বাসি খাবার খেয়ে দীঘিনালা স্কুলের ৬০ শিক্ষার্থী অসুস্থ : প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের বিক্ষোভ
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা আবাসিক স্কুলের ৬০ ছাত্রছাত্রী পচাবাসি ও ময়লাযুক্ত নাস্তা খেয়ে গতকাল সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুপুর নাগাদ ৩৯ জনকে দীঘিনালা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বর্তমানে অসুস্থদের হাসপাতালে চিকিত্সাসেবা দেয়া হচ্ছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিত্সার পর স্কুলে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা হাসপাতালে এসে ভিড় করেন। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে।
অসুস্থ ছাত্রছাত্রীরা জানায়, সকালে নাস্তায় পচাবাসি ও ময়লাযুক্ত ভাজি দিলে ছাত্রছাত্রীরা খেতে অপারগতা প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি চাকমাকে অবহিত করে। ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক উল্টো ঠিকাদারের পক্ষাবলম্বন করে তাদের নাস্তা খেতে বাধ্য করেন। নাস্তা খাওয়ার পরপরই পেটে ব্যথা, ঝিমুনি ও মাথা ঘুরানো এবং বমি শুরু হয়। ১০০ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে গতকাল উপস্থিত ছিল ৭৪ জন। যারাই নাস্তা খেয়েছে তারা সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ একে একে ছাত্রছাত্রীরা হাসপাতালে যেতে থাকে। ১১টার দিকে হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের ভিড় লেগে যায়। ডাক্তার না থাকায় স্বাস্থ্য সহকারীরাই এ সময় কোনোরকমে তাদের সেবা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ইউএনও মনিরুজ্জামান মিয়াসহ জনপ্রতিনিধিরা গিয়ে অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে এনে ভর্তি ও চিকিত্সার ব্যবস্থা করেন। দুপুরে অভিভাবকরা খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি চাকমা স্কুলের খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে ছাত্রছাত্রীদের নিম্নমানের খাবার খেতে বাধ্য করে প্রতিমাসে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কাগজে কলমে খাদ্য সরবরাহকারী প্রদীপ চাকমা হলেও পাহাড়ি একটি আঞ্চলিক দলের নেতা সাব ঠিকাদার অজিত চাকমা গত ঈদের সময় মরা ছাগলের মাংস এবং কলার থোড় খাওয়ানো নিয়ে অভিযোগের পর জেলা পরিষদ থেকে তদন্ত করে সত্যতা মিললেও অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি চাকমা সকালের নাস্তায় পোড়া ভাজি দেয়া হয়েছিল স্বীকার করে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশের কথা অস্বীকার করেন। দীঘিনালার ইউএনও মনিরুজ্জামান মিয়া নিম্নমানের খাদ্য পরিবেশন ও স্কুল ছাত্রছাত্রীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্কুল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুইর্থি কার্বারি ও সংশ্লিষ্ট পরিষদ সদস্যকে জানিয়েছেন বলে জানান।
সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে দীঘিনালা হাসপাতালে বিকাল ৫টা নাগদ ২৩ জন চিকিত্সাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
অসুস্থ ছাত্রছাত্রীরা জানায়, সকালে নাস্তায় পচাবাসি ও ময়লাযুক্ত ভাজি দিলে ছাত্রছাত্রীরা খেতে অপারগতা প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি চাকমাকে অবহিত করে। ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক উল্টো ঠিকাদারের পক্ষাবলম্বন করে তাদের নাস্তা খেতে বাধ্য করেন। নাস্তা খাওয়ার পরপরই পেটে ব্যথা, ঝিমুনি ও মাথা ঘুরানো এবং বমি শুরু হয়। ১০০ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে গতকাল উপস্থিত ছিল ৭৪ জন। যারাই নাস্তা খেয়েছে তারা সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ একে একে ছাত্রছাত্রীরা হাসপাতালে যেতে থাকে। ১১টার দিকে হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের ভিড় লেগে যায়। ডাক্তার না থাকায় স্বাস্থ্য সহকারীরাই এ সময় কোনোরকমে তাদের সেবা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ইউএনও মনিরুজ্জামান মিয়াসহ জনপ্রতিনিধিরা গিয়ে অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে এনে ভর্তি ও চিকিত্সার ব্যবস্থা করেন। দুপুরে অভিভাবকরা খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি চাকমা স্কুলের খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে ছাত্রছাত্রীদের নিম্নমানের খাবার খেতে বাধ্য করে প্রতিমাসে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কাগজে কলমে খাদ্য সরবরাহকারী প্রদীপ চাকমা হলেও পাহাড়ি একটি আঞ্চলিক দলের নেতা সাব ঠিকাদার অজিত চাকমা গত ঈদের সময় মরা ছাগলের মাংস এবং কলার থোড় খাওয়ানো নিয়ে অভিযোগের পর জেলা পরিষদ থেকে তদন্ত করে সত্যতা মিললেও অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি চাকমা সকালের নাস্তায় পোড়া ভাজি দেয়া হয়েছিল স্বীকার করে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশের কথা অস্বীকার করেন। দীঘিনালার ইউএনও মনিরুজ্জামান মিয়া নিম্নমানের খাদ্য পরিবেশন ও স্কুল ছাত্রছাত্রীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্কুল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুইর্থি কার্বারি ও সংশ্লিষ্ট পরিষদ সদস্যকে জানিয়েছেন বলে জানান।
সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে দীঘিনালা হাসপাতালে বিকাল ৫টা নাগদ ২৩ জন চিকিত্সাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


