ফরিদপুরে ছাত্রলীগের আনা দুর্নীতির অভিযোগ শ্রমমন্ত্রীর ভাইয়ের অস্বীকার : আমি মুরগি ব্যবসায়ী টেন্ডারবাজি বুঝি না
ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫৬ কোটি টাকার টেন্ডারবাজির ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের অভিযোগ অস্বীকার করে সোমবার রাতে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছোটভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর। ফরিদপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি একজন মুরগি ব্যবসায়ী, ঠিকাদার নই। নিজের কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও নেই। তাই আমার মাধ্যমে কোনো টেন্ডারবাজির প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এ অভিযোগ আনা হয়েছে।’
এদিন জেলা ছাত্রলীগ ফরিদপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে শ্রমমন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির অভিযোগ করে। তারা জানায়, মোহতেশাম হোসেন বাবর ২ কোটি টাকা উেকাচের বিনিময়ে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন।
“আমার একটি মুরগির ফার্ম রয়েছে। আমি মূলত একজন মুরগি ব্যবসায়ী এবং মুরগির ডিম বিক্রি করি। সততার সঙ্গে এই ব্যবসা করে এলেও বিএনপির লোকেরা আমাকে ‘মুরগি বাবর’ বলে উপহাস করে। এটি খুবই দুঃখজনক। আমাকে টেন্ডারবাজ বাবর, গডফাদার বাবর, সন্ত্রাসী বাবর বললে আপত্তি নেই, কিন্তু মুরগি বাবর বললে আপত্তি আছে। কারণ এটি আমার একটি হালাল ব্যবসা, আমি হালাল ব্যবসা করে খাই। তাই মুরগি বাবর বললে আমার মনে কষ্ট লাগে, ব্যথা লাগে।” টেন্ডারাজি সম্পর্কে বাবর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি ঠিকাদার নই, ঠিকাদারি আমার পেশা নয়, আমার নিজের কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও নেই, তাই টেন্ডার সম্পর্কে আমার বিস্তারিত কোনো ধারণা নেই। ফলে আমার দ্বারা কোনো প্রকার টেন্ডারবাজির প্রশ্নই আসে না । যারা আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন তারা আমার সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। সমাজে আমাকে এবং আমার ভাই শ্রমমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মহল মাঠে নেমেছে। এরই অংশ হিসেবে এখন আমার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
মোহতেশাম বাবর ছাত্রলীগের নেতাদের সংবাদ সম্মেলনের বৈধতার প্রশ্ন তুলে বলেন, টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগ কোনো প্রকার মাথা ঘামাতে পারে না। এটি ঠিকাদারদের কাজ। তার বিরুদ্ধে করা ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য বিপুল ঘোষ এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেন মৃধার নাম উল্লেখ করে বলেন, স্বার্থে ব্যাঘাত পড়লেই এরা নড়েচড়ে বসেন। এরা স্বার্থপর। তাদের লোকেরা কাজ পায়নি বলেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেন্ডার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মন্ত্রীর ভাই খন্দকার বাবরের এই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিফা কামাল উদ্দীন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোকারম মিয়া বাবু, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান লেবী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অনিমেষ রায়, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিপুল অর্থের টেন্ডারবাজির ঘটনার খবর গতকাল ছিল ফরিদপুরে টক অব দ্য টাউন। বিভিন্ন অফিস-আদালত থেকে শুরু করে চায়ের দোকানগুলোতে প্রায় সারাদিন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারি কাজ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের কাদা ছোড়াছুড়ির বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
অপরদিকে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫৬ কোটি টাকার কাজের নতুন টেন্ডার আহ্বান না করা পর্যন্ত এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ বণ্টন না করা পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। তার সাফ কথা, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্রলীগ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবে না। তবে কোনো অনিয়ম দুর্নীতি হলে অবশ্যই তার প্রতিবাদ করার অধিকার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রয়েছে। তাই আমরা সব ধরনের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাব। অন্যায়কারী যতবড় ক্ষমতাশালী হোক না কেন।
এদিন জেলা ছাত্রলীগ ফরিদপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে শ্রমমন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির অভিযোগ করে। তারা জানায়, মোহতেশাম হোসেন বাবর ২ কোটি টাকা উেকাচের বিনিময়ে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন।
“আমার একটি মুরগির ফার্ম রয়েছে। আমি মূলত একজন মুরগি ব্যবসায়ী এবং মুরগির ডিম বিক্রি করি। সততার সঙ্গে এই ব্যবসা করে এলেও বিএনপির লোকেরা আমাকে ‘মুরগি বাবর’ বলে উপহাস করে। এটি খুবই দুঃখজনক। আমাকে টেন্ডারবাজ বাবর, গডফাদার বাবর, সন্ত্রাসী বাবর বললে আপত্তি নেই, কিন্তু মুরগি বাবর বললে আপত্তি আছে। কারণ এটি আমার একটি হালাল ব্যবসা, আমি হালাল ব্যবসা করে খাই। তাই মুরগি বাবর বললে আমার মনে কষ্ট লাগে, ব্যথা লাগে।” টেন্ডারাজি সম্পর্কে বাবর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি ঠিকাদার নই, ঠিকাদারি আমার পেশা নয়, আমার নিজের কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও নেই, তাই টেন্ডার সম্পর্কে আমার বিস্তারিত কোনো ধারণা নেই। ফলে আমার দ্বারা কোনো প্রকার টেন্ডারবাজির প্রশ্নই আসে না । যারা আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন তারা আমার সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। সমাজে আমাকে এবং আমার ভাই শ্রমমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মহল মাঠে নেমেছে। এরই অংশ হিসেবে এখন আমার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
মোহতেশাম বাবর ছাত্রলীগের নেতাদের সংবাদ সম্মেলনের বৈধতার প্রশ্ন তুলে বলেন, টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগ কোনো প্রকার মাথা ঘামাতে পারে না। এটি ঠিকাদারদের কাজ। তার বিরুদ্ধে করা ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য বিপুল ঘোষ এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেন মৃধার নাম উল্লেখ করে বলেন, স্বার্থে ব্যাঘাত পড়লেই এরা নড়েচড়ে বসেন। এরা স্বার্থপর। তাদের লোকেরা কাজ পায়নি বলেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেন্ডার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মন্ত্রীর ভাই খন্দকার বাবরের এই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিফা কামাল উদ্দীন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোকারম মিয়া বাবু, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান লেবী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অনিমেষ রায়, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিপুল অর্থের টেন্ডারবাজির ঘটনার খবর গতকাল ছিল ফরিদপুরে টক অব দ্য টাউন। বিভিন্ন অফিস-আদালত থেকে শুরু করে চায়ের দোকানগুলোতে প্রায় সারাদিন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারি কাজ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের কাদা ছোড়াছুড়ির বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
অপরদিকে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫৬ কোটি টাকার কাজের নতুন টেন্ডার আহ্বান না করা পর্যন্ত এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ বণ্টন না করা পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। তার সাফ কথা, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্রলীগ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবে না। তবে কোনো অনিয়ম দুর্নীতি হলে অবশ্যই তার প্রতিবাদ করার অধিকার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রয়েছে। তাই আমরা সব ধরনের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাব। অন্যায়কারী যতবড় ক্ষমতাশালী হোক না কেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

