১৭০ শ্রমিককে এক কাপড়ে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব
স্টাফ রিপোর্টার
সৌদি আরব থেকে ১৭০ জন বাংলাদেশী শ্রমিককে এক কাপড়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় তারা সৌদি বিশেষ বিমান গালফ এয়ারের ০২৪৮নং ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে ৭৩ জন, দাম্মাম থেকে ২৩ জন এবং রিয়াদ থেকে ৭৪ জন বাংলাদেশী শ্রমিককে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়।
ফিরে আসা শ্রমিক শাহ আলম, আজাদ, আবদুল্লাহ ও আসাদুল জানান, ফিরে আসা সবাইকে সৌদি আরবের জেলখানা থেকে এক কাপড়ে বিমানে উঠিয়ে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে সৌদি পুলিশ ধরে জেলখানায় পাঠায়। সেখানে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খাটার পর তাদেরকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়। তারা আরও জানান, সবাই মাত্র ২ থেকে ৬ মাস সৌদি আরবে কাজ করেছেন। পরে বিভিন্ন কারণে চাকরি হারান। অনেকেই দালালের খপ্পরে পড়ে পথে বসেছেন।
ফিরে আসা শ্রমিকরা আরও জানান, সবাই ভিটেমাটি বিক্রি করে আবার অনেকে ঋণ করে সৌদি আরবে যান। সেখানে গিয়ে অনেকেই কাজ পাননি। দালালচক্র তাদেরকে রাস্তায় নামিয়ে সটকে পড়ে। অনেককে ভুয়া কাগজের কারণে চাকরিচ্যুত করা হয়। ভুয়া আকামার কারণে অনেক বাংলাদেশীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও তারা জানান।
শাহ আলম, আজাদ, আবদুল্লাহ ও আসাদুল অভিযোগ করেন, ফেরত পাঠানো শ্রমিক ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক থেকে তাদের রিয়েল এক্সচেঞ্জ করেন। কিন্তু ব্যাংক থেকে তাদেরকে কোনো রসিদ দেয়া হয়নি। তারা রসিদ চাইলে ব্যাংক কর্মকর্তারা তাদেরকে বকাঝকা করে তাড়িয়ে দেন।
ফিরে আসা শ্রমিক শাহ আলম, আজাদ, আবদুল্লাহ ও আসাদুল জানান, ফিরে আসা সবাইকে সৌদি আরবের জেলখানা থেকে এক কাপড়ে বিমানে উঠিয়ে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে সৌদি পুলিশ ধরে জেলখানায় পাঠায়। সেখানে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খাটার পর তাদেরকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়। তারা আরও জানান, সবাই মাত্র ২ থেকে ৬ মাস সৌদি আরবে কাজ করেছেন। পরে বিভিন্ন কারণে চাকরি হারান। অনেকেই দালালের খপ্পরে পড়ে পথে বসেছেন।
ফিরে আসা শ্রমিকরা আরও জানান, সবাই ভিটেমাটি বিক্রি করে আবার অনেকে ঋণ করে সৌদি আরবে যান। সেখানে গিয়ে অনেকেই কাজ পাননি। দালালচক্র তাদেরকে রাস্তায় নামিয়ে সটকে পড়ে। অনেককে ভুয়া কাগজের কারণে চাকরিচ্যুত করা হয়। ভুয়া আকামার কারণে অনেক বাংলাদেশীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও তারা জানান।
শাহ আলম, আজাদ, আবদুল্লাহ ও আসাদুল অভিযোগ করেন, ফেরত পাঠানো শ্রমিক ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক থেকে তাদের রিয়েল এক্সচেঞ্জ করেন। কিন্তু ব্যাংক থেকে তাদেরকে কোনো রসিদ দেয়া হয়নি। তারা রসিদ চাইলে ব্যাংক কর্মকর্তারা তাদেরকে বকাঝকা করে তাড়িয়ে দেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

