Amardesh
আজঃ ঢাকা, বুধবার ১০ মার্চ ২০১০, ২৬ ফাল্গুন ১৪১৬, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

রমনা থানা পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডে আসামির মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর রমনা থানা পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডের আসামি জাকির হোসেনের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, রিমান্ডে অমানবিক নির্যাতনে জাকিরের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল এ ঘটনার পর রমনা থানার ওসি শিবলী নোমান জানান, আদালত থেকে রিমান্ড আদেশ পাওয়ার পর জাকিরকে মহানগর ডিবি পুলিশের কাছ থেকে গত সোমবার রাত ৯টায় রমনা থানায় আনা হয়। থানা হেফাজতে জাকিরকে ঠিকমত জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি। অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসি মোখলেসুর রহমান বলেছেন, ডিবি থেকে নয়, রমনা থানা পুলিশ জাকিরকে রিমান্ডে এনেছে কোর্ট থেকে।
রমনা থানার এএসআই মফিজুর রহমান গতকাল বেলা সোয়া ২টায় জাকির হোসেনকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাক্তার আরও জানান, তার (জাকির) মৃত্যু হয়েছে অনেক আগে। রমনা থানার ওসি শিবলী নোমান আমার দেশকে জানান, গাড়ি চুরির মামলায় ডিবি পুলিশ জাকিরকে গ্রেফতার করে ৪ মার্চ। পরদিন তাকে ২ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার গাড়ির যন্ত্রাংশ ও মালামাল উদ্ধার করে। ওই মালের মধ্যে ২টি মাল রয়েছে রমনা থানার মামলার। ফলে তাকে (জাকির) শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে একদিনের রিমান্ডে আনা হয় ডিবি অফিস থেকে। সোমবার রাত ৯টায় আনার পর তাকে অসুস্থতার কারণে তেমন জিজ্ঞাসাবাদ করাও সম্ভব হয়নি। ওসি আরও বলেন, আমরা তাকে কিছুই করিনি অথচ মরে গেল।
রমনা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুল আজিজ এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। রমনা থানা পুলিশ জানিয়েছে, থানা হাজতে জাকির অচেতন হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এসি মোখলেসুর রহমান গতকাল রাতে আমার দেশকে জানান, আসামি জাকিরকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। রমনা থানা পুলিশের বক্তব্য সঠিক নয় জানিয়ে এসি মোখলেস বলেন, আদালতের মাধ্যমে জেল হেফাজত থেকেই আসামি জাকিরকে রিমান্ডে আনে রমনা থানা পুলিশ। তার মৃত্যুর ব্যাপারে ডিবি পুলিশ কিছুই জানে না বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে ডিএমপি কমিশনার একেএম শহীদুল হক জানান, পুলিশের নির্যাতনে ওই আসামি (জাকির) মারা যায়নি। এটি একটি সাধারণ মৃত্যু। থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় ওই আসামির বুকে ব্যথা উঠলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে এ ব্যাপারে চিকিত্সকদের নিয়ে একটি বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলেও কমিশনার জানান।
নিহত জাকির হোসেনের পিতার নাম হাজী মোরশেদ। বাড়ি কুমিল্লা জেলার তিতাস থানাধীন মধ্যপাড়ার আলমপুরে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?