দু’টি মামলার বাদীর হদিস নেই, মিথ্যা মামলায় দারোগা বরখাস্ত : সাভারে বিএনপি করার অপরাধে পালিয়ে বেড়াচ্ছে প্রবাসী আজিজুর
সাভার প্রতিনিধি
সাভারে বিএনপি করার অপরাধে প্রতিবাদী প্রবাসী যুবককে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলা দিয়ে বাড়ি ছাড়া করা হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে দুটি মামলার বাদীর হদিস নেই। একটি ধর্ষণ শেষে হত্যা মামলা রুজুকালে আসামি ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী। অপর মামলা দুটি গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মীদের দায়েরকৃত। এ সব মামলার আসামি ভাকুর্তা ইউনিয়নের ফিরিঙ্গীকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন কমিটির বিএনপি সদস্য আজিজুর রহমান। তিনি এখন সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরব প্রবাসী আজিজুর রহমান ২০০৯ সালের ২২ মে দেশে ফিরে এলে এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী সেন্টু, জাকির, ডানোসহ বেশ কয়কজন তার কাছে চাঁদা দাবি করে। তিনি তা দিতে অস্বীকার করায় ওই বছর ১ জুলাই তার বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে নুরুজ্জামান সেন্টু। একই থানায় ২০০৮ সালে ১৩ ডিসেম্বর অজ্ঞাত যুবতীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় আজিজুর রহমানকে। এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি ১৬ দিন হাজতবাস করেন। প্রকৃত পক্ষে ঘটনার সময়ে তিনি প্রবাসে চাকরিরত ছিলেন। আদালতে পাসপোর্ট ও অন্যান্য প্রমাণপত্র দেখালে মামলা থেকে সম্প্রতি বেকসুর খালাস পান তিনি এবং কেরানীগঞ্জ থানার এসআই তাইজুদ্দীনকে এ আসামিকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করে হয়রানির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাভার থানায় প্রবাসী আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয় মোবাইল ও টাকা ছিনাতইয়ের অভিযোগে। গত বছর ২৭ অক্টোবর দায়েরকৃত এ মামলার বাদী রাজধানীর মিরপুর থানার লালকুঠির ১৯৫/১, প্রথম কলোনির বাসিন্দা হক মিয়া, খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ওই ঠিকানায় হক মিয়া নামের কেউ নেই, অতীতেও ছিল না। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই রেজাউল করিম জানান, বাদীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শিগগিরই মামলার ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করা হবে। অনুরূপভাবে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয় রাজধানীর বাড্ডা থানায়। মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলার বাদী ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক পরিচয়ে মিরপুর এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম শরিফ। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই দায়েরকৃত মামলার বাদী এজাহারে দেয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ০১৯১৬-৩০৫১৩৮ ফোন করে কথা বললে বিষয়টি সম্পর্কে জানাতে চাইলে তিনি লাইনটি কেটে দেন। শেষোক্ত মামলাটি ঢাকা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করেন আজিজুর রহমানের প্রতিবেশি কেরানীগঞ্জ থানাধীন আলিপুরের বাসিন্দা কৃষক সাদেক আলী, জমি দখল ও ঘরবাড়ি নির্মাণকালে ভাংচুর চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন বাদী। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাদী একজন ভূমিহীন কৃষক। বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলার আসামি আজিজুর রহমান জানান, এলাকায় নানা অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ফিরিঙ্গীকান্দার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফির সহযোগিতায় আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরব প্রবাসী আজিজুর রহমান ২০০৯ সালের ২২ মে দেশে ফিরে এলে এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী সেন্টু, জাকির, ডানোসহ বেশ কয়কজন তার কাছে চাঁদা দাবি করে। তিনি তা দিতে অস্বীকার করায় ওই বছর ১ জুলাই তার বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে নুরুজ্জামান সেন্টু। একই থানায় ২০০৮ সালে ১৩ ডিসেম্বর অজ্ঞাত যুবতীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় আজিজুর রহমানকে। এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি ১৬ দিন হাজতবাস করেন। প্রকৃত পক্ষে ঘটনার সময়ে তিনি প্রবাসে চাকরিরত ছিলেন। আদালতে পাসপোর্ট ও অন্যান্য প্রমাণপত্র দেখালে মামলা থেকে সম্প্রতি বেকসুর খালাস পান তিনি এবং কেরানীগঞ্জ থানার এসআই তাইজুদ্দীনকে এ আসামিকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করে হয়রানির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাভার থানায় প্রবাসী আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয় মোবাইল ও টাকা ছিনাতইয়ের অভিযোগে। গত বছর ২৭ অক্টোবর দায়েরকৃত এ মামলার বাদী রাজধানীর মিরপুর থানার লালকুঠির ১৯৫/১, প্রথম কলোনির বাসিন্দা হক মিয়া, খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ওই ঠিকানায় হক মিয়া নামের কেউ নেই, অতীতেও ছিল না। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই রেজাউল করিম জানান, বাদীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শিগগিরই মামলার ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করা হবে। অনুরূপভাবে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয় রাজধানীর বাড্ডা থানায়। মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলার বাদী ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক পরিচয়ে মিরপুর এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম শরিফ। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই দায়েরকৃত মামলার বাদী এজাহারে দেয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ০১৯১৬-৩০৫১৩৮ ফোন করে কথা বললে বিষয়টি সম্পর্কে জানাতে চাইলে তিনি লাইনটি কেটে দেন। শেষোক্ত মামলাটি ঢাকা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করেন আজিজুর রহমানের প্রতিবেশি কেরানীগঞ্জ থানাধীন আলিপুরের বাসিন্দা কৃষক সাদেক আলী, জমি দখল ও ঘরবাড়ি নির্মাণকালে ভাংচুর চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন বাদী। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাদী একজন ভূমিহীন কৃষক। বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলার আসামি আজিজুর রহমান জানান, এলাকায় নানা অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ফিরিঙ্গীকান্দার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফির সহযোগিতায় আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


