লন্ডনে সেমিনার : বিডিআর বিদ্রোহের মূল হোতাদের চিহ্নিত করার দাবি
লন্ডন প্রতিনিধি
বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে লন্ডনে আয়োজিত এক সেমিনারে ওই নৃশংস ঘটনার জন্য সরকার প্রদত্ত আনিসুজ্জামান কমিটির রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে ইন্টারপোল ও ইউএন পিস কিপিং ফোর্সসহ আন্তর্জাতিক সামরিক বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত এবং সু্ষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকে দিয়ে মামলার তদন্ত ও চার্জশিট দেয়ার উদ্যোগ এবং মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত না করে বিচারের নামে যে কোনো প্রহসনমূলক তত্পরতা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নৃশংসতার সুবিচার না হলে বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে সেমিনারে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে বিষয়টিকে সমাধানেরও প্রস্তাব করা হয়।
জাস্টিস ফর বাংলাদেশের উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের ডেভেনান্ট সেন্টারে আয়োজিত ‘পিলখানা ট্রাজেডি : বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা’ শীর্ষক সেমিনারে কার্ডিফ ও ঢাকা ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ড. কেএমএ মালেক মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন। সেমিনারে ৫৭ জন শহীদ সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে গত এক বছরে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকায় হতাশা প্রকাশ করে অবিলম্বে রাজনীতিকরণের ঊর্ধ্বে উঠে সর্বজন গ্রহণযোগ্য তদন্তসহ ৭ দফা প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। সরকারিভাবে ওই ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং দায়িত্বশীল যাদের নাম এ ঘটনার বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় এসেছিল তাদের ভূমিকাকে জনমনে সংশয়মুক্ত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশ্বাসযোগ্য ও পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়। অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে একমাত্র সীমান্ত বিরোধের দেশ ভারতের বদলে তৃতীয় কোনো দেশের সহায়তায় বিডিআর পুনর্গঠন, গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সীমাহীন ব্যর্থতার জন্য দায়ীদের অবিলম্বে অপসারণ এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে পুনর্গঠনের প্রস্তাব সেমিনারে গৃহীত হয়।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভয়েস ফর জাস্টিস ওয়ার্ল্ড ফোরামের চেয়ারম্যান ড. হাসানাত এম হোসেন, জাস্টিস ফর বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শামসুল আলম লিটন ও বিশিষ্ট লেখক-কলামিস্ট জগলুল হোসেন।
জাস্টিস ফর বাংলাদেশের উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের ডেভেনান্ট সেন্টারে আয়োজিত ‘পিলখানা ট্রাজেডি : বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা’ শীর্ষক সেমিনারে কার্ডিফ ও ঢাকা ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ড. কেএমএ মালেক মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন। সেমিনারে ৫৭ জন শহীদ সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে গত এক বছরে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকায় হতাশা প্রকাশ করে অবিলম্বে রাজনীতিকরণের ঊর্ধ্বে উঠে সর্বজন গ্রহণযোগ্য তদন্তসহ ৭ দফা প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। সরকারিভাবে ওই ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং দায়িত্বশীল যাদের নাম এ ঘটনার বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় এসেছিল তাদের ভূমিকাকে জনমনে সংশয়মুক্ত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশ্বাসযোগ্য ও পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়। অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে একমাত্র সীমান্ত বিরোধের দেশ ভারতের বদলে তৃতীয় কোনো দেশের সহায়তায় বিডিআর পুনর্গঠন, গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সীমাহীন ব্যর্থতার জন্য দায়ীদের অবিলম্বে অপসারণ এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে পুনর্গঠনের প্রস্তাব সেমিনারে গৃহীত হয়।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভয়েস ফর জাস্টিস ওয়ার্ল্ড ফোরামের চেয়ারম্যান ড. হাসানাত এম হোসেন, জাস্টিস ফর বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শামসুল আলম লিটন ও বিশিষ্ট লেখক-কলামিস্ট জগলুল হোসেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


