রাজ্যসভায় পাস হলো বহুল আলোচিত মহিলা সংরক্ষণ আইন
ডেস্ক রিপোর্ট
অবশেষে বহুল আলোচিত মহিলা সংরক্ষণ আইন তুমুল হট্টোগোলের মধ্য দিয়ে ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় পাস হয়েছে। গতকাল ১৬৫ ভোটে আইনটি পাস হয়। এর বিপক্ষে পড়ে বিজেপির একটি ভোট। তবে অধিবেশনের শুরুতে আইনটির বিরোধিতাকারী আরজেডি ও সমাজবাদী সাত সদস্য উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তাদের চলতি অধিবেশন থেকে বহিষ্কার করা হয়। রাজ্যসভার সভাপতি হামিদ আনসারির কাছ থেকে কাগজ ছিনিয়ে নেয় আইনটির বিরোধিতাকারী ওই সাত সদস্য।
এর আগে সংসদে এবং রাজ্য বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ বিলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়। আইনটির ব্যাপারে এক বিতর্কের জবাবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বলেন, এই বিল ভারতীয় মহিলাদের উত্তরণের লক্ষ্যে এক বিরাট পদক্ষেপ। তবে তিনি এ সময় সংখ্যালঘু ও অনগ্রসর শ্রেণীর মহিলাদের জন্য আলাদা কোঠা রাখার ব্যাপারে বলেন, তাদের স্বার্থসংরক্ষণে অন্য ব্যবস্থা আছে।
বিলটির পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন বিজেপি, বামদল, কংগ্রেস, আরজেডি ও সমাজ পার্টি নেতারা।
তবে নাটকীয়ভাবে শরিকদল তৃণমূল কংগ্রেস ভোটদানে বিরত থাকে। তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী সর্বদলীয় বেঠক ডাকার কথা বলেন, অথচ তৃণমূলের সঙ্গে কথা বলেই বিলের ওপর বিতর্ক শুরু করে দেন। কংগ্রেস তাতে আমল না দিয়ে বলে, জোট সরকারের ঐক্য মজবুত আছে।
এ সময় বিলের বিরোধিতা করে সমাজ পার্টির নেতা এস.কে মিশ্র বলেন, দেশে মহিলাদের সংখ্যা ৫০ শতাংশ। তাই সংরক্ষণ মহিলা-পুরুষ উভয়ের জন্য সমানুপাতিক হওয়া প্রয়োজন। এটা এক ধরনের বৈষম্য।
বিতর্ক শুরুর আগে বিলবিরোধী আরজেডি ও সমাজবাদী পার্টির সদস্যরা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তাদের সাতজনকে সংসদ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ দেন চেয়ারপারসন হামিদ আনসারি। এর প্রতিবাদে দল দুটি সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নেয়ার হুমকি দেয়।
সোমবার ভারতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ইউপিএ সরকার দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা আইনটি পাসের জন্য রাজ্যসভায় পেশ করে।
গতকাল দুই-তৃতীয়ংাশেরও বেশি ভোট পড়ে আইনটির পক্ষে। এ আইন পাসের মাধ্যমে ভারতের লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ১৮১টি এবং লোকসভার বাইরে ২৮টি রাজ্যসভার ৪ হাজার ১০৯টির মধ্যে ১ হাজার ৩৭০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিশ্চিত হলো।
সরকারের পক্ষে ভারতের আইনমন্ত্রী বিরাপ্পা মাইলি সোমবার নারী দিবসের শতবর্ষের দিনেই আইনটি পাস করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু লালু প্রসাদ, মুলায়ম সিং, শরদ যাদবের দলের বিরোধিতায় নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ওইদিন বিলটি পাস না হলেও সংসদে ব্যাপক তর্ক-বিতর্কের পর গতকাল ভোটাভুটির মাধ্যমে সহজেই মহিলা সংরক্ষণ আইনটি পাস হলো।
এর আগে সংসদে এবং রাজ্য বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ বিলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়। আইনটির ব্যাপারে এক বিতর্কের জবাবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বলেন, এই বিল ভারতীয় মহিলাদের উত্তরণের লক্ষ্যে এক বিরাট পদক্ষেপ। তবে তিনি এ সময় সংখ্যালঘু ও অনগ্রসর শ্রেণীর মহিলাদের জন্য আলাদা কোঠা রাখার ব্যাপারে বলেন, তাদের স্বার্থসংরক্ষণে অন্য ব্যবস্থা আছে।
বিলটির পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন বিজেপি, বামদল, কংগ্রেস, আরজেডি ও সমাজ পার্টি নেতারা।
তবে নাটকীয়ভাবে শরিকদল তৃণমূল কংগ্রেস ভোটদানে বিরত থাকে। তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী সর্বদলীয় বেঠক ডাকার কথা বলেন, অথচ তৃণমূলের সঙ্গে কথা বলেই বিলের ওপর বিতর্ক শুরু করে দেন। কংগ্রেস তাতে আমল না দিয়ে বলে, জোট সরকারের ঐক্য মজবুত আছে।
এ সময় বিলের বিরোধিতা করে সমাজ পার্টির নেতা এস.কে মিশ্র বলেন, দেশে মহিলাদের সংখ্যা ৫০ শতাংশ। তাই সংরক্ষণ মহিলা-পুরুষ উভয়ের জন্য সমানুপাতিক হওয়া প্রয়োজন। এটা এক ধরনের বৈষম্য।
বিতর্ক শুরুর আগে বিলবিরোধী আরজেডি ও সমাজবাদী পার্টির সদস্যরা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তাদের সাতজনকে সংসদ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ দেন চেয়ারপারসন হামিদ আনসারি। এর প্রতিবাদে দল দুটি সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নেয়ার হুমকি দেয়।
সোমবার ভারতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ইউপিএ সরকার দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা আইনটি পাসের জন্য রাজ্যসভায় পেশ করে।
গতকাল দুই-তৃতীয়ংাশেরও বেশি ভোট পড়ে আইনটির পক্ষে। এ আইন পাসের মাধ্যমে ভারতের লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ১৮১টি এবং লোকসভার বাইরে ২৮টি রাজ্যসভার ৪ হাজার ১০৯টির মধ্যে ১ হাজার ৩৭০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিশ্চিত হলো।
সরকারের পক্ষে ভারতের আইনমন্ত্রী বিরাপ্পা মাইলি সোমবার নারী দিবসের শতবর্ষের দিনেই আইনটি পাস করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু লালু প্রসাদ, মুলায়ম সিং, শরদ যাদবের দলের বিরোধিতায় নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ওইদিন বিলটি পাস না হলেও সংসদে ব্যাপক তর্ক-বিতর্কের পর গতকাল ভোটাভুটির মাধ্যমে সহজেই মহিলা সংরক্ষণ আইনটি পাস হলো।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


