সেনা শাসন চালানোর অভিযোগ : বৃহত্তর স্বার্থে চুক্তিতে উপজাতি সম্বোধন মেনে নিয়েছিলাম : সন্তু লারমা
বিডিনিউজ
পার্বত্য চট্টগ্রামে এক ধরনের সেনা শাসন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।
গতকাল দুপুরে বান্দরবান উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে (টিসিআই) তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয়টি স্থায়ী সেনা ব্রিগেড থাকার কথা। কিন্তু অপারেশন উত্তরণের নামে এখানে আরও অনেক ক্যাম্প রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সভাপতি সন্তু লারমা।
সরকারিভাবে উপজাতি বলা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সন্তু লারমা বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে পার্বত্য শান্তিচুক্তিতে আমাদের ‘উপজাতি’ বলাটা মেনে নিয়েছিলাম। তবে আমরা নিজেদের আগেও ‘আদিবাসী’ বলেছি, এখনও বলছি এবং ভবিষ্যতেও বলব।
ফেব্রুয়ারি মাসে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে যা ঘটেছে তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে যে অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে এটি তারই ধারাবাহিকতা। এ থেকে উত্তরণের জন্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন জরুরি।
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সন্তু লারমা বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা নির্বাচিত হবেন। কিন্তু জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য আলাদা ভোটার তালিকা তৈরি না করায় বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এ
কারণে আঞ্চলিক পরিষদও গঠন করা যাচ্ছে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএস মং, শফিকুর রহমান, কাজল কান্তি দাশ, সাধুরাম ত্রিপুরা প্রমুখ। সকালে তারা একই স্থানে ‘পার্বত্য চুক্তি ১৯৯৭ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি সেমিনারে অংশ নেন। তবে ওখানে কোনো সাংবাদিককে যেতে দেয়া হয়নি।
গতকাল দুপুরে বান্দরবান উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে (টিসিআই) তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয়টি স্থায়ী সেনা ব্রিগেড থাকার কথা। কিন্তু অপারেশন উত্তরণের নামে এখানে আরও অনেক ক্যাম্প রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সভাপতি সন্তু লারমা।
সরকারিভাবে উপজাতি বলা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সন্তু লারমা বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে পার্বত্য শান্তিচুক্তিতে আমাদের ‘উপজাতি’ বলাটা মেনে নিয়েছিলাম। তবে আমরা নিজেদের আগেও ‘আদিবাসী’ বলেছি, এখনও বলছি এবং ভবিষ্যতেও বলব।
ফেব্রুয়ারি মাসে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে যা ঘটেছে তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে যে অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে এটি তারই ধারাবাহিকতা। এ থেকে উত্তরণের জন্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন জরুরি।
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সন্তু লারমা বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা নির্বাচিত হবেন। কিন্তু জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য আলাদা ভোটার তালিকা তৈরি না করায় বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এ
কারণে আঞ্চলিক পরিষদও গঠন করা যাচ্ছে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএস মং, শফিকুর রহমান, কাজল কান্তি দাশ, সাধুরাম ত্রিপুরা প্রমুখ। সকালে তারা একই স্থানে ‘পার্বত্য চুক্তি ১৯৯৭ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি সেমিনারে অংশ নেন। তবে ওখানে কোনো সাংবাদিককে যেতে দেয়া হয়নি।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

