১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা : রেজ্জাকুল হায়দার আবারও ছয় দিনের রিমান্ডে
চট্টগ্রাম ব্যুরো
১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় ৬ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীকে। সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ওসমান গনি গতকাল দুপুরে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সিআইডি ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়েছিল।
এর আগে অস্ত্র আটকের ঘটনায় দায়ের অপর মামলায় (অস্ত্র আইন) রেজ্জাকুল হায়দারকে ৪ দফায় ১৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অস্ত্র চালানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য না পেয়ে সিআইডি অস্ত্র চোরাচালান আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেয়। চোরাচালান মামলায় গতকালই প্রথম তাকে রিমান্ডে নেয়া হলো।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মহানগর পিপি কামাল উদ্দিন শুনানিতে অংশ নিয়ে রিমান্ডের আবেদনের সপক্ষে বলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এশিয়ার অন্যতম চাঞ্চল্যকর মামলা। বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের কাছে পাঠানোর সময় এই অস্ত্র ধরা পড়ে। এর সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত। এই অবৈধ অস্ত্র চালানের সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি শক্তিকে চিহ্নিত করতে হবে। রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী তখন গোয়েন্দা সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি অস্ত্র চালান ধরার পরিবর্তে নিজেই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন বলে তদন্তে তথ্য মিলেছে। আসামি শাহাব উদ্দিনের জবানবন্দিতে তার নাম এসেছে। যেহেতু তিনি একজন হাই প্রোফাইল আসামি, তাই তাকে ঢাকায় সিআইডি হেডকোয়ার্টারে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এজন্য ১০ দিন সময় প্রয়োজন।
রিমান্ডের বিরোধিতা করে অ্যাডভোকেট তারিক আহমেদ আদালতে বলেন, অস্ত্র আটকের সময় রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ডিজিএফআই’র ডিরেক্টর (সিআইবি) পদে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় চট্টগ্রামের জিওসি ছিলেন মইন উ আহমেদ। ডিজিএফআইতে রেজ্জাকুলসহ ডিরেক্টর ছিলেন ৮ জন। ডিজিএফআই’র টিমওয়ার্কের কারণেই তখন অস্ত্র চালানটি ধরা পড়ে। রেজ্জাকুল যদি তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করতেন, তাহলে একজন দারোগার পক্ষে বিশাল এই অস্ত্রের চালান আটক করা সম্ভব হতো না। তিনি ওয়ান-ইলেভেন সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আসামিদের জবানবন্দিতে যাদের নাম বেরিয়ে এসেছে, তাদের গ্রেফতার না করে উল্টো অস্ত্র আটকে সহযোগিতাকারী রেজ্জাকুলকে গ্রেফতার করা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রেরই অংশ।
তিনি আরও বলেন, এখনও পর্যন্ত কোনো আসামির জবানবন্দিতে রেজ্জাকুল হায়দারের সম্পৃক্ততার তথ্য মেলেনি। আসামি শাহাব উদ্দিনের জবানবন্দিতে রেজ্জাকুলের নাম এসেছে বলা হলেও সেই জবানবন্দি অনুযায়ী রেজ্জাকুলকে আসামি করা যায় না। শাহাব উদ্দিন বলেছেন, তিনি সিএমএইচে চিকিত্সাধীন অবস্থায় পাকিস্তানি আমির ভাই নামের এক ব্যক্তি তাকে দেখতে এসেছিলেন। আমির ভাইকে বিদায় দেয়ার সময় তিনি বাইরে রেজ্জাকুল হায়দারকে দেখতে পান। এ ধরনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অস্ত্র চালানের সঙ্গে রেজ্জাকুলের সম্পৃক্ততার প্রমাণ হয় না। হাসপাতালে কত লোকইতো যেতে পারেন। শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও গত ১০ মাস রেজ্জাকুলকে আটকে রেখে বার বার রিমান্ডে নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্যের পর আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে অস্ত্র আটকের ঘটনায় দায়ের অপর মামলায় (অস্ত্র আইন) রেজ্জাকুল হায়দারকে ৪ দফায় ১৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অস্ত্র চালানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য না পেয়ে সিআইডি অস্ত্র চোরাচালান আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেয়। চোরাচালান মামলায় গতকালই প্রথম তাকে রিমান্ডে নেয়া হলো।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মহানগর পিপি কামাল উদ্দিন শুনানিতে অংশ নিয়ে রিমান্ডের আবেদনের সপক্ষে বলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এশিয়ার অন্যতম চাঞ্চল্যকর মামলা। বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের কাছে পাঠানোর সময় এই অস্ত্র ধরা পড়ে। এর সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত। এই অবৈধ অস্ত্র চালানের সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি শক্তিকে চিহ্নিত করতে হবে। রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী তখন গোয়েন্দা সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি অস্ত্র চালান ধরার পরিবর্তে নিজেই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন বলে তদন্তে তথ্য মিলেছে। আসামি শাহাব উদ্দিনের জবানবন্দিতে তার নাম এসেছে। যেহেতু তিনি একজন হাই প্রোফাইল আসামি, তাই তাকে ঢাকায় সিআইডি হেডকোয়ার্টারে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এজন্য ১০ দিন সময় প্রয়োজন।
রিমান্ডের বিরোধিতা করে অ্যাডভোকেট তারিক আহমেদ আদালতে বলেন, অস্ত্র আটকের সময় রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ডিজিএফআই’র ডিরেক্টর (সিআইবি) পদে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় চট্টগ্রামের জিওসি ছিলেন মইন উ আহমেদ। ডিজিএফআইতে রেজ্জাকুলসহ ডিরেক্টর ছিলেন ৮ জন। ডিজিএফআই’র টিমওয়ার্কের কারণেই তখন অস্ত্র চালানটি ধরা পড়ে। রেজ্জাকুল যদি তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করতেন, তাহলে একজন দারোগার পক্ষে বিশাল এই অস্ত্রের চালান আটক করা সম্ভব হতো না। তিনি ওয়ান-ইলেভেন সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আসামিদের জবানবন্দিতে যাদের নাম বেরিয়ে এসেছে, তাদের গ্রেফতার না করে উল্টো অস্ত্র আটকে সহযোগিতাকারী রেজ্জাকুলকে গ্রেফতার করা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রেরই অংশ।
তিনি আরও বলেন, এখনও পর্যন্ত কোনো আসামির জবানবন্দিতে রেজ্জাকুল হায়দারের সম্পৃক্ততার তথ্য মেলেনি। আসামি শাহাব উদ্দিনের জবানবন্দিতে রেজ্জাকুলের নাম এসেছে বলা হলেও সেই জবানবন্দি অনুযায়ী রেজ্জাকুলকে আসামি করা যায় না। শাহাব উদ্দিন বলেছেন, তিনি সিএমএইচে চিকিত্সাধীন অবস্থায় পাকিস্তানি আমির ভাই নামের এক ব্যক্তি তাকে দেখতে এসেছিলেন। আমির ভাইকে বিদায় দেয়ার সময় তিনি বাইরে রেজ্জাকুল হায়দারকে দেখতে পান। এ ধরনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অস্ত্র চালানের সঙ্গে রেজ্জাকুলের সম্পৃক্ততার প্রমাণ হয় না। হাসপাতালে কত লোকইতো যেতে পারেন। শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও গত ১০ মাস রেজ্জাকুলকে আটকে রেখে বার বার রিমান্ডে নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্যের পর আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

