শিল্পবান্ধব বাজেট প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনে শিল্পবান্ধব বাজেট প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী নেতারা। এজন্য বাজেটে দেশীয় শিল্প বিকাশের অনুকূল শুল্ক ও কর কাঠামো গড়ে তুলে নিজস্ব উত্পাদিত পণ্যের বাজার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এছাড়া দেশীয় শিল্পের স্বার্থে কাঁচামালের আমদানি শুল্ক কাঠামো ন্যূনতম পাঁচ বছর অপরিবর্তিত রাখা ও অর্থবছরের মধ্যমেয়াদে কোনো শিল্পপণ্যের শুল্ক বাড়াতে হলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি জানান।
গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ট্যারিফ-ননট্যারিফ কাঠামো : শিল্পখাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাকবাজেট আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শিল্প সচিব দেওয়ান জাকির হোসাইন, এমসিসিআই সভাপতি আনিস উদ দৌলা, এফবিসিসিআই’র সাবেক উপদেষ্টা মনজুুর আহমেদ, ডিসিসিআই’র সভাপতি আবুল কাশেম খান, এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন এবং এমচ্যামের প্রেসিডেন্ট আফতাব উল ইসলাম, সিরামিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাশেদ মওদুদ খান, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
নেতারা বলেন, বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় নিজস্ব পণ্যের বাজার ধরে রাখতে কেবল নন-ট্যারিফ প্রতিবন্ধকতার ওপর নির্ভর না করে পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, উত্পাদন খরচ হ্রাস এবং উত্পাদনে মেধা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতার ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সমৃদ্ধ শিল্পখাতের জন্য দেশীয় শিল্পপণ্যের বহুমুখীকরণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিবেশী দেশগুলোয় নিজেদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে।
শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসানির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে এসে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সরকার সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান পরিবর্তনের জন্য শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে চায়। এলক্ষ্যে সরকার রেগুলেটরের পরিবর্তে ফ্যাসিলিটেটরের ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। শিল্পবান্ধব বাজেট প্রণয়নের জন্য সরকার বাজেটের আগেই সংশ্লিষ্ট সবার মতামত গ্রহণ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ট্যারিফ-ননট্যারিফ কাঠামো : শিল্পখাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাকবাজেট আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শিল্প সচিব দেওয়ান জাকির হোসাইন, এমসিসিআই সভাপতি আনিস উদ দৌলা, এফবিসিসিআই’র সাবেক উপদেষ্টা মনজুুর আহমেদ, ডিসিসিআই’র সভাপতি আবুল কাশেম খান, এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন এবং এমচ্যামের প্রেসিডেন্ট আফতাব উল ইসলাম, সিরামিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাশেদ মওদুদ খান, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
নেতারা বলেন, বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় নিজস্ব পণ্যের বাজার ধরে রাখতে কেবল নন-ট্যারিফ প্রতিবন্ধকতার ওপর নির্ভর না করে পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, উত্পাদন খরচ হ্রাস এবং উত্পাদনে মেধা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতার ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সমৃদ্ধ শিল্পখাতের জন্য দেশীয় শিল্পপণ্যের বহুমুখীকরণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিবেশী দেশগুলোয় নিজেদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে।
শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসানির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে এসে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সরকার সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান পরিবর্তনের জন্য শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে চায়। এলক্ষ্যে সরকার রেগুলেটরের পরিবর্তে ফ্যাসিলিটেটরের ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। শিল্পবান্ধব বাজেট প্রণয়নের জন্য সরকার বাজেটের আগেই সংশ্লিষ্ট সবার মতামত গ্রহণ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
-
শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


