বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিয়ার নাম বাদ দেয়ায় ওয়াকআউট
সংসদ রিপোর্টার
বরিশালের শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদে গতকাল জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করে সংসদে বিল উত্থাপনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিরোধী দল অধিবেশন শুরুর ২০ মিনিটের মাথায় বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে ওয়াকআউট করে। অবশ্য ১০ মিনিট পর তারা আবার সংসদে ফিরে এসে অধিবেশন কার্যক্রমে অংশ নেন।
গতকাল সংসদে আইন প্রণয়ন কার্যাবলী চলাকালে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রবর্তনের লক্ষ্যে ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল (সংশোধন) বিল ২০১০’ উত্থাপন করেন। বিলটির ওপর আপত্তি এনে বিরোধী দলের সিনিয়র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, দিনবদলের সরকার জনজীবনের সমস্যার দিকে না তাকিয়ে নাম বদলের খেলায় মেতে উঠেছে। তারা জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অংশ হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করছে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরিশালবাসীর দাবির প্রেক্ষিতেই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পুনঃস্থাপন করতেই এ বিল আনা হয়েছে।
এদিকে ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল (সংশোধন) বিল ২০১০ সংসদে উত্থাপনের পর তা অধিকতর যাচাই-বাছাই করে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়।
উত্থাপিত বিলে আপত্তি জানিয়ে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, জনজীবনের সমস্যার দিকে না তাকিলে আওয়ামী লীগ সরকারের একমাত্র টার্গেট শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলা।
সরকারি দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সব সময় ক্ষমতায় থাকবেন—এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনারা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে নাম পরিবর্তন করেছেন। প্রতিহিংসামূলক হীন রাজনীতির কারণে ২০০১ সালে আপনারা ক্ষমতায় আসতে পারেননি। দিনবদলের নামে নাম বদলের খেলায় মেতে উঠলে আগামীতেও আপনাদের সেই পরিণতি হবে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ক্ষমতায় এসে আবারও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে জিয়াউর রহমানের নামে স্থাপন করব।
নাম পরিবর্তনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওয়াকআউটের ঘোষণা দিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করতে চাইলে স্পিকার আবদুল হামিদ এ সময় তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘মওদুদ সাহেব, আপনার বক্তব্য সকলে শুনেছেন। আপনারা মন্ত্রীর (শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ) বক্তব্য শুনবেন না?’ এসময় বিএনপির অপর সিনিয়র সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীও ওয়াকআউট না করে মন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানান। পরে বিরোধী দল ওয়াকআউট না করে মন্ত্রীর বক্তব্য শোনে। এসময় মন্ত্রী তার বক্তৃতায় বিরোধী দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিরোধী দল বিচিত্র উদাহরণ সৃষ্টি করল। ওয়াকআউটের ঘোষণা দিয়েও তা করেনি। অবশ্য মন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা ৫ মিনিটের জন্য ওয়াকআউট করে।
এদিকে নাম পরিবর্তনের রাজনীতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট বলেন, উভয় দল ছওয়াব কামাই করতে ব্যস্ত আছে বলে মনে হচ্ছে। চট্টগ্রাম হান্নান শাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে ছওয়াব কামাইর জন্য শাহ আমানত বিমানবন্দর করা হয়েছে। এখন এই সরকার ছওয়াব কামাই করতে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে হজরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করেছে।
গতকাল সংসদে আইন প্রণয়ন কার্যাবলী চলাকালে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রবর্তনের লক্ষ্যে ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল (সংশোধন) বিল ২০১০’ উত্থাপন করেন। বিলটির ওপর আপত্তি এনে বিরোধী দলের সিনিয়র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, দিনবদলের সরকার জনজীবনের সমস্যার দিকে না তাকিয়ে নাম বদলের খেলায় মেতে উঠেছে। তারা জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অংশ হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করছে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরিশালবাসীর দাবির প্রেক্ষিতেই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পুনঃস্থাপন করতেই এ বিল আনা হয়েছে।
এদিকে ‘শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল (সংশোধন) বিল ২০১০ সংসদে উত্থাপনের পর তা অধিকতর যাচাই-বাছাই করে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়।
উত্থাপিত বিলে আপত্তি জানিয়ে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, জনজীবনের সমস্যার দিকে না তাকিলে আওয়ামী লীগ সরকারের একমাত্র টার্গেট শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলা।
সরকারি দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সব সময় ক্ষমতায় থাকবেন—এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনারা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে নাম পরিবর্তন করেছেন। প্রতিহিংসামূলক হীন রাজনীতির কারণে ২০০১ সালে আপনারা ক্ষমতায় আসতে পারেননি। দিনবদলের নামে নাম বদলের খেলায় মেতে উঠলে আগামীতেও আপনাদের সেই পরিণতি হবে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ক্ষমতায় এসে আবারও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে জিয়াউর রহমানের নামে স্থাপন করব।
নাম পরিবর্তনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওয়াকআউটের ঘোষণা দিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করতে চাইলে স্পিকার আবদুল হামিদ এ সময় তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘মওদুদ সাহেব, আপনার বক্তব্য সকলে শুনেছেন। আপনারা মন্ত্রীর (শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ) বক্তব্য শুনবেন না?’ এসময় বিএনপির অপর সিনিয়র সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীও ওয়াকআউট না করে মন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানান। পরে বিরোধী দল ওয়াকআউট না করে মন্ত্রীর বক্তব্য শোনে। এসময় মন্ত্রী তার বক্তৃতায় বিরোধী দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিরোধী দল বিচিত্র উদাহরণ সৃষ্টি করল। ওয়াকআউটের ঘোষণা দিয়েও তা করেনি। অবশ্য মন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা ৫ মিনিটের জন্য ওয়াকআউট করে।
এদিকে নাম পরিবর্তনের রাজনীতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট বলেন, উভয় দল ছওয়াব কামাই করতে ব্যস্ত আছে বলে মনে হচ্ছে। চট্টগ্রাম হান্নান শাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে ছওয়াব কামাইর জন্য শাহ আমানত বিমানবন্দর করা হয়েছে। এখন এই সরকার ছওয়াব কামাই করতে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে হজরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করেছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

