিডিউল নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে ছাত্রলীগ নেতা শফিক ও তার ক্যাডার বাহিনী। একই সময় রাজীব ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক ও তার ক্যাডার মিন্টুসহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীরা ঠিকাদারের ছেলে ও তার সঙ্গীদের লাঠি দিয়ে পেটায় ও ঘুষি ছাড়াও পৌরসভার চেয়ার ছুড়ে মারে। উভয় পক্ষের মারামারি শুরু হলে এ সময় পৌরসভায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের ছেলে রাজীব বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে রাজীব জানায়। পৌর প্রশাসক আবদুর মতিন প্রধান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ঘটনা দেখে থানায় ফোন করে পুলিশ আনিয়েছি। পুলিশ দেখে সন্ত্রাসীরা পালিয়েছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

