Amardesh
আজঃ ঢাকা, বুধবার ১০ মার্চ ২০১০, ২৬ ফাল্গুন ১৪১৬, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --

জামায়াত-শিবিরের নেতাদের গায়ে হাত দিলে ভালো হবে না : মুজাহিদ

স্টাফ রিপোর্টার
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেছেন, সমপ্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সারাদেশে জনগণের সাংবিধানিক ও মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। এ ঘটনায় উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো জামায়াত ও শিবিরের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা জ্বালাও- পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। কিন্তু জামায়াত-শিবিরের শীর্ষ নেতাদের গায়ে হাত দিলে তার পরিণতি ভালো হবে না। তিনি বলেন, আমরা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির রাজনীতি করি না, কোরআন-হাদিসের রাজনীতি করি। এই রাজনীতির জন্য অতীতে যেমন কেউ জানের পরোয়া করেনি, আমরাও করব না। তিনি জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য পুলিশ প্রধানের প্রতি আহ্বান জানান।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সরকারের জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে ঘোষিত ‘মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মহানগরী আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা ও এটিএম আজহারুল ইসলাম, ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আজাদ এমপি, সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল ও মাওলানা আবদুল হালিম, মহানগরী নেতা ডা. রিদওয়ানুল্লাহ শাহেদী, অ্যাডভোকেট মশিউল আলম প্রমুখ।
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ আরও বলেন, সোমবার সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠনগুলো ঘটা করে মানবাধিকার দিবস পালন করেছে। কিন্তু বোরকাধারী, নামাজি দু’শতাধিক ছাত্রীকে বদরুন্নেছা ও ইডেন কলেজ হোস্টেল থেকে বের করে দিয়ে নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করলেও সে ব্যাপারে কোনো প্রতিবাদ করেনি। এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, কোন বইগুলো রাখা বা পড়া যাবে না, তা সরকারকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে। যেহেতু কোরআন-হাদিস, ইসলামী সাহিত্য ও ছাত্রী সংস্থা নিষিদ্ধ নয়, তাই এ কারণে কোনো ছাত্রীকে পড়ালেখার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে তা হবে ধর্ম, সংবিধান ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এই মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন করাকে নারী অধিকার বোঝায় না উল্লেখ করে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এই নীতি করার উদ্যোগ নেয়া হলে এর প্রতিবাদে মানুষ জরুরি আইনের তোয়াক্কা করেনি। তাই নারী নীতির নামে ইসলামের ওপর আঘাত হানা হলে পুরো বাংলাদেশ ফুঁসে উঠবে বলে সরকারকে সতর্ক করে দেন তিনি।
সরকার প্রচার মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করছে উল্লেখ করে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেন, এটা শুধু দেশের সংবিধান নয়, জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারেরও লঙ্ঘন। তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্দেশ্যে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ নিরপরাধ ছাত্রদের নির্যাতন করার পরও চুপ থেকে বিদেশি টাকা পেতে পারেন; কিন্তু জনগণের ভালোবাসা পাবেন না। পুলিশ প্রধানের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিরপরাধ ছাত্রদের ধরে নির্যাতন করে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নিয়ে তা সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের কাজ নয়, এটা রাজনৈতিক কাজ। পুলিশ রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করলে তা কারও জন্য মোটেই ভালো হতে পারে না। কারও চাপে কাজ করলে বিবেকের দংশনে আসামি হবেন। এভাবে দেশে মানবাধিকার থাকতে পারে না।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, রাবি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমরা বার বার বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছি, এখনও জানাচ্ছি। কিন্তু নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে লাভ হবে না। সরকারের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী, কাদের মোল্লা আর শিবির সভাপতি-সেক্রেটারির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালে কর্মীরা তাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে অন্য দল করবে। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত, এখানে যারা আসে, তারা দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের জন্য কাজ করেন। তাই কোনো কূটকৌশল না নিয়ে সবাই মিলে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সরকার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা, সবার সরকারি পদে নিয়োগ পাওয়া, বিচার পাওয়া, চলাফেরার অধিকার, আটকের আইন, পেশা-ব্যক্তি, ধর্মীয়, বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্দেশে বলেন, পুলিশ দিয়ে কেন, পারলে আপনাদের লোক দিয়ে আমাদের সমাবেশ বন্ধ করার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আবদুল কাদের মোল্লা বলেন, আওয়ামী লীগের কাছে মানবাধিকার আশা করে লাভ নেই। কারণ যারা একদলীয় শাসন, প্রকাশ্যে মানুষ মেরে লাশের ওপর নাচানাচি করতে পারে, তারা সবই করতে পারে।
এটিএম আজহার বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ’৯৬-এর গণআন্দোলন থেকেও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা এদেশ থেকে ইসলামকে নির্মূল করতে পারবে না ইনশাল্লাহ।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মিছিল-মিটিংয়ে পুলিশ দিয়ে বাধা দেয়া যদি আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র হয়, তাহলে আগামীতে জনগণ তাদের এই গণতন্ত্র মানবে না।
খুলনা অফিস জানায়, সরকারের গ্রেফতার অভিযান, দমন-নিপীড়ন ও জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে খুলনায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভায় নেতারা বলেছেন, চিরুনি অভিযানের নামে সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। তারা বলেন, একটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারা দেশে লক্ষাধিক ছাত্রের শিক্ষাজীবন ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে। অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ না হলে জামায়াতে ইসলামী সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগর আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি এম নূরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বার কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য শেখ দিদারুল আলম, খুলনা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ এরশাদ আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আবদুল মতিন প্রমুখ।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের উদ্যোগে শহরের তুফান মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা শহর আমির অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির মুহাদ্দিস আবদুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল খালেক। জেলার আশাশুনি, শ্যামনগর, দেবহাটা, কালীগঞ্জ, কলারোয়া ও তালাসহ ৭টি উপজেলা সদরে অনুরূপ কর্মসূচি পালনের খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল অফিস জানায়, মানবাধিকার সংরক্ষণের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বরিশাল মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা গতকাল সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলালের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর নায়েবে আমির আলহাজ বজলুর রহমান বাচ্চু, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, অ্যাসিসট্যান্ট সহকারী মাওলানা মতিউর রহমান, জহির উদ্দিন মোঃ বাবর, সাবেক স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলাল ইসলাম খান, রায়পাশা-কড়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল আমিন প্রমুখ। সভাপতির বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, সারাদেশে জামায়াতের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার, রিমান্ডে নির্যাতন, অফিস ভাংচুর, ইসলামী বইপুস্তকে অগ্নিসংযোগ, জামায়াতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মিছিলে পুলিশের হামলাসহ নানা কার্যক্রম এ সরকারের চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত নেতারা বলেছেন, অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর মতো কূটকৌশল নিয়ে এগিয়ে চলেছে বর্তমান সরকার। এ ধরনের কূটকৌশল সরকারকে জনরোষের হাত থেকে বাঁচাতে পারবে না। গত সোমবার এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি হাটহাজারী বড় মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে নির্ধারিত মহাসমাবেশ সরকার তার লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনী দিয়ে পণ্ড করে দেয়। পুলিশ বাহিনী ওইদিন যে নৈরাজ্য চালিয়েছে তাতে সরকারের ইসলামবিরোধী চরিত্র আবারও উন্মোচিত হয়েছে। ন্যক্কারজনক এ ঘটনার পর সারাদেশের আলেম-ওলামাসহ দেশপ্রেমিক ও ইসলামী জনতার মধ্যে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। জনরোষ থেকে আত্মরক্ষার কূটকৌশল হিসেবে সরকার অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে জনমতকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন—চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত আমির মাওলানা শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা জাফর সাদেক, অধ্যাপক নুরুল্লাহ, অধ্যক্ষ আমীরুজ্জামান ও অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী।
বগুড়া অফিস জানায়, সারাদেশে সরকারের নির্দেশে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার উদ্যোগে গতকাল বিকালে স্থানীয় টিটু মিলনায়তনে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শহর আমির অধ্যক্ষ আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন। বক্তারা বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘটনাকে সরকার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সারাদেশে জামায়াত ও শিবির নেতাকর্মীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। নিজেদের পরিকল্পিত একটি মৃত্যুর ঘটনাকে শিবিরের ওপর চাপিয়ে দেশ থেকে ইসলামী আন্দোলনকে উত্খাতের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে সরকার।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, গতকাল বিকালে এক আলোচনা সভা করেছে জামায়াতে ইসলামী। বিকালে নামো সংকরবাটি নতুন হাট ও হরিপুর বোর্ড ঘরে স্থানীয় জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর হাফেজ রফিকুল ইসলাম, পৌর আমির মাওলানা আবদুস সবুর, অ্যাডভোকেট ইশাহাক, আবুল হাসান প্রমুখ।
নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী শহর ও সদর শাখার উদ্যোগে গতকাল এক আলোচনা সভা জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু হেলালের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নীলফামারী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুর রশিদ বলেন, রাজশাহীতে ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা ঘটনায় আজ সারাদেশে সরকার প্রশাসনের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবির নিধনের যে তাণ্ডব শুরু করেছে তা দেখেও না দেখার ভান করছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। জাতির সামনে সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য তিনি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?