ভিন্ন খবর : বোতল ভূতের নিলাম!
ডেস্ক রিপোর্ট
কিছু না, স্রেফ ছোট দুটি বোতল। তারই দাম কিনা ১ হাজার ৩শ’ ৯৫ ডলার। অবশ্য খালি বোতল নয়—দুটি ভূত ছিল ওগুলোর ভেতর। একটায় পুরুষ ভূত, অপরটায় তরুণী ভূত। অনলাইন নিলামে ওই দুটি বোতলের সর্বোচ্চ দাম ওঠে ২ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার। গত রাতে ট্রেড মি ওয়েবসাইটের ওই নিলামে প্রায় ২ লাখ লোক ওই নিলামে অংশ নেয়।
ভূত বিক্রেতার নাম অ্যাভি উডব্যারি। তার ক্রাইস্টচার্চের বাড়ি থেকে ওঝার সাহায্যে ভূত দুটি ধরা হয়েছে বলে জানালেন তিনি। এর আগে কৃত্রিম সিগারেট তৈরিকারক ও বিভিন্ন জিনিস নিলামে তোলার একটা প্রতিষ্ঠান অ্যাভিকে বলেছিল, তারা ভূত নিয়ে নতুন কিছু করার আইডিয়া খুঁজছে। অ্যাভি তাদের জানায়, তার ঘরে ভূত আছে এবং সেগুলো নিয়ে তার নানা বিব্রতকর অভিজ্ঞতাও রয়েছে। অ্যাভি জানায়, ‘আমি দেখতাম পানিভরা জগ নিজে নিজে বার্নারে ওঠে পানি সিদ্ধ হচ্ছে, কেউ পেছন থেকে আমার ঘাড় চুল স্পর্শ করছে। অথচ পেছন ফিরে কাউকে দেখতে পাচ্ছি না। চারপাশে সারাক্ষণ নানাধরনের শব্দ, ফিসফাস। এখানের জিনিস ওখানে... সব এলোমেলো অবস্থা।’
শুধু অ্যাভি একাই যে ভূতের উপস্থিতি অনুভব করেছে তা নয়। বলেছে, ‘আমাদের কুকুরটা আগে সারাঘরে ছুটে বেড়ালেও সে সময় সে কোনো কোনো ঘরে যেতে চাইত না। কেমন ভীতু আর মাথাখারাপ মনে হতো ওটাকে। একদিন আমার ভাইয়ের মেয়ে বলল, সে একটা মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছে।’
এরপর স্থানীয় একটি চার্চের সঙ্গে কথা বলে অ্যাভি। তারা এসে ভূত দুটিকে পবিত্র পানির বোতলের ভেতর বন্দি করে ফেলে।
‘এরপর থেকে ঘরে আর অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার ঘটেনি’—জানাল অ্যাভি।
ওয়েবসাইটে বোতলে ভরা ভূত দুটির ছবি এক সপ্তাহের মধ্যে ২ লাখ ২০ হাজার বার দেখা হয়। বিভিন্ন মন্তব্য সংবলিত অসংখ্য ই-মেইল আসে। কেউ কেউ ভূত দুটিকে নিলামে তোলার বিরোধিতা করেন। তাদের যুক্তি ছিল, ওই দুটি নিশ্চয় কোনো না কোনো মানুষের আত্মা। ওগুলো বেচাবিক্রি করা ঠিক হবে না।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য নিউজিল্যান্ডের একটি কৃত্রিম সিগারেট তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান বোতল দুটি নিলামে কিনে নেয়। তারা এখন জানতে চাইছে এগুলো নিয়ে ঠিক কী করা উচিত। তারা আশা করছে এ বিষয়ে প্রচুর পরামর্শ পাবে মানুষের কাছ থেকে।
ভূত বিক্রেতার নাম অ্যাভি উডব্যারি। তার ক্রাইস্টচার্চের বাড়ি থেকে ওঝার সাহায্যে ভূত দুটি ধরা হয়েছে বলে জানালেন তিনি। এর আগে কৃত্রিম সিগারেট তৈরিকারক ও বিভিন্ন জিনিস নিলামে তোলার একটা প্রতিষ্ঠান অ্যাভিকে বলেছিল, তারা ভূত নিয়ে নতুন কিছু করার আইডিয়া খুঁজছে। অ্যাভি তাদের জানায়, তার ঘরে ভূত আছে এবং সেগুলো নিয়ে তার নানা বিব্রতকর অভিজ্ঞতাও রয়েছে। অ্যাভি জানায়, ‘আমি দেখতাম পানিভরা জগ নিজে নিজে বার্নারে ওঠে পানি সিদ্ধ হচ্ছে, কেউ পেছন থেকে আমার ঘাড় চুল স্পর্শ করছে। অথচ পেছন ফিরে কাউকে দেখতে পাচ্ছি না। চারপাশে সারাক্ষণ নানাধরনের শব্দ, ফিসফাস। এখানের জিনিস ওখানে... সব এলোমেলো অবস্থা।’
শুধু অ্যাভি একাই যে ভূতের উপস্থিতি অনুভব করেছে তা নয়। বলেছে, ‘আমাদের কুকুরটা আগে সারাঘরে ছুটে বেড়ালেও সে সময় সে কোনো কোনো ঘরে যেতে চাইত না। কেমন ভীতু আর মাথাখারাপ মনে হতো ওটাকে। একদিন আমার ভাইয়ের মেয়ে বলল, সে একটা মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছে।’
এরপর স্থানীয় একটি চার্চের সঙ্গে কথা বলে অ্যাভি। তারা এসে ভূত দুটিকে পবিত্র পানির বোতলের ভেতর বন্দি করে ফেলে।
‘এরপর থেকে ঘরে আর অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার ঘটেনি’—জানাল অ্যাভি।
ওয়েবসাইটে বোতলে ভরা ভূত দুটির ছবি এক সপ্তাহের মধ্যে ২ লাখ ২০ হাজার বার দেখা হয়। বিভিন্ন মন্তব্য সংবলিত অসংখ্য ই-মেইল আসে। কেউ কেউ ভূত দুটিকে নিলামে তোলার বিরোধিতা করেন। তাদের যুক্তি ছিল, ওই দুটি নিশ্চয় কোনো না কোনো মানুষের আত্মা। ওগুলো বেচাবিক্রি করা ঠিক হবে না।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য নিউজিল্যান্ডের একটি কৃত্রিম সিগারেট তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান বোতল দুটি নিলামে কিনে নেয়। তারা এখন জানতে চাইছে এগুলো নিয়ে ঠিক কী করা উচিত। তারা আশা করছে এ বিষয়ে প্রচুর পরামর্শ পাবে মানুষের কাছ থেকে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


