স্বেচ্ছাসেবক দলের সমাবেশে বিএনপি নেতারা : দেশকে বৃহত্ কারাগারে পরিণত করেছে সরকার
স্টাফ রিপোর্টার
সরকার বাংলাদেশকে বৃহত্ কারাগারে পরিণত করেছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতারা বলেছেন, শিগগিরই দেশে ফিরে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান কারাগার থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করবেন। তিনি আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সঙ্গে মিশে কাজ করবেন।
তারেক রহমানের কারাবন্দির তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপি নেতারা এসব কথা বলেন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সফু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।
ব্যারিস্টার মওদুুদ আহমদ বলেন, বিভিন্ন স্থাপনা থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলার কারণে আওয়ামী লীগের কমপক্ষে এক কোটি ভোট কমেছে। আরও নাম পরিবর্তন হবে আরও ভোট কমতে থাকবে। তিনি বলেন, জনগণের সমস্যা সমাধানে সরকারের কোনো চেষ্টা নেই। তারা শুধু স্থাপনার নাম পরিবর্তন নিয়ে ব্যস্ত। সরকারের সাংঘর্ষিক রাজনীতি চর্চার পরিণাম অবশ্যই ভোগ করতে হবে। ব্যর্থতার কারণেই সরকারের পতন ঘটবে। তারেক রহমান ফিরে আসবে এবং তার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করেন তিনি। মির্জা আব্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হর্তাকর্তাদের বিচার করবেন। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর শেখ হাসিনা তাদের বিচারের বিষয়টি ভুলে গেছেন এবং দেশকে কারাগারে পরিণত করেছেন। তারেক রহমান সুস্থ হয়ে অবশ্যই ফিরে আসবেন। তাকে কেউ আটকে রাখতে পারবে না। তিনি ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রীর কারাগার থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করবেন।
আমানউল্লাহ আমান বলেন, মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার দু’চোখা নীতি অনুসরণ করছে। শুধু আওয়ামী লীগ নেতাদের মামলা প্রত্যাহার করলে চলবে না, বিএনপি নেতাদেরও মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
জামায়াত-শিবর ও বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আপনার বক্তব্য আগে নিজে পালন করুন। আপনার বেয়াই ও হুইপ মির্জা আজমের দুলাভাইয়ের সঙ্গে আগে সম্পর্কচ্ছেদ করুন। শেখ হাসিনা সম্পর্ক ভাঙার পক্ষে কথা বললেও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতিতে এসে সম্পর্ক ভাঙতে পারবেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জয়ের দেশে আগমনকালে আমাদের নেতা তারেক রহমান তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। আশা করি জয়ও সে ভদ্রতা রক্ষা করে রাজনীতি করবেন।
তারেক রহমানের কারাবন্দির তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপি নেতারা এসব কথা বলেন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সফু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।
ব্যারিস্টার মওদুুদ আহমদ বলেন, বিভিন্ন স্থাপনা থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলার কারণে আওয়ামী লীগের কমপক্ষে এক কোটি ভোট কমেছে। আরও নাম পরিবর্তন হবে আরও ভোট কমতে থাকবে। তিনি বলেন, জনগণের সমস্যা সমাধানে সরকারের কোনো চেষ্টা নেই। তারা শুধু স্থাপনার নাম পরিবর্তন নিয়ে ব্যস্ত। সরকারের সাংঘর্ষিক রাজনীতি চর্চার পরিণাম অবশ্যই ভোগ করতে হবে। ব্যর্থতার কারণেই সরকারের পতন ঘটবে। তারেক রহমান ফিরে আসবে এবং তার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করেন তিনি। মির্জা আব্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হর্তাকর্তাদের বিচার করবেন। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর শেখ হাসিনা তাদের বিচারের বিষয়টি ভুলে গেছেন এবং দেশকে কারাগারে পরিণত করেছেন। তারেক রহমান সুস্থ হয়ে অবশ্যই ফিরে আসবেন। তাকে কেউ আটকে রাখতে পারবে না। তিনি ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রীর কারাগার থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করবেন।
আমানউল্লাহ আমান বলেন, মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার দু’চোখা নীতি অনুসরণ করছে। শুধু আওয়ামী লীগ নেতাদের মামলা প্রত্যাহার করলে চলবে না, বিএনপি নেতাদেরও মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
জামায়াত-শিবর ও বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আপনার বক্তব্য আগে নিজে পালন করুন। আপনার বেয়াই ও হুইপ মির্জা আজমের দুলাভাইয়ের সঙ্গে আগে সম্পর্কচ্ছেদ করুন। শেখ হাসিনা সম্পর্ক ভাঙার পক্ষে কথা বললেও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতিতে এসে সম্পর্ক ভাঙতে পারবেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জয়ের দেশে আগমনকালে আমাদের নেতা তারেক রহমান তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। আশা করি জয়ও সে ভদ্রতা রক্ষা করে রাজনীতি করবেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


