পুলিশি হেফাজত এখন রাজনৈতিক নির্যাতনের হাতিয়ার : রিমান্ডে মৃত্যু কমছে না : এ বছর তিন মাসে ১০ জনের মৃত্যু
ফকরুল আলম কাঞ্চন
হাইকোর্টের নির্দেশনা, মানবাধিকার সংস্থা ও সুশীল সমাজের উদ্বেগ সত্ত্বেও পুলিশ রিমান্ডের ভয়াবহতা চলছেই। রিমান্ডে মৃত্যুর ঘটনাও কম নয়। পুলিশ রিমান্ড মানেই নির্যাতন। অমানবিক ও নিষ্ঠুর এই নির্যাতনে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও কম নয়। মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট মতে, প্রতি বছর পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ জন করে। তারপরও রিমান্ডে নির্যাতন থেমে নেই। সর্বশেষ রাজধানীর রমনা থানার হেফাজতে গতকাল মঙ্গলবার মারা গেছে জাকির হোসেন। এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি শাহবাগ থানা হেফাজতে মারা গেছে জাসাস নেতা আমিনুল ইসলাম মিন্টু। এসব মৃত্যুর তদন্তেও হয় প্রহসন। এ কারণেই একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
সন্দেহভাজন কোনো আসামিকে গ্রেফতারের পর হরহামেশাই পুলিশ রিমান্ডে নিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিমান্ডে নিয়ে আসামিকে নির্যাতন করা হচ্ছে। এই নির্যাতনের মাত্রা কতখানি ভয়াবহ তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন। পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠন, সুশীল সমাজ এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশনাও উপেক্ষিত হচ্ছে। যত নির্দেশনাই দেয়া হোক পুলিশ, র্যাব, সিআইডি বা ডিবি এই নির্দেশনার কোনো তোয়াক্কাই করছে না।
অধিকাংশ সময়ই যাদের রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে তাদের সবাই অপরাধী নয়। সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে অনেককে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে। রিমান্ডকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে। এমন অনেক উদাহারণ আছে, আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের পর দেখা গেছে তিনি ছিলেন নির্দোষ। কিন্তুু তারপরও পুলিশি নির্যাতন চলছেই। রিমান্ডে মৃত্যুর সংখ্যাও কমছে না। ১৯৯৮ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র রুবেলকে ৫৪ ধারায় আটক করে ডিবি পুলিশ রিমান্ডে নেয়। রিমান্ডের ভয়াবহ নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়। রুবেলের মৃত্যুর ঘটনায় বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা ‘ব্লাস্ট’ হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিটও করে। হাইকোর্ট বিভাগ সরকারকে কারণ দর্শানোর রুল জারি করেন। রুলের জবাবের পর শুনানি শেষে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট বিভাগ। রায়ে বলা হয়, কোনো ব্যক্তিকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হলে তাত্ক্ষণিকভাবে গ্রেফতারের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির আত্মীয় বা কাছের কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনজীবী বা পরিচিত কারও উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির গায়ে গ্রেফতারের আগে থেকে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকলে তাত্ক্ষণিকভাবে ডাক্তার দেখাতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ডাক্তার দেখাতে হবে। রায়ে আরও বলা হয়, কোনো গোপন জায়গায় জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে না। এই রায় বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও সরকারকে বলেছিলেন হাইকোর্ট বিভাগ; কিন্তু এসব নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।
তুচ্ছ কারণে, অনেক সময় বিনা কারণেও পুলিশ অভিযুক্তদের রিমান্ডে নিচ্ছে। রিমান্ডে পুলিশের আবদার মেটাতে না পারলে শারীরিক ও মানসিক নানা নির্যাতন চলে আসামির ওপর। ভয়াবহ এই নির্যাতনে মৃত্যুর ঘটনাও অনেক। প্রতিবছরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। কিন্তু তারপরও রিমান্ডে নির্যাতন কমছে না। হাইকোর্ট, মানবাধিকার সংস্থা এবং সুশীল সমাজের মতামত থোড়াই কেয়ার করছে পুলিশ।
অধিকারের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থাকাকালে ৩৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে। অধিকারের রিপোর্টে প্রত্যেকটি মৃত্যুর ঘটনা, সময় এবং দিন উল্লেখ করে রেকর্ড রাখা হয়েছে। গত বছরের উল্লেখযোগ্য মৃত্যুর মধ্যে রয়েছে, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে যুবদল কর্মী জিয়াউল হককে জমিজমা সংক্রান্ত মামলায় গত বছর ২৮ এপ্রিল পুলিশ আটক করে। অভিযোগে প্রকাশ, তাকে চোখ ও হাত-পা বেঁধে পুলিশ নির্যাতন করে। পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেফতারকৃত সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু ১১ জুন আদালতে বলেন, রিমান্ডে নিয়ে সিআইডি তার ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে। রিমান্ডে থাকাবস্থায় স্বীকারোক্তি না দিলে ক্রসফায়ারে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
১৮ জুন মোহাম্মদপুর থানাধীন মোহাম্মদপুর জয়েন্ট কোয়ার্টার-এর এফ-ব্লকের বিজলী মহল্লার মোর্শেদ শিপুকে মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেডের ১ নম্বর রোডের ৩০ নম্বর ভাড়া বাড়ির গেট থেকে ৭/৮ জন লোক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। ১৯ জুন কিশলয় বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শিপুর লাশ পাওয়া যায়। লাশের গায়ে অনেক প্রহারের চিহ্ন ছিল বলে শিপুর পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরিবারের অভিযোগ, সন্ত্রাসীরা নয় কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন শিপুকে তুলে নিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন এবং পরে গুলি করে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে গেছে।
১৪ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানার ১৭৮/২, বংশাল রোডের লিয়াকত আলী বাবুলকে বংশাল চৌরাস্তার কাছে পঞ্চায়েত কবর স্থান রোডের একটি দোকান থেকে র্যাব-১০ এর সদস্যরা আটক করে নিয়ে যায়। র্যাব-১০-এর ধলপুর ক্যাম্পে নিয়ে তার ওপর সারাদিন দফায় দফায় নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
২৪ আগস্ট ছাত্রদলের নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া শাখার সভাপতি মোর্শেদ হাবীব ভূঁইয়া জুয়েল ঢাকায় আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত খাদ্য ভবনে যান। সেদিন সকালে শাহবাগ থানার পুলিশ জুয়েলকে গ্রেফতার করে। রাত ১০টার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা তাকে নেত্রকোনা মডেল থানায় নিয়ে যান। জুয়েলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার লক্ষ্যে ২৫ আগস্ট ৩ দফায় ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে নেত্রকোনা থানার পুলিশ তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
সন্দেহভাজন কোনো আসামিকে গ্রেফতারের পর হরহামেশাই পুলিশ রিমান্ডে নিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিমান্ডে নিয়ে আসামিকে নির্যাতন করা হচ্ছে। এই নির্যাতনের মাত্রা কতখানি ভয়াবহ তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন। পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠন, সুশীল সমাজ এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশনাও উপেক্ষিত হচ্ছে। যত নির্দেশনাই দেয়া হোক পুলিশ, র্যাব, সিআইডি বা ডিবি এই নির্দেশনার কোনো তোয়াক্কাই করছে না।
অধিকাংশ সময়ই যাদের রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে তাদের সবাই অপরাধী নয়। সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে অনেককে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে। রিমান্ডকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে। এমন অনেক উদাহারণ আছে, আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের পর দেখা গেছে তিনি ছিলেন নির্দোষ। কিন্তুু তারপরও পুলিশি নির্যাতন চলছেই। রিমান্ডে মৃত্যুর সংখ্যাও কমছে না। ১৯৯৮ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র রুবেলকে ৫৪ ধারায় আটক করে ডিবি পুলিশ রিমান্ডে নেয়। রিমান্ডের ভয়াবহ নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়। রুবেলের মৃত্যুর ঘটনায় বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা ‘ব্লাস্ট’ হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিটও করে। হাইকোর্ট বিভাগ সরকারকে কারণ দর্শানোর রুল জারি করেন। রুলের জবাবের পর শুনানি শেষে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট বিভাগ। রায়ে বলা হয়, কোনো ব্যক্তিকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হলে তাত্ক্ষণিকভাবে গ্রেফতারের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির আত্মীয় বা কাছের কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনজীবী বা পরিচিত কারও উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির গায়ে গ্রেফতারের আগে থেকে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকলে তাত্ক্ষণিকভাবে ডাক্তার দেখাতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ডাক্তার দেখাতে হবে। রায়ে আরও বলা হয়, কোনো গোপন জায়গায় জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে না। এই রায় বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও সরকারকে বলেছিলেন হাইকোর্ট বিভাগ; কিন্তু এসব নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।
তুচ্ছ কারণে, অনেক সময় বিনা কারণেও পুলিশ অভিযুক্তদের রিমান্ডে নিচ্ছে। রিমান্ডে পুলিশের আবদার মেটাতে না পারলে শারীরিক ও মানসিক নানা নির্যাতন চলে আসামির ওপর। ভয়াবহ এই নির্যাতনে মৃত্যুর ঘটনাও অনেক। প্রতিবছরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। কিন্তু তারপরও রিমান্ডে নির্যাতন কমছে না। হাইকোর্ট, মানবাধিকার সংস্থা এবং সুশীল সমাজের মতামত থোড়াই কেয়ার করছে পুলিশ।
অধিকারের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থাকাকালে ৩৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে। অধিকারের রিপোর্টে প্রত্যেকটি মৃত্যুর ঘটনা, সময় এবং দিন উল্লেখ করে রেকর্ড রাখা হয়েছে। গত বছরের উল্লেখযোগ্য মৃত্যুর মধ্যে রয়েছে, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে যুবদল কর্মী জিয়াউল হককে জমিজমা সংক্রান্ত মামলায় গত বছর ২৮ এপ্রিল পুলিশ আটক করে। অভিযোগে প্রকাশ, তাকে চোখ ও হাত-পা বেঁধে পুলিশ নির্যাতন করে। পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেফতারকৃত সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু ১১ জুন আদালতে বলেন, রিমান্ডে নিয়ে সিআইডি তার ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে। রিমান্ডে থাকাবস্থায় স্বীকারোক্তি না দিলে ক্রসফায়ারে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
১৮ জুন মোহাম্মদপুর থানাধীন মোহাম্মদপুর জয়েন্ট কোয়ার্টার-এর এফ-ব্লকের বিজলী মহল্লার মোর্শেদ শিপুকে মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেডের ১ নম্বর রোডের ৩০ নম্বর ভাড়া বাড়ির গেট থেকে ৭/৮ জন লোক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। ১৯ জুন কিশলয় বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শিপুর লাশ পাওয়া যায়। লাশের গায়ে অনেক প্রহারের চিহ্ন ছিল বলে শিপুর পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরিবারের অভিযোগ, সন্ত্রাসীরা নয় কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন শিপুকে তুলে নিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন এবং পরে গুলি করে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে গেছে।
১৪ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানার ১৭৮/২, বংশাল রোডের লিয়াকত আলী বাবুলকে বংশাল চৌরাস্তার কাছে পঞ্চায়েত কবর স্থান রোডের একটি দোকান থেকে র্যাব-১০ এর সদস্যরা আটক করে নিয়ে যায়। র্যাব-১০-এর ধলপুর ক্যাম্পে নিয়ে তার ওপর সারাদিন দফায় দফায় নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
২৪ আগস্ট ছাত্রদলের নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া শাখার সভাপতি মোর্শেদ হাবীব ভূঁইয়া জুয়েল ঢাকায় আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত খাদ্য ভবনে যান। সেদিন সকালে শাহবাগ থানার পুলিশ জুয়েলকে গ্রেফতার করে। রাত ১০টার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা তাকে নেত্রকোনা মডেল থানায় নিয়ে যান। জুয়েলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার লক্ষ্যে ২৫ আগস্ট ৩ দফায় ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে নেত্রকোনা থানার পুলিশ তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

